ঘূর্ণিঝড় ইয়াস: মায়ের কোল থেকে স্রোতে ভেসে গেল শিশু
jugantor
ঘূর্ণিঝড় ইয়াস: মায়ের কোল থেকে স্রোতে ভেসে গেল শিশু

  বেতাগী (বরগুনা) প্রতিনিধি  

২৬ মে ২০২১, ১৯:৫২:০৮  |  অনলাইন সংস্করণ

বরগুনার বেতাগীতে ঘূর্ণিঝড় ইয়াসের প্রভাবে ভয়াবহ স্রোতের মুখে পড়ে মায়ের কোল থেকে ভেসে যায় তিন বছর বয়সের শিশু। প্রায় ঘণ্টাব্যাপী খোঁজাখুঁজি শেষে এলাকাবাসী শিশুটিকে মৃত উদ্ধার করে। বুধবার বেলা ১১টায় ঘটনাটি ঘটে।

জানা যায়, ঘূর্ণিঝড় ইয়াসের প্রভাবে অতিরিক্ত স্রোতের চাপে সরিষামুড়ি ইউনিয়নের দক্ষিণ কালিকাবাড়ি গ্রামের বিষখালী নদীর প্রতিরক্ষা বাঁধটি ভেঙে যায়। ওই গ্রামের বাসিন্দা মো. স্বপন মিয়ার স্ত্রী তার ছেলে ইমামুল হোসেনকে (৩) নিয়ে পার্শ্ববর্তী একটি আশ্রয় কেন্দ্রে রওনা দেন। পথিমধ্যে স্রোতের মুখে পড়লে তার শিশুসন্তানটি স্রোতে ভাসিয়ে নিয়ে যায়।

এছাড়া উপজেলার ঝোপখালী, লক্ষ্মীপুরা, মোকামিয়া, বদনীখালী এলাকার ৫টি স্থানের বেড়িবাঁধ ভেঙে ২৩টি গ্রাম পানিতে তলিয়ে যায়।

শিশুটির বাবা স্বপন মিয়া বলেন, ঘূর্ণিঝড় ইয়াস আমার সন্তানটি নিয়ে গেল। আজ যদি প্রতিরক্ষা বাঁধটি সংস্কার করা থাকতো হয়তো এমন দুর্ঘটনা আমার পরিবারের জীবনে আসতো না। আমি কী এমন পাপ করছিলাম যে আল্লাহ আমাকে এত বড় শাস্তি দিলেন।

সরিষামুড়ি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বলেন, ঘূর্ণিঝড় সিডর ও আম্পানে বাঁধটি নড়বড়ে হয়ে যায়। সংস্কার করার জন্য বরাদ্দও পাস হয়েছিল। এর মধ্যে আবার ঘূর্ণিঝড় ইয়াসের দাপটে বাঁধটি ভেঙে যায়। পানির তোড়ে মায়ের কোল থেকে ভেসে গিয়ে মারা যায় তিন বছরের শিশুটি।

বেতাগী উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মাকসুদুর রহমান ফোরকান ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সুহৃদ সালেহীন ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাসমূহ পরিদর্শন করে শিশুটির পরিবার ও ক্ষতিগ্রস্তদের আর্থিক সহায়তা প্রদানের জন্য আশ্বস্ত করেন। এছাড়া ঘূর্ণিঝড়ে আশ্রয় কেন্দ্রে আশ্রয় নিতে আসা ২ শতাধিক পরিবারের মাঝে শুকনো খাবার বিতরণ করা হয়েছে।

ঘূর্ণিঝড় ইয়াস: মায়ের কোল থেকে স্রোতে ভেসে গেল শিশু

 বেতাগী (বরগুনা) প্রতিনিধি 
২৬ মে ২০২১, ০৭:৫২ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

বরগুনার বেতাগীতে ঘূর্ণিঝড় ইয়াসের প্রভাবে ভয়াবহ স্রোতের মুখে পড়ে মায়ের কোল থেকে ভেসে যায় তিন বছর বয়সের শিশু। প্রায় ঘণ্টাব্যাপী খোঁজাখুঁজি শেষে এলাকাবাসী শিশুটিকে মৃত উদ্ধার করে। বুধবার বেলা ১১টায় ঘটনাটি ঘটে।

জানা যায়, ঘূর্ণিঝড় ইয়াসের প্রভাবে অতিরিক্ত স্রোতের চাপে সরিষামুড়ি ইউনিয়নের দক্ষিণ কালিকাবাড়ি গ্রামের বিষখালী নদীর প্রতিরক্ষা বাঁধটি ভেঙে যায়। ওই গ্রামের বাসিন্দা মো. স্বপন মিয়ার স্ত্রী তার ছেলে ইমামুল হোসেনকে (৩) নিয়ে পার্শ্ববর্তী একটি আশ্রয় কেন্দ্রে রওনা দেন। পথিমধ্যে স্রোতের মুখে পড়লে তার শিশুসন্তানটি স্রোতে ভাসিয়ে নিয়ে যায়।

এছাড়া উপজেলার ঝোপখালী, লক্ষ্মীপুরা, মোকামিয়া, বদনীখালী এলাকার ৫টি স্থানের বেড়িবাঁধ ভেঙে ২৩টি গ্রাম পানিতে তলিয়ে যায়।

শিশুটির বাবা স্বপন মিয়া বলেন, ঘূর্ণিঝড় ইয়াস আমার সন্তানটি নিয়ে গেল। আজ যদি প্রতিরক্ষা বাঁধটি সংস্কার করা থাকতো হয়তো এমন দুর্ঘটনা আমার পরিবারের জীবনে আসতো না। আমি কী এমন পাপ করছিলাম যে আল্লাহ আমাকে এত বড় শাস্তি দিলেন।

সরিষামুড়ি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বলেন, ঘূর্ণিঝড় সিডর ও আম্পানে বাঁধটি নড়বড়ে হয়ে যায়। সংস্কার করার জন্য বরাদ্দও পাস হয়েছিল। এর মধ্যে আবার ঘূর্ণিঝড় ইয়াসের দাপটে বাঁধটি ভেঙে যায়। পানির তোড়ে মায়ের কোল থেকে ভেসে গিয়ে মারা যায় তিন বছরের শিশুটি।

বেতাগী উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মাকসুদুর রহমান ফোরকান ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. সুহৃদ সালেহীন ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাসমূহ পরিদর্শন করে শিশুটির পরিবার ও ক্ষতিগ্রস্তদের আর্থিক সহায়তা প্রদানের জন্য আশ্বস্ত করেন। এছাড়া ঘূর্ণিঝড়ে আশ্রয় কেন্দ্রে আশ্রয় নিতে আসা ২ শতাধিক পরিবারের মাঝে শুকনো খাবার বিতরণ করা হয়েছে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন