ছেলেকে চিকিৎসা করাতে গিয়ে ছেলের বেডেই প্রাণ হারালেন মা
jugantor
ছেলেকে চিকিৎসা করাতে গিয়ে ছেলের বেডেই প্রাণ হারালেন মা

  অভয়নগর (যশোর) প্রতিনিধি  

০৫ জুন ২০২১, ২১:৪৭:৫৭  |  অনলাইন সংস্করণ

একমাত্র ছেলেকে ঢাকায় চিকিৎসা করাতে গিয়ে অসুস্থ ছেলেকে রেখে ছেলের বেডেই স্ট্রোক করে মারা গেলেন গর্ভধারিণী মা খোদেজা বেগম (৪২)।

খোদেজা বেগমের মামাতো ভাই স্থানীয় সাংবাদিক জাকির হোসেন হৃদয় জানান, তার ফুফাতো বোন খোদেজা বেগমের একমাত্র ছেলে জাহিদুল ইসলাম (১৩) গত আড়াই মাস ধরে পাইলস রোগে আক্রান্ত হয়ে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন।

বুধবার চিকিৎসকের পরামর্শে একমাত্র ছেলেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় শেখ রাসেল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করানো হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় অসুস্থ ছেলের পাশে বসে থাকা অবস্থায় শুক্রবার রাতে খোদেজা বেগম স্ট্রোক করে ছেলের বেডেই মারা যান।

শনিবার দুপুরে মরহুমার জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তার লাশ দাফন করা হয়।

জাকির হোসেন হৃদয় আরও জানান, তার বোনের স্বামী ইউনুস মোল্যা দীর্ঘ দুই বছর ধরে ব্রুনাইয়ে প্রবাসী হিসেবে চাকরিতে আছেন।

মায়ের লাশ সামনে নিয়ে কাঁদতে কাঁদতে অসুস্থ ছেলে জাহিদুল ইসলাম বলে- মারা যাওয়ার কথা আমার, কিন্তু আল্লাহ আমাকে না নিয়ে আমার মাকে নিয়ে গেলেন। বাবা রয়েছেন বিদেশে, মা চলে গেলেন পরপারে; এখন আমার একমাত্র ছোটবোন রুবাইয়াকে (৬) নিয়ে আমি কীভাবে বাঁচব। আমরা দুই ভাইবোন এতিম হয়ে গেলাম।

ছেলেকে চিকিৎসা করাতে গিয়ে ছেলের বেডেই প্রাণ হারালেন মা

 অভয়নগর (যশোর) প্রতিনিধি 
০৫ জুন ২০২১, ০৯:৪৭ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

একমাত্র ছেলেকে ঢাকায় চিকিৎসা করাতে গিয়ে অসুস্থ ছেলেকে রেখে ছেলের বেডেই স্ট্রোক করে মারা গেলেন গর্ভধারিণী মা খোদেজা বেগম (৪২)।

খোদেজা বেগমের মামাতো ভাই স্থানীয় সাংবাদিক জাকির হোসেন হৃদয় জানান, তার ফুফাতো বোন খোদেজা বেগমের একমাত্র ছেলে জাহিদুল ইসলাম (১৩) গত আড়াই মাস ধরে পাইলস রোগে আক্রান্ত হয়ে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন। 

বুধবার চিকিৎসকের পরামর্শে একমাত্র ছেলেকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় শেখ রাসেল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে ভর্তি করানো হয়। চিকিৎসাধীন অবস্থায় অসুস্থ ছেলের পাশে বসে থাকা অবস্থায় শুক্রবার রাতে খোদেজা বেগম স্ট্রোক করে ছেলের বেডেই মারা যান। 

শনিবার দুপুরে মরহুমার জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তার লাশ দাফন করা হয়। 

জাকির হোসেন হৃদয় আরও জানান, তার বোনের স্বামী ইউনুস মোল্যা দীর্ঘ দুই বছর ধরে ব্রুনাইয়ে প্রবাসী হিসেবে চাকরিতে আছেন। 

মায়ের লাশ সামনে নিয়ে কাঁদতে কাঁদতে অসুস্থ ছেলে জাহিদুল ইসলাম বলে- মারা যাওয়ার কথা আমার, কিন্তু আল্লাহ আমাকে না নিয়ে আমার মাকে নিয়ে গেলেন। বাবা রয়েছেন বিদেশে, মা চলে গেলেন পরপারে; এখন আমার একমাত্র ছোটবোন রুবাইয়াকে (৬) নিয়ে আমি কীভাবে বাঁচব। আমরা দুই ভাইবোন এতিম হয়ে গেলাম।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন