কসবায় রাজমিস্ত্রির ছেলেকে মারধরের অভিযোগে কাউন্সিলর গ্রেফতার
jugantor
কসবায় রাজমিস্ত্রির ছেলেকে মারধরের অভিযোগে কাউন্সিলর গ্রেফতার

  যুগান্তর প্রতিবেদন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া  

০৪ জুন ২০২১, ০১:০৩:৫৮  |  অনলাইন সংস্করণ

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবায় এক দরিদ্র রাজমিস্ত্রির ছেলেকে কাউন্সিলর তার অফিসে ধরে এনে বেধড়ক মারধর করে বাড়িতে হামলা করে লুটপাটের অভিযোগ পাওয়া গেছে।

এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে কসবা পৌরসভার কাউন্সিলর হেলাল সরকারকে (৪৫) গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় তাকে পুলিশ গ্রেফতার করেছে। গ্রেফতারকৃত হেলাল সরকার কসবা পৌরসভার ৮নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর ও কসবা উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান মনির হোসেনের ভগ্নিপতি।

মামলার বাদী বজলুর রহমান ও স্থানীয়রা জানায়, গত বুধবার বিকেলে উপজেলার মরাপুকুরপাড় এলাকায় একটি মাঠে রাজমিস্ত্রী বজলুর রহমানের ছেলে ৮ম শ্রেণির ছাত্র দ্বীন ইসলাম ফুটবল খেলতে যায়।

সেখানে খেলা নিয়ে পৌরসভার ৮নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর হেলাল সরকারের ছেলে পিয়াসের তর্কাতর্কি হয়। এ ঘটনার জের ধরে দ্বীন ইসলামকে ধরে এনে কাউন্সিলর হেলাল সরকার মারধর করেন।

পরে রাজমিস্ত্রি বজলুর রহমানের বাড়িতে কাউন্সিলরের নেতৃত্বে ৩০/৩৫ জন গিয়ে হামলা করে। এসময় ঘরে থাকা আসবাবপত্র ও নগদ টাকাসহ বিভিন্ন মালামাল লুটপাট করে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠে।

লুটপাটের পর বজলুর রহমান, তার স্ত্রী ও দুই ছেলেকে মারধর করে কাউন্সিলর তার অফিসে আবারও ধরে নিয়ে যান। সেখানে অপমান আপদস্ত করে গালমন্দ করে টেবিলের ওপর ফেলে বজলুর রহমানের ছেলে দ্বীন ইসলামকে পুনরায় ব্যাপক মারধর করা হয়। এই ঘটনায় বুধবার রাতে বজলুর রহমান কসবা থানায় মামলা দায়ের করেন।

এবিষয়ে বজলুর রহমান জানান, খেলার মাঠের তর্কবিতর্কের ঘটনায় আমার বড় ছেলে ছোট ছেলেকে শাসন করেছে। তারপরও আমার ছেলেকে ধরে নিয়ে মারধর ও বাড়িতে হামলা করে লুটপাট করেছে তারা। এই ঘটনার বিচার চাই।

এবিষয়ে কসবা থানার ওসি মো. আলমগীর ভূঞা বলেন, খবর পেয়ে তাৎক্ষণিক অভিযুক্তদের আটক করতে অভিযান চালায় পুলিশ। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় কাউন্সিলরকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এই ঘটনায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।

কসবায় রাজমিস্ত্রির ছেলেকে মারধরের অভিযোগে কাউন্সিলর গ্রেফতার

 যুগান্তর প্রতিবেদন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া 
০৪ জুন ২০২১, ০১:০৩ এএম  |  অনলাইন সংস্করণ

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবায় এক দরিদ্র রাজমিস্ত্রির ছেলেকে কাউন্সিলর তার অফিসে ধরে এনে বেধড়ক মারধর করে বাড়িতে হামলা করে লুটপাটের অভিযোগ পাওয়া গেছে।

এ ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে কসবা পৌরসভার কাউন্সিলর হেলাল সরকারকে (৪৫) গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় তাকে পুলিশ গ্রেফতার করেছে। গ্রেফতারকৃত হেলাল সরকার কসবা পৌরসভার ৮নং ওয়ার্ডের কাউন্সিলর ও কসবা উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান মনির হোসেনের ভগ্নিপতি।

মামলার বাদী বজলুর রহমান ও স্থানীয়রা জানায়, গত বুধবার বিকেলে উপজেলার মরাপুকুরপাড় এলাকায় একটি মাঠে রাজমিস্ত্রী বজলুর রহমানের ছেলে ৮ম শ্রেণির ছাত্র দ্বীন ইসলাম ফুটবল খেলতে যায়।

সেখানে খেলা নিয়ে পৌরসভার ৮নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর হেলাল সরকারের ছেলে পিয়াসের তর্কাতর্কি হয়। এ ঘটনার জের ধরে দ্বীন ইসলামকে ধরে এনে কাউন্সিলর হেলাল সরকার মারধর করেন।

পরে রাজমিস্ত্রি বজলুর রহমানের বাড়িতে কাউন্সিলরের নেতৃত্বে ৩০/৩৫ জন গিয়ে হামলা করে। এসময় ঘরে থাকা আসবাবপত্র ও নগদ টাকাসহ বিভিন্ন মালামাল লুটপাট করে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠে।

লুটপাটের পর বজলুর রহমান, তার স্ত্রী ও দুই ছেলেকে মারধর করে কাউন্সিলর তার অফিসে আবারও ধরে নিয়ে যান। সেখানে অপমান আপদস্ত করে গালমন্দ করে টেবিলের ওপর ফেলে বজলুর রহমানের ছেলে দ্বীন ইসলামকে পুনরায় ব্যাপক মারধর করা হয়। এই ঘটনায় বুধবার রাতে বজলুর রহমান কসবা থানায় মামলা দায়ের করেন।

এবিষয়ে বজলুর রহমান জানান, খেলার মাঠের তর্কবিতর্কের ঘটনায় আমার বড় ছেলে ছোট ছেলেকে শাসন করেছে। তারপরও আমার ছেলেকে ধরে নিয়ে মারধর ও বাড়িতে হামলা করে লুটপাট করেছে তারা। এই ঘটনার বিচার চাই।

এবিষয়ে কসবা থানার ওসি মো. আলমগীর ভূঞা বলেন, খবর পেয়ে তাৎক্ষণিক অভিযুক্তদের আটক করতে অভিযান চালায় পুলিশ। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় কাউন্সিলরকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এই ঘটনায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন