রোহিঙ্গা নারীকে স্বামী বিয়ে করতে চাওয়ায় গৃহবধূর কাণ্ড!
jugantor
রোহিঙ্গা নারীকে স্বামী বিয়ে করতে চাওয়ায় গৃহবধূর কাণ্ড!

  উখিয়া (কক্সবাজার) প্রতিনিধি  

০৫ জুন ২০২১, ১৩:২৮:৪৮  |  অনলাইন সংস্করণ

আত্মহত্যা

কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলায় স্বামী রোহিঙ্গা নারীকে বিয়ে করতে চাওয়ায় এক গৃহবধূ আত্মহত্যা করেছেন।

শুক্রবার রাত ১০টার দিকে পালংখালী বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

নিহত গৃহবধূর নাম ইয়াছমিন আক্তার (১৭)। তিনি উপজেলার পালংখালী বাজার এলাকা জিয়াবুল হকের স্ত্রী ও পালংখালী মোছারখোলা এলাকার নুরুল আলমের মেয়ে।

নিহতের স্বজনদের দাবি, এটি একটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড।

জানা গেছে, চার বছর আগে পালংখালী মোছারখোলা এলাকার ইয়াছমিন আক্তারের সঙ্গে জিয়াবুল হকের বিয়ে হয়। তখন মেয়ের বয়স ছিল মাত্র ১২ বছর।

তখন থেকে তাদের সংসারে পারিবারিক কলহ লেগেই থাকতো। পরে তাদের সংসারে সন্তান না হওয়াকে কেন্দ্র করে পারিবারিক কলহ আরও বেড়ে যায়। একপর্যায়ে স্বামী জিয়াবুল হক আরেকটি বিয়ে করার জন্য তার স্ত্রী ইয়াছমিন আক্তারকে চাপ দেয় এবং রোহিঙ্গা নারী বিয়ে করবে বলে জানায়। এ কারণে ইয়াছমিন আক্তার অভিমানে আত্মহত্যা করেছেন।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, ইয়াছমিন আক্তার বাড়িতে ফ্যানে ওড়না প্যাঁচিয়ে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন।

এলাকাবাসী ইয়াছমিনকে উদ্ধার করে গয়ালমারা মা ও শিশু হাসপাতালে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

তবে নিহতের বাবা নুরুল আলম বলছেন, তার মেয়েকে হত্যা করা হয়েছে। ঘটনাটি ধামাচাপা দিতে পালংখালীর ইউপি সদস্য নুরুল হক তড়িঘড়ি করে ময়নাতদন্ত না করেই লাশ দাফনের জন্য কোর্ট থেকে অনুমতি নেওয়ার চেষ্টা করছেন।

এ বিষয়ে তদন্ত কর্মকর্তা ও উখিয়া থানার উপ-পরিদর্শক মো. সালমান লাশ উদ্ধারের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

রোহিঙ্গা নারীকে স্বামী বিয়ে করতে চাওয়ায় গৃহবধূর কাণ্ড!

 উখিয়া (কক্সবাজার) প্রতিনিধি 
০৫ জুন ২০২১, ০১:২৮ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
আত্মহত্যা
ফাইল ছবি

কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলায় স্বামী রোহিঙ্গা নারীকে বিয়ে করতে চাওয়ায়  এক গৃহবধূ আত্মহত্যা করেছেন।

শুক্রবার রাত ১০টার দিকে পালংখালী বাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

নিহত গৃহবধূর নাম ইয়াছমিন আক্তার (১৭)। তিনি উপজেলার পালংখালী বাজার এলাকা জিয়াবুল হকের স্ত্রী ও পালংখালী মোছারখোলা এলাকার নুরুল আলমের মেয়ে।

নিহতের স্বজনদের দাবি, এটি একটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড।

জানা গেছে, চার বছর আগে পালংখালী মোছারখোলা এলাকার ইয়াছমিন আক্তারের সঙ্গে জিয়াবুল হকের বিয়ে হয়। তখন মেয়ের বয়স ছিল মাত্র ১২ বছর।

তখন থেকে তাদের সংসারে পারিবারিক কলহ লেগেই থাকতো। পরে তাদের সংসারে সন্তান না হওয়াকে কেন্দ্র করে পারিবারিক কলহ আরও বেড়ে যায়। একপর্যায়ে স্বামী জিয়াবুল হক আরেকটি বিয়ে করার জন্য তার স্ত্রী ইয়াছমিন আক্তারকে চাপ দেয় এবং রোহিঙ্গা নারী বিয়ে করবে বলে জানায়। এ কারণে  ইয়াছমিন আক্তার অভিমানে আত্মহত্যা করেছেন।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, ইয়াছমিন আক্তার বাড়িতে ফ্যানে ওড়না প্যাঁচিয়ে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন।

এলাকাবাসী ইয়াছমিনকে উদ্ধার করে গয়ালমারা মা ও শিশু হাসপাতালে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

তবে নিহতের বাবা নুরুল আলম বলছেন, তার মেয়েকে হত্যা করা হয়েছে। ঘটনাটি ধামাচাপা দিতে পালংখালীর ইউপি সদস্য নুরুল হক তড়িঘড়ি করে  ময়নাতদন্ত না করেই লাশ দাফনের জন্য কোর্ট থেকে অনুমতি নেওয়ার চেষ্টা করছেন।

এ বিষয়ে তদন্ত কর্মকর্তা ও উখিয়া থানার উপ-পরিদর্শক মো. সালমান লাশ উদ্ধারের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন