খেলার কথা বলে ৬ বছরের শিশুকে ধর্ষণ, চিৎকার করায় হত্যা
jugantor
খেলার কথা বলে ৬ বছরের শিশুকে ধর্ষণ, চিৎকার করায় হত্যা

  মানিকগঞ্জ প্রতিনিধি  

২৭ মে ২০২১, ১৭:৫৯:৫৭  |  অনলাইন সংস্করণ

মানিকগঞ্জে ছয় বছর বয়সী স্কুলছাত্রীকে খেলার কথা বলে বাগানে নিয়ে ধর্ষণ করে ১৪ বছরের কিশোর। এ সময় চিৎকার করলে ও বাড়িতে বলে দেয়ার কথা বললে শিশুটির গলায় গামছা পেঁচিয়ে শ্বাসরোধে হত্যা করে। পরে শিশুটির কানের দুল ও চেইন নিয়ে গাছের সঙ্গে ঝুলিয়ে রাখে ওই ১৪ বছরের কিশোর।

বুধবার মানিকগঞ্জ চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক পারভেজ রাসেলের আদালতে দেয়া স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে এসব কথা জানায় ওই কিশোর। পরে ওই কিশোরকে টঙ্গী শিশু-কিশোর সংশোধনাগারে পাঠান আদালত।

বুধবার জেলা পুলিশের এক প্রেস ব্রিফিংয়ে জানানো হয়, প্রতিবেশী কিশোর গত শুক্রবার বিকালে খেলাধুলার কথা বলে বাড়ির আধাকিলোমিটার দূরে এক কাঠবাগানে নিয়ে যায় শিশুটিকে। পরে সেখানে তাকে ধর্ষণ করে। এ সময় শিশুটি চিৎকার করে বাড়িতে ধর্ষণের কথা বলে দেয়ার কথা বললে ওই কিশোর গলায় গামছা পেঁচিয়ে শ্বাসরোধে তাকে হত্যা করে। হত্যার পরে তার কানের দুল ও রুপার চেইন নিয়ে যায়। পরদিন শনিবার সকালে বাগান থেকে তার লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।

এ ঘটনায় শনিবারই শিশুটির নানা বাদী হয়ে সদর থানায় অজ্ঞাতপরিচয় একজনকে আসামি করে মামলা করেন। ময়নাতদন্তে তাকে ধর্ষণ ও শ্বাসরোধে হত্যার প্রমাণ পাওয়া যায়। পুলিশ তদন্ত করে ওই কিশোরকে গ্রেফতার করে।

ধর্ষণ ও হত্যার শিকার সিনহা আক্তার (৭) প্রথম শ্রেণির ছাত্রী ছিল। অভিযুক্ত কিশোর শিশুটির প্রতিবেশী।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন এবং অপরাধ) মো. হাফিজুর রহমান বলেন, ২১ মে খেলাধুলার কথা বলে সিনহাকে বাড়ি থেকে আধাকিলোমিটার দূরের একটি কাঠবাগানে নিয়ে যায় প্রতিবেশী সিফাত হোসেন ওরফে শাকিল। সেখানে ধর্ষণের সময় কান্নাকাটি শুরু করে সিনহা এবং বিষয়টি বাড়ির লোকজনকে বলে দেবে বলে জানায় জানায় সে। এ কারণে ধর্ষণের পর শ্বাসরোধ করে সিনহাকে হত্যা করা হয়।

তিনি জানান, বুধবার সকালে আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিতে কিশোর শাকিল এ কথা জানায়।

এদিকে ধর্ষণ শেষে সিনহার গলায় থাকা রুপার চেইন এবং কানের দুল নিয়ে নিজ বাড়িতে রেখে দেয় শাকিল। পরে শাকিলের দেওয়া স্বীকারোক্তি অনুযায়ী চেইন ও কানের দুল শাকিলের বাড়ির আলমারি থেকে উদ্ধার করে পুলিশ।

মানিকগঞ্জ সদর থানায় প্রেস ব্রিফিংকালে সদর সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার ভাস্কর সাহা, সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আকবর আলী খান, সিনহা হত্যা মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই জামিনুর রহমান উপস্থিত ছিলেন।

এ ব্যাপারে সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আকবর আলী খান বলেন, বুধবার দুপুরে কিশোর শাকিলকে জেলার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারকের নির্দেশে টঙ্গীর কিশোর সংশোধনাগারে পাঠানো হয়েছে।

খেলার কথা বলে ৬ বছরের শিশুকে ধর্ষণ, চিৎকার করায় হত্যা

 মানিকগঞ্জ প্রতিনিধি 
২৭ মে ২০২১, ০৫:৫৯ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

মানিকগঞ্জে ছয় বছর বয়সী স্কুলছাত্রীকে খেলার কথা বলে বাগানে নিয়ে ধর্ষণ করে ১৪ বছরের কিশোর। এ সময় চিৎকার করলে ও বাড়িতে বলে দেয়ার কথা বললে শিশুটির গলায় গামছা পেঁচিয়ে শ্বাসরোধে হত্যা করে। পরে শিশুটির কানের দুল ও চেইন নিয়ে গাছের সঙ্গে ঝুলিয়ে রাখে ওই ১৪ বছরের কিশোর।

বুধবার মানিকগঞ্জ চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক পারভেজ রাসেলের আদালতে দেয়া স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে এসব কথা জানায় ওই কিশোর। পরে ওই কিশোরকে টঙ্গী শিশু-কিশোর সংশোধনাগারে পাঠান আদালত।

বুধবার জেলা পুলিশের এক প্রেস ব্রিফিংয়ে জানানো হয়, প্রতিবেশী কিশোর গত শুক্রবার বিকালে খেলাধুলার কথা বলে বাড়ির আধাকিলোমিটার দূরে এক কাঠবাগানে নিয়ে যায় শিশুটিকে। পরে সেখানে তাকে ধর্ষণ করে। এ সময় শিশুটি চিৎকার করে বাড়িতে ধর্ষণের কথা বলে দেয়ার কথা বললে ওই কিশোর গলায় গামছা পেঁচিয়ে শ্বাসরোধে তাকে হত্যা করে। হত্যার পরে তার কানের দুল ও রুপার চেইন নিয়ে যায়। পরদিন শনিবার সকালে বাগান থেকে তার লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।

এ ঘটনায় শনিবারই শিশুটির নানা বাদী হয়ে সদর থানায় অজ্ঞাতপরিচয় একজনকে আসামি করে মামলা করেন। ময়নাতদন্তে তাকে ধর্ষণ ও শ্বাসরোধে হত্যার প্রমাণ পাওয়া যায়। পুলিশ তদন্ত করে ওই কিশোরকে গ্রেফতার করে।

ধর্ষণ ও হত্যার শিকার সিনহা আক্তার (৭) প্রথম শ্রেণির ছাত্রী ছিল। অভিযুক্ত কিশোর শিশুটির প্রতিবেশী।

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন এবং অপরাধ) মো. হাফিজুর রহমান বলেন, ২১ মে খেলাধুলার কথা বলে সিনহাকে বাড়ি থেকে আধাকিলোমিটার দূরের একটি কাঠবাগানে নিয়ে যায় প্রতিবেশী সিফাত হোসেন ওরফে শাকিল। সেখানে ধর্ষণের সময় কান্নাকাটি শুরু করে সিনহা এবং বিষয়টি বাড়ির লোকজনকে বলে দেবে বলে জানায় জানায় সে। এ কারণে ধর্ষণের পর শ্বাসরোধ করে সিনহাকে হত্যা করা হয়।

তিনি জানান, বুধবার সকালে আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিতে কিশোর শাকিল এ কথা জানায়।

এদিকে ধর্ষণ শেষে সিনহার গলায় থাকা রুপার চেইন এবং কানের দুল নিয়ে নিজ বাড়িতে রেখে দেয় শাকিল। পরে শাকিলের দেওয়া স্বীকারোক্তি অনুযায়ী চেইন ও কানের দুল শাকিলের বাড়ির আলমারি থেকে উদ্ধার করে পুলিশ।

মানিকগঞ্জ সদর থানায় প্রেস ব্রিফিংকালে সদর সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার ভাস্কর সাহা, সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আকবর আলী খান, সিনহা হত্যা মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই  জামিনুর রহমান উপস্থিত ছিলেন।

এ ব্যাপারে সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আকবর আলী খান বলেন, বুধবার দুপুরে কিশোর শাকিলকে জেলার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারকের নির্দেশে টঙ্গীর কিশোর সংশোধনাগারে পাঠানো হয়েছে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন