অভাবে ‘বিয়ে করতে না পেরে’ যুবকের আত্মহত্যা
jugantor
অভাবে ‘বিয়ে করতে না পেরে’ যুবকের আত্মহত্যা

  সেনবাগ (নোয়াখালী) প্রতিনিধি  

২৭ মে ২০২১, ০২:০২:২০  |  অনলাইন সংস্করণ

নোয়াখালীর সেনবাগে অভাব-অনটনের কারণে বিয়ে করতে না পারায় পরিবারের সদস্যদের ওপর অভিমান করে সাখাওয়াত উল্লাহ প্রকাশ সোহাগ (২৪) নামের এক যুবক আত্মহত্যা করেছেন।

বুধবার ভোরে নিজ বসতঘরের আড়ার সঙ্গে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করেন তিনি। সকালে তার লাশ ঝুলন্ত দেখে থানায় খবর দেন এলাকাবাসী।

খবর পেয়ে বুধবার দুপুর ১টায় সেনবাগ থানার এসআই গৌর সাহার নেতৃত্বে সঙ্গীয় পুলিশ ফোর্স ঘটনাস্থলে পৌঁছে লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করে।

নিহত সোহাগের বাড়ি সেনবাগ উপজেলার অজুনতলা ইউনিয়নের দক্ষিণ মানিকপুর গ্রামে। তিনি ওই গ্রামের দফাদার বাড়ির মৃত আবদুল হাইয়ের ছেলে।

নিহতের মেজো ভাই আবু বক্কর ছিদ্দিক জানান, তাদের সংসারে ৫ ভাই ও ৪ বোনসহ ৯ জন সদস্য। পিতা মারা যাওয়ার পর সংসারে অভাব-অনটন দেখা দেয়। এরই মধ্যে বিগত এক বছরেরও অধিক সময় ধরে দেশব্যাপী লকডাউনের কারণে তাদের আয়-রোজগার কমে যায়।

তিনি জানান, এরই মধ্যে ছোটভাই নিহত সোহাগ তাকে বিয়ে করাতে পরিবারের সদস্যদের চাপ দিতে থাকে। কিন্তু সে আয় -রোজগার না করায় তাকে বিয়ে করাতে পরিবারের সদস্যরা দ্বিমত পোষণ করেন। এতে সে অভিমান করে বুধবার রাতে নিজ শয়নকক্ষে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করে।

আবু বক্কর ছিদ্দিক আরও জানান, তিনি ফজরের নামাজ শেষে ঘরে এসে দেখেন সোহাগের লাশ ঝুলছে।

সেনবাগ থানার ওসি মো. আবদুল বাতেন মৃধা জানান, এ ঘটনায় থানায় প্রাথমিকভাবে একটি ইউডি মামলা দায়ের করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে পেলে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

অভাবে ‘বিয়ে করতে না পেরে’ যুবকের আত্মহত্যা

 সেনবাগ (নোয়াখালী) প্রতিনিধি 
২৭ মে ২০২১, ০২:০২ এএম  |  অনলাইন সংস্করণ

নোয়াখালীর সেনবাগে অভাব-অনটনের কারণে বিয়ে করতে না পারায় পরিবারের সদস্যদের ওপর অভিমান করে সাখাওয়াত উল্লাহ প্রকাশ সোহাগ (২৪) নামের এক যুবক আত্মহত্যা করেছেন।

বুধবার ভোরে নিজ বসতঘরের আড়ার সঙ্গে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করেন তিনি। সকালে তার লাশ ঝুলন্ত দেখে থানায় খবর দেন এলাকাবাসী।

খবর পেয়ে বুধবার দুপুর ১টায় সেনবাগ থানার এসআই গৌর সাহার নেতৃত্বে সঙ্গীয় পুলিশ ফোর্স ঘটনাস্থলে পৌঁছে লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করে।

নিহত সোহাগের বাড়ি সেনবাগ উপজেলার অজুনতলা ইউনিয়নের দক্ষিণ মানিকপুর গ্রামে। তিনি ওই গ্রামের দফাদার বাড়ির মৃত আবদুল হাইয়ের ছেলে।

নিহতের মেজো ভাই আবু বক্কর ছিদ্দিক জানান, তাদের সংসারে ৫ ভাই ও ৪ বোনসহ ৯ জন সদস্য। পিতা মারা যাওয়ার পর সংসারে অভাব-অনটন দেখা দেয়। এরই মধ্যে বিগত এক বছরেরও অধিক সময় ধরে দেশব্যাপী লকডাউনের কারণে তাদের আয়-রোজগার কমে যায়।

তিনি জানান, এরই মধ্যে ছোটভাই নিহত সোহাগ তাকে বিয়ে করাতে পরিবারের সদস্যদের চাপ দিতে থাকে। কিন্তু সে আয় -রোজগার না করায় তাকে বিয়ে করাতে পরিবারের সদস্যরা দ্বিমত পোষণ করেন। এতে সে অভিমান করে বুধবার রাতে নিজ শয়নকক্ষে গলায় ওড়না পেঁচিয়ে আত্মহত্যা করে।

আবু বক্কর ছিদ্দিক আরও জানান, তিনি ফজরের নামাজ শেষে ঘরে এসে দেখেন সোহাগের লাশ ঝুলছে।

সেনবাগ থানার ওসি মো. আবদুল বাতেন মৃধা জানান, এ ঘটনায় থানায় প্রাথমিকভাবে একটি ইউডি মামলা দায়ের করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট হাতে পেলে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন