চাঁপাইনবাবগঞ্জে ২৪ ঘণ্টায় নতুন শনাক্ত ১৩১
jugantor
চাঁপাইনবাবগঞ্জে ২৪ ঘণ্টায় নতুন শনাক্ত ১৩১

  শিবগঞ্জ (চাঁপাইনবাবগঞ্জ) প্রতিনিধি  

২৬ মে ২০২১, ১৫:০০:৪০  |  অনলাইন সংস্করণ

করোনাভাইরাস

সরকারি নির্দেশনায় জেলা প্রশাসনের ঘোষিত দ্বিতীয় দিনের মতো চাঁপাইনবাবগঞ্জে কঠোর লকডাউন চলছে।

গত ২৪ ঘণ্টায় জেলায় আরও ১৩১ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন।

এদিকে লকডাউনে ওষুধ ও নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দোকান ছাড়া সব ধরনের দোকানপাট বন্ধ রয়েছে।

বুধবার সকালে সিভিল সার্জন ডা. জাহিদ নজরুল চৌধুরী জানান, চাঁপাইনবাবগঞ্জে গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে আরও ১৩১ জনের দেহে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। আর এ নিয়ে জেলায় মোট এক হাজার ৫০৫ জনের দেহে ভাইরাসটি শনাক্ত হলো।

রাজশাহী পিসিআর ল্যাব থেকে আসা চাঁপাইনবাবগঞ্জের জেলা ও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে র্যা পিড অ্যান্টিজেন পরীক্ষার মাধ্যমে ভাইরাসটি শনাক্ত করা হয়।

বুধবার সকালে দেখা গেছে, মেঘলা আকাশের পাশাপাশি উপজেলা শহরের রাস্তাগুলো একেবারেই ফাঁকা ছিল। মেঘলা আকাশ রাস্তায় কিছু টুকটাক ছোট ছোট যান চললেও তাদের ফিরিয়ে দেওয়া হচ্ছে।
উপজেলার বিভিন্ন রাস্তার মোড়ে মোড়ে পুলিশি তৎপরতায় একেবারে ফাঁকা দেখা দেখা গেছে। অনেকেই জানিয়েছেন, অধিকাংশ মানুষ মাস্ক ছাড়ায় বেপরোয়া চলাচল এবং কাজ ছাড়া চায়ের দোকানে বসে আড্ডা দিতেন।

কঠোর লকডাউন ঘোষণায় মানুষের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে।
উপজেলার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে চেকপোস্ট বসিয়ে প্রবেশ বা চলাচলে বাধা দেওয়া হচ্ছে। এ ছাড়া জরুরি সেবা ছাড়া রাস্তায় দু-একটি রিকশা, মোটরসাইকেল চলাচল করলে তাদের ফিরিয়ে দেওয়া হচ্ছে।

উপজেলার বিভিন্ন স্থান ঘুরে দেখা গেছে, চিরচেনা রাস্তায় কোলাহলপূর্ণ থাকত সে রাস্তাগুলোতে নেই কোনো ব্যস্ততা। বিভিন্ন যানের শব্দ ও রিকশার টুনটান শব্দ একেবারে নেই। লকডাউনের দ্বিতীয় দিন জনগণকে চলাচলে কঠোর অবস্থানে মাঠে রয়েছেন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা। কোনো রকমের ছাড় দেওয়া হচ্ছে না।

তবে উপজেলার বিভিন্ন মাছ বাজারে অনেকের মুখে মাস্ক ছিল না ও থুতনির নিচে মাস্ক দেখতে পাওয়া গেছে। এদিকে উপজেলার বিভিন্ন মোড় ও মার্কেট এলাকার রাস্তাঘাট ফাঁকা ছিল। গুরুত্বপূর্ণ মোড়গুলোতে পুলিশ সদস্যরা অবস্থান নিয়েছেন।

এসব চেকপোস্ট দেখে গাড়ি, অটোরিকশা, রিকশা, মোটরসাইকেলচালকরা ভিন্ন পথ দিয়ে সটকে পড়ছেন। কেউ কেউ অযাচিতভাবে রাস্তায় বের হলে পড়তে হচ্ছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের জেরার মুখে। তারা সদোত্তর না দিতে পারলে তাদের ফিরিয়ে দেওয়া হচ্ছে।
জরুরি কাজ থাকলে পুলিশ সদস্যরা তাকে দ্রুত কাজ শেষ করে ঘরে ফেরার নির্দেশনা দিচ্ছেন।

এ ছাড়া উপজেলার বিভিন্ন রাস্তার প্রবেশমুখ এলাকায় পুলিশ সদস্যরা কঠোরভাবে দায়িত্ব পালন করছেন। সকাল থেকেই মাঠে রয়েছেন আইনপ্রয়োগকারী সংস্থার সদস্যরা।

মোড়ে মোড়ে টহল দল অবস্থান নিয়ে তদারকি করছেন। গুরুত্বপূর্ণ রাস্তায় রাস্তায় চলাচলরত ছোট ছোট যানগুলো থামিয়ে তল্লাশি করা হচ্ছে। যাত্রী ছাড়া যেসব রিকশা চলাচল করছে, তাদের ফিরিয়ে দেওয়া হচ্ছে।

এতে করে শহরে রিকশার আনাগোনা একেবারে কমে গেছে।

এদিকে জেলা প্রশাসনের এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেটরা বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালানো অব্যাহত রেখেছেন।

চাঁপাইনবাবগঞ্জে ২৪ ঘণ্টায় নতুন শনাক্ত ১৩১

 শিবগঞ্জ (চাঁপাইনবাবগঞ্জ) প্রতিনিধি 
২৬ মে ২০২১, ০৩:০০ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
করোনাভাইরাস
ফাইল ছবি

সরকারি নির্দেশনায় জেলা প্রশাসনের ঘোষিত দ্বিতীয় দিনের মতো চাঁপাইনবাবগঞ্জে কঠোর লকডাউন চলছে।

গত ২৪ ঘণ্টায় জেলায় আরও ১৩১ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন।

এদিকে লকডাউনে ওষুধ ও নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দোকান ছাড়া সব ধরনের দোকানপাট বন্ধ রয়েছে।

বুধবার সকালে সিভিল সার্জন ডা. জাহিদ নজরুল চৌধুরী জানান, চাঁপাইনবাবগঞ্জে গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে আরও ১৩১ জনের দেহে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে।  আর এ নিয়ে জেলায় মোট এক হাজার ৫০৫ জনের দেহে ভাইরাসটি শনাক্ত হলো।

রাজশাহী পিসিআর ল্যাব থেকে আসা চাঁপাইনবাবগঞ্জের জেলা ও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে র্যা পিড অ্যান্টিজেন পরীক্ষার মাধ্যমে ভাইরাসটি শনাক্ত করা হয়।

বুধবার সকালে দেখা গেছে, মেঘলা আকাশের পাশাপাশি উপজেলা শহরের রাস্তাগুলো একেবারেই ফাঁকা ছিল। মেঘলা আকাশ রাস্তায় কিছু টুকটাক ছোট ছোট যান চললেও তাদের ফিরিয়ে দেওয়া হচ্ছে।
উপজেলার বিভিন্ন রাস্তার মোড়ে মোড়ে পুলিশি তৎপরতায় একেবারে ফাঁকা দেখা দেখা গেছে। অনেকেই জানিয়েছেন, অধিকাংশ মানুষ মাস্ক ছাড়ায় বেপরোয়া চলাচল এবং কাজ ছাড়া চায়ের দোকানে বসে আড্ডা দিতেন।

কঠোর লকডাউন ঘোষণায় মানুষের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে।
উপজেলার বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে চেকপোস্ট বসিয়ে প্রবেশ বা চলাচলে বাধা দেওয়া হচ্ছে। এ ছাড়া জরুরি সেবা ছাড়া রাস্তায় দু-একটি রিকশা, মোটরসাইকেল চলাচল করলে তাদের ফিরিয়ে দেওয়া হচ্ছে।

উপজেলার বিভিন্ন স্থান ঘুরে দেখা গেছে, চিরচেনা রাস্তায় কোলাহলপূর্ণ থাকত সে রাস্তাগুলোতে নেই কোনো ব্যস্ততা। বিভিন্ন যানের শব্দ ও রিকশার টুনটান শব্দ একেবারে নেই। লকডাউনের দ্বিতীয় দিন জনগণকে চলাচলে কঠোর অবস্থানে মাঠে রয়েছেন আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা।  কোনো রকমের ছাড় দেওয়া হচ্ছে না।

তবে উপজেলার বিভিন্ন মাছ বাজারে অনেকের মুখে মাস্ক ছিল না ও থুতনির নিচে মাস্ক দেখতে পাওয়া গেছে। এদিকে উপজেলার বিভিন্ন মোড় ও মার্কেট এলাকার রাস্তাঘাট ফাঁকা ছিল।  গুরুত্বপূর্ণ মোড়গুলোতে পুলিশ সদস্যরা অবস্থান নিয়েছেন।

এসব চেকপোস্ট দেখে গাড়ি, অটোরিকশা, রিকশা, মোটরসাইকেলচালকরা ভিন্ন পথ দিয়ে সটকে পড়ছেন। কেউ কেউ অযাচিতভাবে রাস্তায় বের হলে পড়তে হচ্ছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের জেরার মুখে। তারা সদোত্তর না দিতে পারলে তাদের ফিরিয়ে দেওয়া হচ্ছে।
জরুরি কাজ থাকলে পুলিশ সদস্যরা তাকে দ্রুত কাজ শেষ করে ঘরে ফেরার নির্দেশনা দিচ্ছেন।

এ ছাড়া উপজেলার বিভিন্ন রাস্তার প্রবেশমুখ এলাকায় পুলিশ সদস্যরা কঠোরভাবে দায়িত্ব পালন করছেন। সকাল থেকেই মাঠে রয়েছেন আইনপ্রয়োগকারী সংস্থার সদস্যরা।

মোড়ে মোড়ে টহল দল অবস্থান নিয়ে তদারকি করছেন। গুরুত্বপূর্ণ রাস্তায় রাস্তায় চলাচলরত ছোট ছোট যানগুলো থামিয়ে তল্লাশি করা হচ্ছে। যাত্রী ছাড়া যেসব রিকশা চলাচল করছে, তাদের ফিরিয়ে দেওয়া হচ্ছে।

এতে করে শহরে রিকশার আনাগোনা একেবারে কমে গেছে।

এদিকে জেলা প্রশাসনের এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেটরা বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালানো অব্যাহত রেখেছেন।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন

ঘটনাপ্রবাহ : ছড়িয়ে পড়ছে করোনাভাইরাস

জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন