বিয়ের আগেই পা পিছলে পড়ে প্রাণ গেল পুলিশ কর্মকর্তার
jugantor
বিয়ের আগেই পা পিছলে পড়ে প্রাণ গেল পুলিশ কর্মকর্তার

  কেরানীগঞ্জ (ঢাকা) প্রতিনিধি  

০৬ জুন ২০২১, ১৬:৫২:২২  |  অনলাইন সংস্করণ

সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনালে পা পিছলে নদীতে পড়ে শাওলিন আকিব (২৮) নামে এক এসআইয়ের মৃত্যু হয়েছে। আগামী ডিসেম্বর মাসে তার বিয়ে ঠিক হয়েছে। রোববার সকালে সরদঘাট টার্মিনালের ৮নং পন্টুনে এ ঘটনা ঘটে। তিনি রাজধানীর মালিবাগে পুলিশের স্পেশাল ব্রাঞ্চে কর্মরত ছিলেন।

সদরঘাট নৌ থানার এসআই মো. শহিদুল ইসলাম জানান, ৩৭ ব্যাচের এই কর্মকর্তার বাড়ি ঢাকার ডেমরা এলাকায়। আগামী ডিসেম্বর মাসে তার বিয়ে ঠিক হয়েছে। তার হবু শ্বশুর শাশুড়ী থাকেন ময়মনসিংহে। তারা বরগুনা জেলায় এক আত্মীয়ের বাড়িতে বেড়াতে গিয়েছিলেন। সেখান থেকে ঢাকায় ফিরে এসআই আকিবের বাসায় যাওয়ার কথা।

রোববার সকালে তারা লঞ্চযোগে বরগুনা থেকে ঢাকায় ফেরেন। সকাল ৭টার দিকে তাদের রিসিভ করতে আকিব টার্মিনাল থেকে লঞ্চের সিড়িতে পা রাখেন। এক পা টার্মিনালে আরেক পা লঞ্চের সিড়িতে দেয়ামাত্র পিছলে তিনি নদীতে পড়ে যান। নদীতে পড়ার আগে টার্মিনালের সঙ্গে মাথা ও পিঠে প্রচণ্ড আঘাত পান। টার্মিনালের লোকজন এ সময় নদীতে খোঁজাখুঁজি করে তার সন্ধান পায়নি।

খবর পেয়ে সেখানে আসে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরী দল। তারা ঘণ্টাখানেক চেষ্টার পর পানি থেকে আকিবকে উদ্ধার করতে সক্ষম হয়। মিটফোর্ড হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে গেলে কতর্ব্যরত ডাক্তার তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

এসআই শহিদুল ইসলাম আরও জানান, নিহতের স্বজনদের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে ময়নাতদন্ত ছাড়াই মরদেহ স্বজনদের কাছে বুঝিয়ে দেয়া হয়েছে। নিহতের বড় ভাই মালিবাগ স্পেশাল ব্রাঞ্চের ইন্সপেক্টর শিবলী তার মরদেহ বুঝে নিয়েছেন।

বিয়ের আগেই পা পিছলে পড়ে প্রাণ গেল পুলিশ কর্মকর্তার

 কেরানীগঞ্জ (ঢাকা) প্রতিনিধি 
০৬ জুন ২০২১, ০৪:৫২ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনালে পা পিছলে নদীতে পড়ে শাওলিন আকিব (২৮) নামে  এক এসআইয়ের মৃত্যু হয়েছে। আগামী ডিসেম্বর মাসে তার বিয়ে ঠিক হয়েছে। রোববার সকালে সরদঘাট টার্মিনালের ৮নং পন্টুনে এ ঘটনা ঘটে। তিনি রাজধানীর মালিবাগে পুলিশের স্পেশাল ব্রাঞ্চে কর্মরত ছিলেন।

সদরঘাট নৌ থানার এসআই মো. শহিদুল ইসলাম জানান, ৩৭ ব্যাচের এই কর্মকর্তার বাড়ি ঢাকার ডেমরা এলাকায়। আগামী ডিসেম্বর মাসে তার বিয়ে ঠিক হয়েছে। তার হবু শ্বশুর শাশুড়ী থাকেন ময়মনসিংহে। তারা বরগুনা জেলায় এক আত্মীয়ের বাড়িতে বেড়াতে গিয়েছিলেন। সেখান থেকে ঢাকায় ফিরে এসআই আকিবের বাসায় যাওয়ার কথা।

রোববার সকালে তারা লঞ্চযোগে বরগুনা থেকে ঢাকায় ফেরেন। সকাল ৭টার দিকে তাদের রিসিভ করতে আকিব টার্মিনাল থেকে লঞ্চের সিড়িতে পা রাখেন। এক পা টার্মিনালে আরেক পা লঞ্চের সিড়িতে দেয়ামাত্র পিছলে তিনি নদীতে পড়ে যান। নদীতে পড়ার আগে টার্মিনালের সঙ্গে মাথা ও পিঠে প্রচণ্ড আঘাত পান। টার্মিনালের লোকজন এ সময় নদীতে খোঁজাখুঁজি করে তার সন্ধান পায়নি।

খবর পেয়ে সেখানে আসে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরী দল। তারা ঘণ্টাখানেক চেষ্টার পর পানি থেকে আকিবকে উদ্ধার করতে সক্ষম হয়। মিটফোর্ড হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে গেলে কতর্ব্যরত ডাক্তার তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

এসআই শহিদুল ইসলাম আরও জানান, নিহতের স্বজনদের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সঙ্গে আলোচনা করে ময়নাতদন্ত ছাড়াই মরদেহ স্বজনদের কাছে বুঝিয়ে দেয়া হয়েছে। নিহতের বড় ভাই মালিবাগ স্পেশাল ব্রাঞ্চের ইন্সপেক্টর শিবলী তার মরদেহ বুঝে নিয়েছেন।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন