শিবির ক্যাডারের বিরুদ্ধে ১ কোটি ৩৫ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ
jugantor
শিবির ক্যাডারের বিরুদ্ধে ১ কোটি ৩৫ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ

  সীতাকুণ্ড (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি  

২৩ মে ২০২১, ২০:২২:২৬  |  অনলাইন সংস্করণ

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড পৌরসভাধীন ৬নং ওয়ার্ডের শিবির ক্যাডার লিয়াকত আলীর বিরুদ্ধে ১ কোটি ৩৫ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ আনা হয়েছে।

সোলেমান সওদাগর ওয়াকফ এস্টেটের সাবেক মোতওয়াল্লি সোলেমান সওদাগরের দুই কন্যা জোহরা খাতুন ও সামছুন নাহার এ অভিযোগ আনেন। প্রায় ২ কোটি ৭০ লাখ টাকার মধ্যে অর্ধেকই নিজেদের বলে দাবি করেন সোলেমান সওদাগরের দুই কন্যা।

রোববার দুপুর ১টায় সীতাকুণ্ড প্রেস ক্লাবে সোলেমান সওদাগরের দুই কন্যা এক সংবাদ সম্মেলন করে এসব অভিযোগ তুলে ধরেন। তবে অভিযোগের বিষয়ে লিয়াকত আলীর ফোনে কল করলে নম্বরটি বন্ধ পাওয়া যায়।

মোতওয়াল্লি সোলেমান সওদাগরের বড় মেয়ে জোহরা খাতুন লিখিত বক্তব্যে বলেন, বিগত ১৯ সেপ্টেম্বর ১৯৮২ সালে সীতাকুণ্ড বাজারের কলেজ রোডে অবস্থিত সোলেমান সওদাগর ওয়াকফ এস্টেটে অবস্থিত ভূমিতে ওয়াকফ দলিল নং-৩৮৭৭ রেজিস্ট্রি করে দেন। যার ওয়াকফ এস্টেটের ইসি নং-১৬০৪০। ওয়াকফ দলিলের শর্ত মোতাবেক ৫৫% আয় আওলাদদের ভরণ-পোষণের জন্য ব্যয় হবে। কিন্তু মার্কেট থেকে প্রতি মাসে ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা অনুসারে বছরে প্রায় ১৮ লাখ টাকা আয় হলেও সোলেমানের ছেলে শফিউল আলমের মৃত্যুর পর তার পুত্র শিবির ক্যাডার মো. লিয়াকত আলী ও মো. আলী সস্পূর্ণ অন্যায়ভাবে টাকাগুলো এককভাবে ভোগদখল করে আসছে।

এ বিষয়ে সীতাকুণ্ড থানায় জোহরা খাতুন অভিযোগ দায়ের করলে পুলিশ গিয়ে অভিযোগটি তদন্ত করে।

এ ব্যাপারে সীতাকুণ্ড থানার ওসি তদন্ত সুমন বণিক বলেন, অনেক দিন ধরে সোলেমান সওদাগরের দুই কন্যা জোহরা খাতুন ও সামছুন নাহারের সঙ্গে জমিসংক্রান্ত বিষয় নিয়ে লিয়াকত আলী ও মো. আলীর সঙ্গে বিরোধ চলে আসছে। পরে জোহরা খাতুন উচ্চ আদালতে গেলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষার স্বার্থে উভয়পক্ষকে ডাকা হয়।

শিবির ক্যাডার ভয়ভীতি দেখাচ্ছে অভিযোগের বিষয়ে তিনি বলেন, বিষয়টি খতিয়ে দেখে তাকে আইনের আওতায় আনা হবে।

সংবাদ সম্মেলনে পরিবারের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন- মো. হানিফ, মো. শাহজাহান, মো. হারুন, নুরুল ইসলাম, শামসুন নাহার নিলুর কন্যা পিংকি আক্তার প্রমুখ।

শিবির ক্যাডারের বিরুদ্ধে ১ কোটি ৩৫ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ

 সীতাকুণ্ড (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি 
২৩ মে ২০২১, ০৮:২২ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড পৌরসভাধীন ৬নং ওয়ার্ডের শিবির ক্যাডার লিয়াকত আলীর বিরুদ্ধে ১ কোটি ৩৫ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ আনা হয়েছে।

সোলেমান সওদাগর ওয়াকফ এস্টেটের সাবেক মোতওয়াল্লি সোলেমান সওদাগরের দুই কন্যা জোহরা খাতুন ও সামছুন নাহার এ অভিযোগ আনেন। প্রায় ২ কোটি ৭০ লাখ টাকার  মধ্যে অর্ধেকই নিজেদের বলে দাবি করেন সোলেমান সওদাগরের দুই কন্যা।

রোববার দুপুর ১টায় সীতাকুণ্ড প্রেস ক্লাবে সোলেমান সওদাগরের দুই কন্যা এক সংবাদ সম্মেলন করে এসব অভিযোগ তুলে ধরেন। তবে অভিযোগের বিষয়ে লিয়াকত আলীর ফোনে কল করলে নম্বরটি বন্ধ পাওয়া যায়।

মোতওয়াল্লি সোলেমান সওদাগরের বড় মেয়ে জোহরা খাতুন লিখিত বক্তব্যে বলেন, বিগত ১৯ সেপ্টেম্বর ১৯৮২ সালে সীতাকুণ্ড বাজারের কলেজ রোডে অবস্থিত সোলেমান সওদাগর ওয়াকফ এস্টেটে অবস্থিত ভূমিতে ওয়াকফ দলিল নং-৩৮৭৭ রেজিস্ট্রি করে দেন। যার ওয়াকফ এস্টেটের ইসি নং-১৬০৪০। ওয়াকফ দলিলের শর্ত মোতাবেক ৫৫% আয় আওলাদদের ভরণ-পোষণের জন্য ব্যয় হবে। কিন্তু মার্কেট থেকে প্রতি মাসে ১ লাখ ৫০ হাজার টাকা অনুসারে বছরে প্রায় ১৮ লাখ টাকা আয় হলেও সোলেমানের ছেলে শফিউল আলমের মৃত্যুর পর তার পুত্র শিবির ক্যাডার মো. লিয়াকত আলী ও মো. আলী সস্পূর্ণ অন্যায়ভাবে টাকাগুলো এককভাবে ভোগদখল করে আসছে।

এ বিষয়ে সীতাকুণ্ড থানায় জোহরা খাতুন অভিযোগ দায়ের করলে পুলিশ গিয়ে অভিযোগটি তদন্ত করে। 

এ ব্যাপারে সীতাকুণ্ড থানার ওসি তদন্ত সুমন বণিক বলেন, অনেক দিন ধরে সোলেমান সওদাগরের দুই কন্যা জোহরা খাতুন ও সামছুন নাহারের সঙ্গে জমিসংক্রান্ত বিষয় নিয়ে লিয়াকত আলী ও মো. আলীর সঙ্গে বিরোধ চলে আসছে। পরে জোহরা খাতুন উচ্চ আদালতে গেলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষার স্বার্থে উভয়পক্ষকে ডাকা হয়।

শিবির ক্যাডার ভয়ভীতি দেখাচ্ছে অভিযোগের বিষয়ে তিনি বলেন, বিষয়টি খতিয়ে দেখে তাকে আইনের আওতায় আনা হবে।

সংবাদ সম্মেলনে পরিবারের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন- মো. হানিফ, মো. শাহজাহান, মো. হারুন, নুরুল ইসলাম, শামসুন নাহার নিলুর কন্যা পিংকি আক্তার প্রমুখ।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন