ছাত্রলীগ নেতার অকাল মৃত্যু
jugantor
ছাত্রলীগ নেতার অকাল মৃত্যু

  ভাঙ্গুড়া (পাবনা) প্রতিনিধি  

২৬ মে ২০২১, ১৭:২৩:৪০  |  অনলাইন সংস্করণ

পাবনার ভাঙ্গুড়ায় নতুন কেনা মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় শামীম আহমেদ নামে এক ছাত্রলীগ নেতা নিহত হয়েছেন। বুধবার রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।

শামীম উপজেলার সরদারপাড়া গ্রামের দরিদ্র দিনমজুর আব্দুল মতিনের ছেলে। তিনি পৌর ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি ছিলেন।

স্থানীয় সূত্র জানায়, সম্প্রতি তার ছোটভাই সেনাবাহিনীতে যোগদান করলে দরিদ্র পরিবার খানিকটা সচ্ছলতার মুখ দেখে। গত ২৮ মার্চে শামীম ও তার ভাই দীর্ঘ দিনের শখ পূরণ করতে দেড় লাখ টাকায় একটি মোটরসাইকেল কেনেন। সেই মোটরসাইকেল নিয়ে শামীম ঈদের পর দিন দুর্ঘটনায় পতিত হন। দীর্ঘ ১১ দিন পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় বুধবার রাজশাহীতে মারা যান।

পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ঈদের পরের দিন শামীম পৗর শহরের সরদারপাড়া মোড়ে অপরদিক থেকে আসা একটি দ্রুতগতির অটোগাড়িকে সাইড দিতে গিয়ে দুর্ঘটনায় পতিত হয়ে মাথায় প্রচণ্ড আঘাত পেয়ে অচেতন হয়ে পড়েন। তাকে উদ্ধার করে ভাঙ্গুড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে তাকে রাজশাহীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য পাঠানো হয়।

সেখানে বেসরকারি সিডিএম হাসপাতালে তাকে ভর্তি করে জরুরিভাবে তার মাথায় একটি অস্ত্রোপচার করা হয়। সেখানের ডাক্তাররা তাকে আরও উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নেয়ার পরামর্শ দেন। কিন্তু দরিদ্র পিতার পক্ষে তা সম্ভব না হওয়ায় তাকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে তিন দিন চিকিৎসাধীন থাকার পর বুধবার সকালে শামীম মারা যান।

ভাঙ্গুড়া পৌর ছাত্রলীগের সভাপতি প্রভাষক হেলাল উদ্দিন খান বলেন, শামীমের মৃত্যুতে পৌর ও উপজেলা ছাত্রলীগ গভীরভাবে শোকাহত। ছাত্রলীগ চেষ্টা করবে শামীমের পরিবারের পাশে দাঁড়াতে।

ছাত্রলীগ নেতার অকাল মৃত্যু

 ভাঙ্গুড়া (পাবনা) প্রতিনিধি 
২৬ মে ২০২১, ০৫:২৩ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

পাবনার ভাঙ্গুড়ায় নতুন কেনা মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় শামীম আহমেদ নামে এক ছাত্রলীগ নেতা নিহত হয়েছেন। বুধবার রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।

শামীম উপজেলার সরদারপাড়া গ্রামের দরিদ্র দিনমজুর আব্দুল মতিনের ছেলে। তিনি পৌর ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি ছিলেন।

স্থানীয় সূত্র জানায়, সম্প্রতি তার ছোটভাই সেনাবাহিনীতে যোগদান করলে দরিদ্র পরিবার খানিকটা সচ্ছলতার মুখ দেখে। গত ২৮ মার্চে শামীম ও তার ভাই দীর্ঘ দিনের শখ পূরণ করতে দেড় লাখ টাকায় একটি মোটরসাইকেল কেনেন। সেই মোটরসাইকেল নিয়ে শামীম ঈদের পর দিন দুর্ঘটনায় পতিত হন। দীর্ঘ ১১ দিন পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় বুধবার রাজশাহীতে মারা যান।

পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ঈদের পরের দিন শামীম পৗর শহরের সরদারপাড়া মোড়ে অপরদিক থেকে আসা একটি দ্রুতগতির অটোগাড়িকে সাইড দিতে গিয়ে দুর্ঘটনায় পতিত হয়ে মাথায় প্রচণ্ড আঘাত পেয়ে অচেতন হয়ে পড়েন। তাকে উদ্ধার করে ভাঙ্গুড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে তাকে রাজশাহীতে উন্নত চিকিৎসার জন্য পাঠানো হয়।

সেখানে বেসরকারি সিডিএম হাসপাতালে তাকে ভর্তি করে জরুরিভাবে তার মাথায় একটি অস্ত্রোপচার করা হয়। সেখানের ডাক্তাররা তাকে আরও উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় নেয়ার পরামর্শ দেন। কিন্তু দরিদ্র পিতার পক্ষে তা সম্ভব না হওয়ায় তাকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে তিন দিন চিকিৎসাধীন থাকার পর বুধবার সকালে শামীম মারা যান।

ভাঙ্গুড়া পৌর ছাত্রলীগের সভাপতি প্রভাষক হেলাল উদ্দিন খান বলেন, শামীমের মৃত্যুতে পৌর ও উপজেলা ছাত্রলীগ গভীরভাবে শোকাহত। ছাত্রলীগ চেষ্টা করবে শামীমের পরিবারের পাশে দাঁড়াতে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন