ভারতীয় ট্রাকচালকদের গলায় বেঁধে দেয়া হচ্ছে লাল ফিতা
jugantor
ভারতীয় ট্রাকচালকদের গলায় বেঁধে দেয়া হচ্ছে লাল ফিতা

  শিবগঞ্জ (চাঁপাইনবাবগঞ্জ) প্রতিনিধি  

২৭ মে ২০২১, ২০:০৩:০২  |  অনলাইন সংস্করণ

চাঁপাইনবাবগঞ্জে করোনা সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় মঙ্গলবার থেকে সাত দিনের লকডাউন ঘোষণা করে জেলা প্রশাসন। লকডাউনে জরুরি সেবাসমূহ ছাড়াও আওতামুক্ত রয়েছে সোনামসজিদ স্থলবন্দরের কার্যক্রম।

ভারত থেকে প্রতিদিন পণ্যবাহী ট্রাক এ বন্দরে আসে। ভারত থেকে আসা ট্রাকচালক ও সহযোগীরা যাতে সাধারণের মাঝে মিশে যেতে না পারে, সেজন্য তাদের হাতে বা গলায় বিশেষ রঙের ফিতা বেঁধে দেয়া হচ্ছে।

বৃহস্পতিবার সকালে প্রবেশমুখ জিরো পয়েন্টে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ বিজিবি সদস্যরা এবং পানামা কর্তৃপক্ষ তাদের গলায় লাল ফিতা পরিয়ে দেন।

সোনামসজিদ পানামা পোর্ট লিংক লিমিটেডের পোর্ট ম্যানেজার মাইনুল ইসলাম জানান, প্রতিদিন প্রায় এক হাজার ভারতীয় ট্রাকচালক ও সহকারী বাংলাদেশে গাড়ি নিয়ে প্রবেশ করেন। তারা বন্দরে এসে অবাধে চলাফেরা করায় আতঙ্কিত হয়ে পড়েছিলেন বন্দর ব্যবহারকারীরা। বিশেষ করে হাজার হাজার শ্রমিকদের নিয়ে উদ্বিগ্ন ছিলেন জেলার মানুষ। লাল ফিতা পরিয়ে ভারতীয়দের আলাদা করা হলো। যতক্ষণ পর্যন্ত তারা বাংলাদেশে অবস্থান করবেন সব সময় ফিতা গলায় রাখা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। যদি কেউ ফিতা ব্যবহার না করেন তবে আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে।

সোনামসজিদ স্থলবন্দর পরিচালনা কমিটির সভাপতি ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাকিব আল-রাব্বি জানান, ভারতীয় ট্রাকচালক ও সহকারীদের অবাধ চলাচলের কারণে ভারতীয় ভ্যারিয়েন্ট নিয়ে আতঙ্কিত সীমান্তবর্তী জেলার মানুষ। তাদের মাধ্যমে কেউ যেন সংক্রমিত হতে না পারে, সেজন্যই ভারতীয় চালক ও সহকারীদের লাল ফিতা পরানোর ব্যবস্থা করা হয়েছে। যতদিন পর্যন্ত করোনার সংক্রমণ থাকবে ততদিন পর্যন্ত এ নির্দেশনা বলবত থাকবে।

জেলা প্রশাসক মঞ্জরুল হাফিজ বলেন, প্রতিদিন বন্দরে ভারতের যেসব চালক আসছেন তাদের আমরা অন্যদের থেকে আলাদা রাখতে চাই। যাতে বাংলাদেশি চালক বা অন্যরা তাদের সংস্পর্শে না আসতে পারেন। ভারতীয় ভ্যারিয়েন্ট ছড়িয়ে যাতে না পড়ে, তার সতর্কতা হিসেবে আমরা এ সিদ্ধান্ত নিয়েছি।

চাঁপাইনবাবগঞ্জের সিভিল সার্জন জাহিদ নজরুল চৌধুরী জানান, এ পর্যন্ত চাঁপাইনবাবগঞ্জে করোনা শনাক্ত ১ হাজার ৫০৪ জন, সুস্থ হয়েছেন ১ হাজার ৮৩ জন। নতুন ১৩১ জনসহ রোগীসহ চিকিৎসাধীন আছেন ৩৯৩ জন। তাদের অধিকাংশই বাড়িতে থেকে চিকিৎসা নিচ্ছেন। বর্তমানে জেলার সদর হাসপাতালের করোনা ইউনিটে ভর্তি আছেন ২০ জন। জেলায় এ পর্যন্ত করোনায় মারা গেছেন ২৮ জন।

ভারতীয় ট্রাকচালকদের গলায় বেঁধে দেয়া হচ্ছে লাল ফিতা

 শিবগঞ্জ (চাঁপাইনবাবগঞ্জ) প্রতিনিধি 
২৭ মে ২০২১, ০৮:০৩ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

চাঁপাইনবাবগঞ্জে করোনা সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় মঙ্গলবার থেকে সাত দিনের লকডাউন ঘোষণা করে জেলা প্রশাসন। লকডাউনে জরুরি সেবাসমূহ ছাড়াও আওতামুক্ত রয়েছে সোনামসজিদ স্থলবন্দরের কার্যক্রম।

ভারত থেকে প্রতিদিন পণ্যবাহী ট্রাক এ বন্দরে আসে। ভারত থেকে আসা ট্রাকচালক ও সহযোগীরা যাতে সাধারণের মাঝে মিশে যেতে না পারে, সেজন্য তাদের হাতে বা গলায় বিশেষ রঙের ফিতা বেঁধে দেয়া হচ্ছে।

বৃহস্পতিবার সকালে প্রবেশমুখ জিরো পয়েন্টে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ বিজিবি সদস্যরা এবং পানামা কর্তৃপক্ষ তাদের গলায় লাল ফিতা পরিয়ে দেন।

সোনামসজিদ পানামা পোর্ট লিংক লিমিটেডের পোর্ট ম্যানেজার মাইনুল ইসলাম জানান, প্রতিদিন প্রায় এক হাজার ভারতীয় ট্রাকচালক ও সহকারী বাংলাদেশে গাড়ি নিয়ে প্রবেশ করেন। তারা বন্দরে এসে অবাধে চলাফেরা করায় আতঙ্কিত হয়ে পড়েছিলেন বন্দর ব্যবহারকারীরা। বিশেষ করে হাজার হাজার শ্রমিকদের নিয়ে উদ্বিগ্ন ছিলেন জেলার মানুষ। লাল ফিতা পরিয়ে ভারতীয়দের আলাদা করা হলো। যতক্ষণ পর্যন্ত তারা বাংলাদেশে অবস্থান করবেন সব সময় ফিতা গলায় রাখা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। যদি কেউ ফিতা ব্যবহার না করেন তবে আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে।

সোনামসজিদ স্থলবন্দর পরিচালনা কমিটির সভাপতি ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাকিব আল-রাব্বি জানান, ভারতীয় ট্রাকচালক ও সহকারীদের অবাধ চলাচলের কারণে ভারতীয় ভ্যারিয়েন্ট নিয়ে আতঙ্কিত সীমান্তবর্তী জেলার মানুষ। তাদের মাধ্যমে কেউ যেন সংক্রমিত হতে না পারে, সেজন্যই ভারতীয় চালক ও সহকারীদের লাল ফিতা পরানোর ব্যবস্থা করা হয়েছে। যতদিন পর্যন্ত করোনার সংক্রমণ থাকবে ততদিন পর্যন্ত এ নির্দেশনা বলবত থাকবে।

জেলা প্রশাসক মঞ্জরুল হাফিজ বলেন, প্রতিদিন বন্দরে ভারতের যেসব চালক আসছেন তাদের আমরা অন্যদের থেকে আলাদা রাখতে চাই। যাতে বাংলাদেশি চালক বা অন্যরা তাদের সংস্পর্শে না আসতে পারেন। ভারতীয় ভ্যারিয়েন্ট ছড়িয়ে যাতে না পড়ে, তার সতর্কতা হিসেবে আমরা এ সিদ্ধান্ত নিয়েছি।

চাঁপাইনবাবগঞ্জের সিভিল সার্জন জাহিদ নজরুল চৌধুরী জানান, এ পর্যন্ত চাঁপাইনবাবগঞ্জে করোনা শনাক্ত ১ হাজার ৫০৪ জন, সুস্থ হয়েছেন ১ হাজার ৮৩ জন। নতুন ১৩১ জনসহ রোগীসহ চিকিৎসাধীন আছেন ৩৯৩ জন। তাদের অধিকাংশই বাড়িতে থেকে চিকিৎসা নিচ্ছেন। বর্তমানে জেলার সদর হাসপাতালের করোনা ইউনিটে ভর্তি আছেন ২০ জন। জেলায় এ পর্যন্ত করোনায় মারা গেছেন ২৮ জন।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন