বিয়ের দাওয়াত দিয়ে ডেকে এনে নেশা খাইয়ে কিশোরীকে ধর্ষণ
jugantor
বিয়ের দাওয়াত দিয়ে ডেকে এনে নেশা খাইয়ে কিশোরীকে ধর্ষণ

  চকরিয়া (কক্সবাজার) প্রতিনিধি  

০৮ জুন ২০২১, ১২:৫১:১১  |  অনলাইন সংস্করণ

ধর্ষণ

কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলায় বিয়ের দাওয়াত দিয়ে ডেকে এনে নেশাজাতীয় দ্রব্য খাওয়ানোর পর এক কিশোরীকে (১২) ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে।

সোমবার এ ঘটনায় ভিকটিমের মা বাদী হয়ে ধর্ষণের অভিযোগে দুজনকে আসামি করে চকরিয়া থানায় মামলা করেছেন, যার মামলা নং-১৩/২৩৫।

এর আগে গত ২ জুন বিকারে উপজেলার খুটাখালী ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডস্থ গর্জনতলী এলাকার রোকসানা আক্তারের বসতঘরে এ ধর্ষণের ঘটনা ঘটে।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, ২ জুন বিকালে উপজেলার ৪ নম্বর ওয়ার্ডস্থ গর্জনতলী এলাকার ফখরুল ইসলামের মেয়ে রোকসানা আক্তার ওই কিশোরীকে কৌশলে বিয়ের দাওয়াত দিয়ে নিজ ঘরে নিয়ে যায়।

পরে তাকে ভাত খাওয়ার সময় জোরপূর্বকভাবে পানির সঙ্গে নেশাজাতীয় দ্রব্য মিশিয়ে খাওয়ানো হয়। এতে সে অজ্ঞান হয়ে পড়ে।

এর পর সেই ঘরে আগে থেকে অবস্থান করা একই এলাকার নূরুল ইসলামের ছেলে মো. ইউনুস ওই কিশোরীকে ধর্ষণ করে। অনেক চেষ্টার পর জ্ঞান ফেরাতে না পেরে ধর্ষণের পর দিন ৩ জুন আসামিরা কিশোরীকে অজ্ঞান অবস্থায় তার নিজ ঘরে রেখে দিয়ে আসে।

পরে ভিকটিমের অবস্থা খারাপ হওয়ায় তাকে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসার পর জ্ঞান ফিরে পেয়ে ওই কিশোরী তার মাকে ধর্ষণের বিষয়টি জানায়। এর পর সোমবার ভিকটিমের মা বাদী হয়ে দুজনকে আসামি করে থানায় একটি ধর্ষণ মামলা করেন।

চকরিযা থানার ওসি শাকের মোহাম্মদ যুবায়ের বলেন, ধর্ষণের ঘটনার বিষয়ে থানায় মামলা রুজু করা হয়েছে।

বিয়ের দাওয়াত দিয়ে ডেকে এনে নেশা খাইয়ে কিশোরীকে ধর্ষণ

 চকরিয়া (কক্সবাজার) প্রতিনিধি 
০৮ জুন ২০২১, ১২:৫১ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
ধর্ষণ
ফাইল ছবি

কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলায় বিয়ের দাওয়াত দিয়ে ডেকে এনে নেশাজাতীয় দ্রব্য খাওয়ানোর পর এক কিশোরীকে (১২) ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে।

সোমবার এ ঘটনায় ভিকটিমের মা বাদী হয়ে ধর্ষণের অভিযোগে দুজনকে আসামি করে চকরিয়া থানায় মামলা করেছেন, যার মামলা নং-১৩/২৩৫।

এর আগে গত ২ জুন বিকারে উপজেলার খুটাখালী ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডস্থ গর্জনতলী এলাকার রোকসানা আক্তারের বসতঘরে এ ধর্ষণের ঘটনা ঘটে।

মামলার এজাহার সূত্রে জানা গেছে, ২ জুন বিকালে উপজেলার ৪ নম্বর ওয়ার্ডস্থ গর্জনতলী এলাকার ফখরুল ইসলামের মেয়ে রোকসানা আক্তার ওই কিশোরীকে কৌশলে বিয়ের দাওয়াত দিয়ে নিজ ঘরে নিয়ে যায়।

পরে তাকে ভাত খাওয়ার সময় জোরপূর্বকভাবে পানির সঙ্গে নেশাজাতীয় দ্রব্য মিশিয়ে খাওয়ানো হয়। এতে সে অজ্ঞান হয়ে পড়ে।

এর পর সেই ঘরে আগে থেকে অবস্থান করা একই এলাকার নূরুল ইসলামের ছেলে মো. ইউনুস ওই কিশোরীকে ধর্ষণ করে। অনেক চেষ্টার পর জ্ঞান ফেরাতে না পেরে ধর্ষণের পর দিন ৩ জুন আসামিরা কিশোরীকে অজ্ঞান অবস্থায় তার নিজ ঘরে রেখে দিয়ে আসে।

পরে ভিকটিমের অবস্থা খারাপ হওয়ায় তাকে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসার পর জ্ঞান ফিরে পেয়ে ওই কিশোরী তার মাকে ধর্ষণের বিষয়টি জানায়। এর পর সোমবার ভিকটিমের মা বাদী হয়ে দুজনকে আসামি করে থানায় একটি ধর্ষণ মামলা করেন।

চকরিযা থানার ওসি শাকের মোহাম্মদ যুবায়ের বলেন, ধর্ষণের ঘটনার বিষয়ে থানায় মামলা রুজু করা হয়েছে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন