পদ্মায় তীব্র স্রোত: পারাপারের অপেক্ষায় ৬ শতাধিক ট্রাক
jugantor
পদ্মায় তীব্র স্রোত: পারাপারের অপেক্ষায় ৬ শতাধিক ট্রাক

  রাজবাড়ী প্রতিনিধি  

৩০ মে ২০২১, ১১:২৮:৪৪  |  অনলাইন সংস্করণ

পদ্মায় তীব্র স্রোত: পারাপারের অপেক্ষায় ৬ শতাধিক ট্রাক

ঘূর্ণিঝড় ইয়াসের পর রাজবাড়ীর গোয়ালন্দের দৌলতদিয়ার পদ্মা নদীতে তীব্র স্রোত দেখা দিয়েছে। এতে পারাপারের অপেক্ষায় ঘাটে আটকা রয়েছে প্রায় ছয় শতাধিক পণ্যবাহী ট্রাক।

রোববার সকালে সরেজমিন দৌলতদিয়া ৩ নম্বর ফেরিঘাট এলাকা থেকে রাজবাড়ীমুখী দৌলতদিয়া ইউনিয়ন পরিষদ পর্যন্ত ট্রাকের দীর্ঘ সারি দেখা যায়।

সকালে সরেজমিন গিয়ে দেখা যায়, দীর্ঘ সময় অপেক্ষায় থাকতে থাকতে চরম হতাশায় ভুগছেন ট্রাকচালক ও সহকারীরা। টয়লেট, পানি ও খাবারের কোনো ব্যবস্থা না থাকায় তারা চরম ভোগান্তিতে রয়েছেন।

অনেক চালকের অভিযোগ, তিন দিন আগে এসে গোয়ালন্দ মোড় এলাকায় গাড়ি নিয়ে আটকে আছেন চালকরা; এখনও ফেরির নাগাল পাননি তারা।

বেনাপোল থেকে ছেড়ে আসা ভুসিবোঝাই ট্রাকচালক রাজু মোল্লা বলেন, শুক্রবার রাতে দৌলতদিয়া নদী পার হওয়ার জন্য ঘাটে এসে আটকে আছি। এখনও ফেরির নাগাল পাইনি বলে তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করেন।

রাজবাড়ী জেলা পুলিশের ট্রাফিক সার্জেন্ট কামরুল হাসান যুগান্তরকে বলেন, নদীতে স্রোত থাকায় ফেরি চলাচলে সময় বেশি লাগে। গোয়ালন্দ মোড় এলাকায় চার শতাধিক ও গোয়ালন্দের দৌলতদিয়ায় দুই শতাধিক পণ্যবাহী ট্রাক আটকে আছে বলে তিনি জানান।

বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন সংস্থা (বিআইডব্লিউটিসি) দৌলতদিয়া কার্যালয়ের সহকারী মহাব্যবস্থাপক ফিরোজ শেখ বলেন, আজ থেকে ১৬টি ফেরি চলাচল করলেও করোনা সংক্রমণের পর থেকে ট্রাকের সংখ্যা কিছুটা বেড়েছে, যার কারণে পারাপারের জন্য ট্রাকের সারি লম্বা হচ্ছে।

পদ্মায় তীব্র স্রোত: পারাপারের অপেক্ষায় ৬ শতাধিক ট্রাক

 রাজবাড়ী প্রতিনিধি 
৩০ মে ২০২১, ১১:২৮ এএম  |  অনলাইন সংস্করণ
পদ্মায় তীব্র স্রোত: পারাপারের অপেক্ষায় ৬ শতাধিক ট্রাক
ছবি: যুগান্তর

ঘূর্ণিঝড় ইয়াসের পর রাজবাড়ীর গোয়ালন্দের দৌলতদিয়ার পদ্মা নদীতে তীব্র স্রোত দেখা দিয়েছে। এতে পারাপারের অপেক্ষায় ঘাটে আটকা রয়েছে প্রায় ছয় শতাধিক পণ্যবাহী ট্রাক।

রোববার সকালে সরেজমিন দৌলতদিয়া ৩ নম্বর ফেরিঘাট এলাকা থেকে রাজবাড়ীমুখী দৌলতদিয়া ইউনিয়ন পরিষদ পর্যন্ত ট্রাকের দীর্ঘ সারি দেখা যায়।

সকালে সরেজমিন গিয়ে দেখা যায়, দীর্ঘ সময় অপেক্ষায় থাকতে থাকতে চরম হতাশায় ভুগছেন ট্রাকচালক ও সহকারীরা।  টয়লেট, পানি ও খাবারের কোনো ব্যবস্থা না থাকায় তারা চরম ভোগান্তিতে রয়েছেন।

অনেক চালকের অভিযোগ, তিন দিন আগে এসে গোয়ালন্দ মোড় এলাকায় গাড়ি নিয়ে আটকে আছেন চালকরা; এখনও ফেরির নাগাল পাননি তারা।

বেনাপোল থেকে ছেড়ে আসা ভুসিবোঝাই ট্রাকচালক রাজু মোল্লা বলেন, শুক্রবার রাতে দৌলতদিয়া নদী পার হওয়ার জন্য ঘাটে এসে আটকে আছি।  এখনও ফেরির নাগাল পাইনি বলে তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করেন।

রাজবাড়ী জেলা পুলিশের ট্রাফিক সার্জেন্ট কামরুল হাসান যুগান্তরকে বলেন, নদীতে স্রোত থাকায় ফেরি চলাচলে সময় বেশি লাগে। গোয়ালন্দ মোড় এলাকায় চার শতাধিক ও গোয়ালন্দের দৌলতদিয়ায় দুই শতাধিক পণ্যবাহী ট্রাক আটকে আছে বলে তিনি জানান।

বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌপরিবহন সংস্থা  (বিআইডব্লিউটিসি) দৌলতদিয়া কার্যালয়ের সহকারী মহাব্যবস্থাপক ফিরোজ শেখ বলেন, আজ থেকে ১৬টি ফেরি চলাচল করলেও করোনা সংক্রমণের পর থেকে ট্রাকের সংখ্যা কিছুটা বেড়েছে, যার কারণে পারাপারের জন্য ট্রাকের সারি লম্বা হচ্ছে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন