বিয়ের ৪ মাস পর তালাক দেয়ায় স্ত্রীকে কোপাল স্বামী
jugantor
বিয়ের ৪ মাস পর তালাক দেয়ায় স্ত্রীকে কোপাল স্বামী

  কালিয়াকৈর (গাজীপুর) প্রতিনিধি  

২৬ মে ২০২১, ২০:২৮:৪৩  |  অনলাইন সংস্করণ

গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার মৌচাক এলাকায় বিয়ের ৪ মাস পর তালাক দেয়ায় স্ত্রীর পেটে ছুরি দিয়ে কুপিয়ে ভুঁড়ি বের করে ফেলেছে স্বামী।

বুধবার সকালে আরজিনা আক্তার নামে ওই নারীকে গুরুতর আহত অবস্থায় পুলিশ উদ্ধার করে টাঙ্গাইল জেলার মির্জাপুর কুমুদিনী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেছে।

আহত নারী হলেন নওগাঁ জেলার পত্নীতলা উপজেলার গুটিল গ্রামের আকবর আলীর মেয়ে। আরজিনা আক্তার কালিয়াকৈর উপজেলার মৌচাক এলাকায় মেহের আলীর বাড়িতে বাসাভাড়া নিয়ে স্থানীয় একটি কারখানায় চাকরি করেন।

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত চার মাস আগে নওগাঁ সদর উপজেলার মোকরমপুর গ্রামের মনছুর আলীর ছেলে রতন মিয়ার (৩৫) সঙ্গে আরজিনা আক্তারের বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই তাদের মধ্যে নানা বিষয় নিয়ে ঝগড়া-বিবাদ হতো।

এরই একপর্যায়ে আরজিনা আক্তার স্বামী রতন মিয়াকে মৌচাক কাজী অফিসে গিয়ে ডিভোর্স দেন।

এ সময় নিকাহ রেজিস্ট্রার (কাজি) বিষয়টি রতন মিয়াকে ফোনে জানালে রতন মিয়া তাৎক্ষণিক ওই অফিসে গিয়ে তার স্ত্রী আরজিনাকে নিয়ে একটি রিকশায় উঠিয়ে বাসায় নিয়ে যাওয়ার পথে সুফিয়া হাসপাতালের সামনে এসে রিকশা থেকে নামেন। এরপর পাশেই একটি দা-বঁটি বিক্রেতার দোকানে গিয়ে একটি ছুরি এনে আরজিনার পেটে কয়েকটি আঘাত করেন।

এতে আরজিনার পেট থেকে ভুঁড়ি বেরিয়ে আসে। উপস্থিত জনতা ঘাতক স্বামীকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেন। পরে পুলিশ আরজিনাকে উদ্ধার করে টাঙ্গাইল জেলার মির্জাপুর কুমুদিনী হাসপাতালে ভর্তি করে।

এ ব্যাপারে মৌচাক পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই সাইফুল ইসলাম জানান, মাত্র কয়েক মাস আগে তাদের বিয়ে হয়েছে। পারিবারিক কলহের জের ধরে আরজিনা স্বামীকে বুধবার ডিভোর্স দিলে স্বামী রতন মিয়া ক্ষিপ্ত হয়ে স্ত্রীকে ছুরি দিয়ে প্রকাশ্য দিবালোকে রাস্তার ওপর হত্যার চেষ্টা করে। এ ঘটনায় তার স্বামী রতনকে গ্রেফতার করে দুপুরে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।

বিয়ের ৪ মাস পর তালাক দেয়ায় স্ত্রীকে কোপাল স্বামী

 কালিয়াকৈর (গাজীপুর) প্রতিনিধি 
২৬ মে ২০২১, ০৮:২৮ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

গাজীপুরের কালিয়াকৈর উপজেলার মৌচাক এলাকায় বিয়ের ৪ মাস পর তালাক দেয়ায় স্ত্রীর পেটে ছুরি দিয়ে কুপিয়ে ভুঁড়ি বের করে ফেলেছে স্বামী।

বুধবার সকালে আরজিনা আক্তার নামে ওই নারীকে গুরুতর আহত অবস্থায় পুলিশ উদ্ধার করে টাঙ্গাইল জেলার মির্জাপুর কুমুদিনী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করেছে। 

আহত নারী হলেন নওগাঁ জেলার পত্নীতলা উপজেলার গুটিল গ্রামের আকবর আলীর মেয়ে। আরজিনা আক্তার কালিয়াকৈর উপজেলার মৌচাক এলাকায় মেহের আলীর বাড়িতে বাসাভাড়া নিয়ে স্থানীয় একটি কারখানায় চাকরি করেন।

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গত চার মাস আগে নওগাঁ সদর উপজেলার মোকরমপুর গ্রামের মনছুর আলীর ছেলে রতন মিয়ার (৩৫) সঙ্গে আরজিনা আক্তারের বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকেই তাদের মধ্যে নানা বিষয় নিয়ে ঝগড়া-বিবাদ হতো। 

এরই একপর্যায়ে আরজিনা আক্তার স্বামী রতন মিয়াকে মৌচাক কাজী অফিসে গিয়ে ডিভোর্স দেন।

এ সময় নিকাহ রেজিস্ট্রার (কাজি) বিষয়টি রতন মিয়াকে ফোনে জানালে রতন মিয়া তাৎক্ষণিক ওই অফিসে গিয়ে তার স্ত্রী আরজিনাকে নিয়ে একটি রিকশায় উঠিয়ে বাসায় নিয়ে যাওয়ার পথে সুফিয়া হাসপাতালের সামনে এসে রিকশা থেকে নামেন। এরপর পাশেই একটি দা-বঁটি বিক্রেতার দোকানে গিয়ে একটি ছুরি এনে আরজিনার পেটে কয়েকটি আঘাত করেন।

এতে আরজিনার পেট থেকে ভুঁড়ি বেরিয়ে আসে। উপস্থিত জনতা ঘাতক স্বামীকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেন। পরে পুলিশ আরজিনাকে উদ্ধার করে টাঙ্গাইল জেলার মির্জাপুর কুমুদিনী হাসপাতালে ভর্তি করে।

এ ব্যাপারে মৌচাক পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এসআই সাইফুল ইসলাম জানান, মাত্র কয়েক মাস আগে তাদের বিয়ে হয়েছে। পারিবারিক কলহের জের ধরে আরজিনা স্বামীকে বুধবার ডিভোর্স দিলে স্বামী রতন মিয়া ক্ষিপ্ত হয়ে স্ত্রীকে ছুরি দিয়ে প্রকাশ্য দিবালোকে রাস্তার ওপর হত্যার চেষ্টা করে। এ ঘটনায় তার স্বামী রতনকে গ্রেফতার করে দুপুরে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন