তিন বছর পরও কাজে আসছে না সেতুটি
jugantor
তিন বছর পরও কাজে আসছে না সেতুটি

  গৌরীপুর (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি  

২৬ মে ২০২১, ২১:২৭:৩৫  |  অনলাইন সংস্করণ

ময়মনসিংহের গৌরীপুর উপজেলার ডৌহাখলা ইউনিয়নের চরঘোড়ামারা ব্রহ্মপুত্র সংযোগ খালে সেতু নির্মাণ হলেও দীর্ঘদিনেও নির্মিত হয়নি সড়ক। সংযোগ সড়ক ও মূল সড়ক না থাকায় এলাকাবাসী চরম দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন।

দুই উপজেলার সীমান্তবর্তী খালটিতে এ সেতু নির্মাণ প্রকল্প বাস্তবায়ন করে গৌরীপুর উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন অধিদপ্তর।

এই দপ্তর সূত্রে জানা যায়, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের সেতু-কালভার্ট কর্মসূচির অধীনে ২০১৭-১৮ অর্থবছরে ২৪ লাখ ৪৫ হাজার ৫৯৫ টাকা ব্যয়ে এ ব্রিজ নির্মাণ করা হয়। প্রকল্পটির নাম সাহেব কাচারীবাজার থেকে উত্তর ঘোড়ামারা খালের ওপর এমএ জলিল প্রাথমিক বিদ্যালয় সংলগ্ন ৩২ ফুট দীর্ঘ সেতু নির্মাণ।

ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান নেত্রকোনা ছোটবাজার এলাকার মেসার্স আজিজুল হক পলাশ সেতুটি নির্মাণ করেন।

এলাকাবাসী জানান, সেতুর পূর্বপাশ ময়মনসিংহ সদর উপজেলার ৭নং চরনিলক্ষীয়া ইউনিয়নের।

এই ইউনিয়নের বাসিন্দা নিকুরিয়ারচরের মো. মোখলেছুর রহমান জানান, বর্ষাকালে পানি বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে খালের পাড় তলিয়ে যায়। শুকনো মৌসুমেও সড়ক না থাকায় বাইসাইকেলও চলাচল করে না। ব্রিজটির পশ্চিম পাশে গৌরীপুর উপজেলার ৮নং ডৌহাখলা ইউনিয়নের চরঘোড়ামারা গ্রাম।

এই গ্রামের বাসিন্দাদের দাবি, ব্রিজের অপর পাশের রাস্তাটা নির্মিত হলে ময়মনসিংহ-কিশোরগঞ্জ মহাসড়কে যাতায়াতেও সুবিধা হবে।

নিকুরিয়ারচরের শমসের আলীর পুত্র মো. ইউসুফ আলী জানান, সেতুতে কোনো সংযোগ সড়ক নেই। এই এলাকার প্রায় আড়াইশ' পরিবারের বর্ষা মৌসুমে চলাচলে চরম বিঘ্ন ঘটে। বর্তমানেও হাঁটা ছাড়া চলার কোনো পথ নেই। খাল ঘেঁষে এমএ জলিল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। সেতুর দুইপাশের সড়কেরই বেহাল দশায় শিক্ষার্থীদের দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।

চরনিলক্ষীয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ফারুকুল ইসলাম রতন জানান, রাস্তা নির্মাণের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।

ডৌহাখলা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শহীদুল হক সরকার বলেন, বরাদ্দ পেলেই হয়তো রাস্তা নির্মাণ শুরু হবে।

এ প্রসঙ্গে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিসার সোহেল রানা পাপ্পু বলেন, সেতু এলাকা গৌরীপুর উপজেলার। সড়কটি ময়মনসিংহ সদর উপজেলার। রাস্তা নির্মাণের জন্য বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে অবগত করা হয়েছে।

তিন বছর পরও কাজে আসছে না সেতুটি

 গৌরীপুর (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি 
২৬ মে ২০২১, ০৯:২৭ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

ময়মনসিংহের গৌরীপুর উপজেলার ডৌহাখলা ইউনিয়নের চরঘোড়ামারা ব্রহ্মপুত্র সংযোগ খালে সেতু নির্মাণ হলেও দীর্ঘদিনেও নির্মিত হয়নি সড়ক। সংযোগ সড়ক ও মূল সড়ক না থাকায় এলাকাবাসী চরম দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন।

দুই উপজেলার সীমান্তবর্তী খালটিতে এ সেতু নির্মাণ প্রকল্প বাস্তবায়ন করে গৌরীপুর উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন অধিদপ্তর।

এই দপ্তর সূত্রে জানা যায়, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদপ্তরের সেতু-কালভার্ট কর্মসূচির অধীনে ২০১৭-১৮ অর্থবছরে ২৪ লাখ ৪৫ হাজার ৫৯৫ টাকা ব্যয়ে এ ব্রিজ নির্মাণ করা হয়। প্রকল্পটির নাম সাহেব কাচারীবাজার থেকে উত্তর ঘোড়ামারা খালের ওপর এমএ জলিল প্রাথমিক বিদ্যালয় সংলগ্ন ৩২ ফুট দীর্ঘ সেতু নির্মাণ। 

ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান নেত্রকোনা ছোটবাজার এলাকার মেসার্স আজিজুল হক পলাশ সেতুটি নির্মাণ করেন। 

এলাকাবাসী জানান, সেতুর পূর্বপাশ ময়মনসিংহ সদর উপজেলার ৭নং চরনিলক্ষীয়া ইউনিয়নের। 

এই ইউনিয়নের বাসিন্দা নিকুরিয়ারচরের মো. মোখলেছুর রহমান জানান, বর্ষাকালে পানি বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে খালের পাড় তলিয়ে যায়। শুকনো মৌসুমেও সড়ক না থাকায় বাইসাইকেলও চলাচল করে না। ব্রিজটির পশ্চিম পাশে গৌরীপুর উপজেলার ৮নং ডৌহাখলা ইউনিয়নের চরঘোড়ামারা গ্রাম। 

এই গ্রামের বাসিন্দাদের দাবি, ব্রিজের অপর পাশের রাস্তাটা নির্মিত হলে ময়মনসিংহ-কিশোরগঞ্জ মহাসড়কে যাতায়াতেও সুবিধা হবে। 

নিকুরিয়ারচরের শমসের আলীর পুত্র মো. ইউসুফ আলী জানান, সেতুতে কোনো সংযোগ সড়ক নেই। এই এলাকার প্রায় আড়াইশ' পরিবারের বর্ষা মৌসুমে চলাচলে চরম বিঘ্ন ঘটে। বর্তমানেও হাঁটা ছাড়া চলার কোনো পথ নেই। খাল ঘেঁষে এমএ জলিল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। সেতুর দুইপাশের সড়কেরই বেহাল দশায় শিক্ষার্থীদের দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে।

চরনিলক্ষীয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ফারুকুল ইসলাম রতন জানান, রাস্তা নির্মাণের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।

ডৌহাখলা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান শহীদুল হক সরকার বলেন, বরাদ্দ পেলেই হয়তো রাস্তা নির্মাণ শুরু হবে। 

এ প্রসঙ্গে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিসার সোহেল রানা পাপ্পু বলেন, সেতু এলাকা গৌরীপুর উপজেলার। সড়কটি ময়মনসিংহ সদর উপজেলার। রাস্তা নির্মাণের জন্য বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে অবগত করা হয়েছে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন