কৃষকের ধান বিক্রি করতে দিচ্ছে না পুলিশ
jugantor
কৃষকের ধান বিক্রি করতে দিচ্ছে না পুলিশ

  নেত্রকোনা ও মদন প্রতিনিধি  

৩১ মে ২০২১, ০০:৫৮:২৫  |  অনলাইন সংস্করণ

নিজের ধান বিক্রি করে বিপাকে পড়েছেন নেত্রকোনার মদন উপজেলার গোবিন্দশ্রী গ্রামের কৃষক ছিদ্দিক মিয়ার স্ত্রী পারভিন আক্তার। পুলিশ ধান নিতে বাধা দেয়ায় রোববার নিজ ঘরের সামনে ধান নিয়ে বসেছিলেন তিনি।

ভুক্তভোগী পারভিন আক্তার বলেন, নিজের ধান বিক্রি করে আমি বিপদে পড়েছি। ধান ক্রয়কারী লোকজন বাড়িতে এসে বসে আছেন। তারা ধান নিতে চাইলে থানার পুলিশ বাধা দিয়েছে।

তিনি বলেন, আমার স্বামীকে হয়রানি করার জন্য মিথ্যা মামালার আসামি করা হয়েছে। মামলার পর থেকে আমার পরিবারের পুরুষ লোকজন বাড়িছাড়া। আমরা ৪ জন মহিলা বাড়িতে বসবাস করছি। বাদীপক্ষের লোকজন ঘরের জিনিসপত্র ভাংচুর করেছে। প্রতিপক্ষের লোকজন আমার ২০০ মণ ধান লুটপাট করে নিয়ে যাওয়ার পাঁয়তারা করে আমাদের হুমকি দিচ্ছে।

পারভিন আক্তার বলেন, টাকার প্রয়োজন হওয়ায় রোববার ধান বিক্রি করেছিলাম। কিন্তু মদন থানার দারোগা মাসুদ সাহেবসহ কয়েকজন পুলিশ নিয়ে এসে ধান নিতে দিচ্ছেন না। বিকালে বাজার করে খাওয়ার মতো টাকা আমার হাতে নাই। আমরা এখন কী করব?

গোবিন্দশ্রী ইউপি চেয়ারম্যান মুক্তিযোদ্ধা একেএম নূরুল ইসলাম ছদ্দু মিয়া বলেন, ছিদ্দিক মিয়ার স্ত্রী নিজেদের ধান নিজেরাই বিক্রি করবেন। এতে পুলিশের বাধা দেয়ার তো কিছু নেই। এ বিষয়ে আমি ওসি সাহেবের সঙ্গে কথা বলব।

মদন থানার এসআই মাসুদ জামালী বলেন, হত্যা মামালার বাদী ও বিবাদীর বাড়িতে আমি ডিউটিতে আছি। ধান বিক্রিতে বাধা দেয়ার বিষয়ে তিনি বলেন, এখন ধান নিলে সমস্যা আছে।

মদন থানার ওসি ফেরদৌস আলম বলেন, বাদীপক্ষ জানায়- আসামিপক্ষের বাড়ি থেকে কে বা কারা ধান নিয়ে যাচ্ছে। তাই ধান নিতে নিষেধ করা হয়েছে।

গত ১৮ মে নেত্রকোনার খালিয়াজুরী উপজেলায় মেন্দিপুর ইউনিয়নের বাবনিকোনা গ্রামের বিল থেকে মদন উপজেলার গোবিন্দশ্রী গ্রামের মৃত ধন মিয়ার ছেলে আবু চাঁনের (৭০) গলাকাটা লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।

এ ঘটনায় নিহতের ছেলে আবুল মিয়া বাদী হয়ে খালিয়াজুরী থানায় ১০ জনকে আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। হত্যা মামলায় ছিদ্দিক মিয়াকে (৬০) আসামি করা হয়।

কৃষকের ধান বিক্রি করতে দিচ্ছে না পুলিশ

 নেত্রকোনা ও মদন প্রতিনিধি 
৩১ মে ২০২১, ১২:৫৮ এএম  |  অনলাইন সংস্করণ

নিজের ধান বিক্রি করে বিপাকে পড়েছেন নেত্রকোনার মদন উপজেলার গোবিন্দশ্রী গ্রামের কৃষক ছিদ্দিক মিয়ার স্ত্রী পারভিন আক্তার। পুলিশ ধান নিতে বাধা দেয়ায় রোববার নিজ ঘরের সামনে ধান নিয়ে বসেছিলেন তিনি।

ভুক্তভোগী পারভিন আক্তার বলেন, নিজের ধান বিক্রি করে আমি বিপদে পড়েছি। ধান ক্রয়কারী লোকজন বাড়িতে এসে বসে আছেন। তারা ধান নিতে চাইলে থানার পুলিশ বাধা দিয়েছে।

তিনি বলেন, আমার স্বামীকে হয়রানি করার জন্য মিথ্যা মামালার আসামি করা হয়েছে। মামলার পর থেকে আমার পরিবারের পুরুষ লোকজন বাড়িছাড়া। আমরা ৪ জন মহিলা বাড়িতে বসবাস করছি। বাদীপক্ষের লোকজন ঘরের জিনিসপত্র ভাংচুর করেছে। প্রতিপক্ষের লোকজন আমার ২০০ মণ ধান লুটপাট করে নিয়ে যাওয়ার পাঁয়তারা করে আমাদের হুমকি দিচ্ছে।

পারভিন আক্তার বলেন, টাকার প্রয়োজন হওয়ায় রোববার ধান বিক্রি করেছিলাম। কিন্তু মদন থানার দারোগা মাসুদ সাহেবসহ কয়েকজন পুলিশ নিয়ে এসে ধান নিতে দিচ্ছেন না। বিকালে বাজার করে খাওয়ার মতো টাকা আমার হাতে নাই। আমরা এখন কী করব?

গোবিন্দশ্রী ইউপি চেয়ারম্যান মুক্তিযোদ্ধা একেএম নূরুল ইসলাম ছদ্দু মিয়া বলেন, ছিদ্দিক মিয়ার স্ত্রী নিজেদের ধান নিজেরাই বিক্রি করবেন। এতে পুলিশের বাধা দেয়ার তো কিছু নেই। এ বিষয়ে আমি ওসি সাহেবের সঙ্গে কথা বলব।

মদন থানার এসআই মাসুদ জামালী বলেন, হত্যা মামালার বাদী ও বিবাদীর বাড়িতে আমি ডিউটিতে আছি। ধান বিক্রিতে বাধা দেয়ার বিষয়ে তিনি বলেন, এখন ধান নিলে সমস্যা আছে।

মদন থানার ওসি ফেরদৌস আলম বলেন, বাদীপক্ষ জানায়- আসামিপক্ষের বাড়ি থেকে কে বা কারা ধান নিয়ে যাচ্ছে। তাই ধান নিতে নিষেধ করা হয়েছে।

গত ১৮ মে নেত্রকোনার খালিয়াজুরী উপজেলায় মেন্দিপুর ইউনিয়নের বাবনিকোনা গ্রামের বিল থেকে মদন উপজেলার গোবিন্দশ্রী গ্রামের মৃত ধন মিয়ার ছেলে আবু চাঁনের (৭০) গলাকাটা লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।

এ ঘটনায় নিহতের ছেলে আবুল মিয়া বাদী হয়ে খালিয়াজুরী থানায় ১০ জনকে আসামি করে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। হত্যা মামলায় ছিদ্দিক মিয়াকে (৬০) আসামি করা হয়।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন