আবাসিক মাদ্রাসায় একের পর এক ছাত্রীকে ধর্ষণ, শিক্ষক গ্রেফতার
jugantor
আবাসিক মাদ্রাসায় একের পর এক ছাত্রীকে ধর্ষণ, শিক্ষক গ্রেফতার

  বগুড়া ব্যুরো  

০২ জুন ২০২১, ২২:৫৫:৪১  |  অনলাইন সংস্করণ

বগুড়ার শিবগঞ্জে সপ্তম শ্রেণির আবাসিক ছাত্রীকে (১৩) ধর্ষণের অভিযোগে পুলিশ হাফেজিয়া মাদ্রাসার শিক্ষক মাওলানা আবদুর রহমান মিন্টুকে (৩২) গ্রেফতার করেছে। ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে আরও কয়েক ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে।

মঙ্গলবার রাতে শিবগঞ্জ বাজার এলাকা থেকে মাওলানা আবদুর রহমান মিন্টুকে গ্রেফতার করা হয়। এর আগে ধর্ষণের শিকার ওই ছাত্রীর বাবা তার বিরুদ্ধে থানায় মামলা করেছেন।

তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই নাজমুল হক জানান, ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে আরও ২-৩ জন ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ রয়েছে। বুধবার তাকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।

পুলিশ ও এজাহার সূত্র জানায়, মাওলানা আবদুর রহমান মিন্টু শিবগঞ্জ উপজেলার বিহার ইউনিয়নের পার লক্ষ্মীপুর চাঁনপাড়া গ্রামের মৃত সোলাইমান আলীর ছেলে। তিনি স্থানীয় হাফেজিয়া মহিলা আবাসিক মাদ্রাসার শিক্ষক।

আবাসিক ওই মাদ্রাসায় ১২-১৩ জন ছাত্রী একসঙ্গে হলরুমে থাকে। ওই রুমের পাশেই পরিবার নিয়ে বসবাস করেন শিক্ষক মাওলানা আবদুর রহমান মিন্টু।

গত ৩০ মে রাতে খাওয়ার পর ছাত্রীরা সবাই ঘুমিয়ে পড়ে। রাত প্রায় আড়াইটার দিকে মাওলানা মিন্টু হলরুমে প্রবেশ করে। তিনি ওই ছাত্রীকে ভয় দেখিয়ে ধর্ষণ করেন এবং কাউকে না জানাতে হুমকি দেয়।

পরদিন ছাত্রী ফোনে ধর্ষণের বিষয়টি পরিবারকে জানালে তাকে বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হয়। ১ জুন বিকালে ছাত্রীর বাবা শিবগঞ্জ থানায় ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে মামলা করেন।

শিবগঞ্জ থানার ইন্সপেক্টর (তদন্ত) হাসমত উল্লাহ ও তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই নাজমুল হক জানান, প্রযুক্তি ব্যবহার করে রাতেই শিবগঞ্জ বাজার এলাকা থেকে অভিযুক্ত মাওলানা মিন্টুকে গ্রেফতার করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি ওই ছাত্রীকে ধর্ষণের কথা স্বীকার করেন।

ওই ছাত্রী পুলিশকে আরও জানিয়েছেন, এর আগেও একই কায়দায় ২-৩ জন ছাত্রীকে ধর্ষণ করেছেন ওই শিক্ষক। সম্মানের ভয়ে ছাত্রীদের পরিবার আইনের আশ্রয় নেয়নি। বুধবার আদালতের মাধ্যমে শিক্ষককে বগুড়া জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। নির্যাতনের শিকার ছাত্রীকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছিল; কিন্তু তার শারীরিক অসুস্থতা থাকায় আগামী ৭ জুন ডাক্তারি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

ইন্সপেক্টর (তদন্ত) হাসমত উল্লাহ জানান, আদালতে তার জবানবন্দি গ্রহণ করা হবে। প্রয়োজনে ওই শিক্ষককে রিমান্ডে এনে ছাত্রীদের ধর্ষণের বিষয়ে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি আদায় করা হবে।

আবাসিক মাদ্রাসায় একের পর এক ছাত্রীকে ধর্ষণ, শিক্ষক গ্রেফতার

 বগুড়া ব্যুরো 
০২ জুন ২০২১, ১০:৫৫ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

বগুড়ার শিবগঞ্জে সপ্তম শ্রেণির আবাসিক ছাত্রীকে (১৩) ধর্ষণের অভিযোগে পুলিশ হাফেজিয়া মাদ্রাসার শিক্ষক মাওলানা আবদুর রহমান মিন্টুকে (৩২) গ্রেফতার করেছে। ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে আরও কয়েক ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ উঠেছে।

মঙ্গলবার রাতে শিবগঞ্জ বাজার এলাকা থেকে মাওলানা আবদুর রহমান মিন্টুকে গ্রেফতার করা হয়। এর আগে ধর্ষণের শিকার ওই ছাত্রীর বাবা তার বিরুদ্ধে থানায় মামলা করেছেন।

তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই নাজমুল হক জানান, ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে আরও ২-৩ জন ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগ রয়েছে। বুধবার তাকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।

পুলিশ ও এজাহার সূত্র জানায়, মাওলানা আবদুর রহমান মিন্টু শিবগঞ্জ উপজেলার বিহার ইউনিয়নের পার লক্ষ্মীপুর চাঁনপাড়া গ্রামের মৃত সোলাইমান আলীর ছেলে। তিনি স্থানীয় হাফেজিয়া মহিলা আবাসিক মাদ্রাসার শিক্ষক।

আবাসিক ওই মাদ্রাসায় ১২-১৩ জন ছাত্রী একসঙ্গে হলরুমে থাকে। ওই রুমের পাশেই পরিবার নিয়ে বসবাস করেন শিক্ষক মাওলানা আবদুর রহমান মিন্টু।

গত ৩০ মে রাতে খাওয়ার পর ছাত্রীরা সবাই ঘুমিয়ে পড়ে। রাত প্রায় আড়াইটার দিকে মাওলানা মিন্টু হলরুমে প্রবেশ করে। তিনি ওই ছাত্রীকে ভয় দেখিয়ে ধর্ষণ করেন এবং কাউকে না জানাতে হুমকি দেয়।

পরদিন ছাত্রী ফোনে ধর্ষণের বিষয়টি পরিবারকে জানালে তাকে বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হয়। ১ জুন বিকালে ছাত্রীর বাবা শিবগঞ্জ থানায় ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে মামলা করেন।

শিবগঞ্জ থানার ইন্সপেক্টর (তদন্ত) হাসমত উল্লাহ ও তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই নাজমুল হক জানান, প্রযুক্তি ব্যবহার করে রাতেই শিবগঞ্জ বাজার এলাকা থেকে অভিযুক্ত মাওলানা মিন্টুকে গ্রেফতার করা হয়। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তিনি ওই ছাত্রীকে ধর্ষণের কথা স্বীকার করেন।

ওই ছাত্রী পুলিশকে আরও জানিয়েছেন, এর আগেও একই কায়দায় ২-৩ জন ছাত্রীকে ধর্ষণ করেছেন ওই শিক্ষক। সম্মানের ভয়ে ছাত্রীদের পরিবার আইনের আশ্রয় নেয়নি। বুধবার আদালতের মাধ্যমে শিক্ষককে বগুড়া জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। নির্যাতনের শিকার ছাত্রীকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়েছিল; কিন্তু তার শারীরিক অসুস্থতা থাকায় আগামী ৭ জুন ডাক্তারি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

ইন্সপেক্টর (তদন্ত) হাসমত উল্লাহ জানান, আদালতে তার জবানবন্দি গ্রহণ করা হবে। প্রয়োজনে ওই শিক্ষককে রিমান্ডে এনে ছাত্রীদের ধর্ষণের বিষয়ে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি আদায় করা হবে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন