মোবাইল-ক্যামেরা নিতে বাধা দেয়ায় মুন্নাকে গলা কেটে খুন করা হয়
jugantor
মোবাইল-ক্যামেরা নিতে বাধা দেয়ায় মুন্নাকে গলা কেটে খুন করা হয়

  গাজীপুর প্রতিনিধি  

০৮ জুন ২০২১, ২১:২৯:১৭  |  অনলাইন সংস্করণ

গাজীপুর মহানগর টঙ্গী পূর্ব থানাধীন গাজীপুরা এলাকার বহুল আলোচিত ঢাকা উত্তরা শাহিন ক্যাডেট স্কুলের মেধাবী ছাত্র তৌসিফুল ইসলাম মুন্নার হত্যা মামলার দুই বছর পর রহস্য উদঘাটন ও আসামি গ্রেফতার করেছে পিবিআই।

মা-বাবা না থাকার সুযোগে ভিকটিম তৌসিফুল ইসলাম মুন্নাকে ঘরে একা পেয়ে মোবাইল ফোন ও ক্যামেরা লুণ্ঠনে বাধা দেয়ায় ও লুটেরাদের চিনে ফেলায় গলা কেটে ও পেটে পোঁচ দিয়ে নাড়িভুঁড়ি বের করে হত্যা করা হয় মুন্নাকে।

এ হত্যার ঘটনায় সরাসরি জড়িত ময়মনসিংহ জেলার হালুয়াঘাটের চকমোকামিয়া এলাকার কুদ্দুস আলীর ছেলে মো. আনোয়ার হোসেন (২৫), জামালপুর জেলার বকশিগঞ্জের জাকিরপাড়া এলাকার ওশমান আলীর ছেলে মো. মোফাজ্জলকে (৩১) সোমবার রাতে টঙ্গীর গাজীপুরার শিকদার মার্কেট ও সুমন মার্কেট এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়।

পিবিআই গাজীপুর সূত্র জানায়, ২০১৯ সালের ১৮ জুলাই সকাল পৌনে ৮টায় ভিকটিম তৌসিফুল ইসলাম মুন্নাকে (১৪) টঙ্গী পূর্ব থানাধীন গাজীপুরা সুমন মার্কেটের জনৈক হাবিবুর রহমানের চতুর্থ তলার ভাড়াবাসায় একা রেখে তার মা মোছা. হামিদা আক্তার মুকুল ছোট ছেলে তামিমকে নিয়ে স্থানীয় আবু তালেব মডেল একাডেমিতে যান এবং এর পূর্বে সকাল ৭টার দিকে মুন্নার পিতা মিজানুর রহমান (জাহাঙ্গীর) তার কর্মস্থল ঢাকায় চলে যায়।

মুন্নার মা হামিদা আক্তার মুকুল সকাল সোয়া ১০ টায় স্কুল থেকে বাসায় ফিরে দেখেন তৌসিফুল ইসলাম মুন্না বেডরুমে খাটের উপর উপুড় হয়ে রক্তাক্ত ও মৃত অবস্থায় পড়ে রয়েছে। পরবর্তীতে এ সংক্রান্তে ভিকটিমের পিতা মিজানুর রহমান টঙ্গী পূর্ব থানায় অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে এজাহার দায়ের করেন।

এক পর্যায়ে মামলাটির রহস্য উদঘাটন ও আসামিদের শনাক্ত করতে পিবিআই গাজীপুর জেলাকে দায়িত্ব দেওয়া হয়। পরে ডিআইজি পিবিআই বনজ কুমার মজুমদার এর তত্ত্বাবধানে পিবিআই গাজীপুর ইউনিট ইনচার্জ মোহাম্মদ মাকছুদুর রহমান ও পুলিশ পরিদর্শক হাফিজুর রহমান হত্যার রহস্য উদঘাটন করতে সক্ষম হয় এবং ঘটনায় সরাসরি জড়িত দুইজনকে গ্রেফতার করেন।

এই বিষয়ে পিবিআই গাজীপুর জেলার পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মাকছুদের রহমান জানান, ঘটনার দিন সকাল ৯টার সময় বাসায় ভিকটিম এর বাবা ও মা না থাকার সুযোগে ভিকটিম তৌসিফুল ইসলাম মুন্নাকে ডেকে দরজা খুলে ভিতরে প্রবেশ করে। এ সময় মোবাইল ফোন ও ক্যামেরা লুণ্ঠন করার সময় ভিকটিম বাধা দিলে তাকে গলা কেটে করে এবং পেটে পোঁচ দিয়ে নাড়িভুঁড়ি বের করে হত্যা করে।

তিনি আরও জানান, মূলত চুরি করার উদ্দেশ্যে ফ্ল্যাটে প্রবেশ করে এবং ভিকটিম আসামিদেরকে চিনে ফেলায় তারা মুন্নাকে হত্যা করে পালিয়ে যায়।

মোবাইল-ক্যামেরা নিতে বাধা দেয়ায় মুন্নাকে গলা কেটে খুন করা হয়

 গাজীপুর প্রতিনিধি 
০৮ জুন ২০২১, ০৯:২৯ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

গাজীপুর মহানগর টঙ্গী পূর্ব থানাধীন গাজীপুরা এলাকার বহুল আলোচিত ঢাকা উত্তরা শাহিন ক্যাডেট স্কুলের মেধাবী ছাত্র তৌসিফুল ইসলাম মুন্নার হত্যা মামলার দুই বছর পর রহস্য উদঘাটন ও আসামি গ্রেফতার করেছে পিবিআই।

মা-বাবা না থাকার সুযোগে ভিকটিম তৌসিফুল ইসলাম মুন্নাকে ঘরে একা পেয়ে মোবাইল ফোন ও ক্যামেরা লুণ্ঠনে বাধা দেয়ায় ও লুটেরাদের চিনে ফেলায় গলা কেটে ও পেটে পোঁচ দিয়ে নাড়িভুঁড়ি বের করে হত্যা করা হয় মুন্নাকে।

এ হত্যার ঘটনায় সরাসরি জড়িত ময়মনসিংহ জেলার হালুয়াঘাটের চকমোকামিয়া এলাকার কুদ্দুস আলীর ছেলে মো. আনোয়ার হোসেন (২৫), জামালপুর জেলার বকশিগঞ্জের জাকিরপাড়া এলাকার ওশমান আলীর ছেলে মো. মোফাজ্জলকে (৩১) সোমবার রাতে টঙ্গীর গাজীপুরার শিকদার মার্কেট ও সুমন মার্কেট এলাকা থেকে গ্রেফতার করা হয়।

পিবিআই গাজীপুর সূত্র জানায়, ২০১৯ সালের ১৮ জুলাই সকাল পৌনে ৮টায় ভিকটিম তৌসিফুল ইসলাম মুন্নাকে (১৪) টঙ্গী পূর্ব থানাধীন গাজীপুরা সুমন মার্কেটের জনৈক হাবিবুর রহমানের চতুর্থ তলার ভাড়াবাসায় একা রেখে তার মা মোছা. হামিদা আক্তার মুকুল ছোট ছেলে তামিমকে নিয়ে স্থানীয় আবু তালেব মডেল একাডেমিতে যান এবং এর পূর্বে সকাল ৭টার দিকে মুন্নার পিতা মিজানুর রহমান (জাহাঙ্গীর) তার কর্মস্থল ঢাকায় চলে যায়।

মুন্নার মা হামিদা আক্তার মুকুল সকাল সোয়া ১০ টায় স্কুল থেকে বাসায় ফিরে দেখেন তৌসিফুল ইসলাম মুন্না বেডরুমে খাটের উপর উপুড় হয়ে রক্তাক্ত ও মৃত অবস্থায় পড়ে রয়েছে। পরবর্তীতে এ সংক্রান্তে ভিকটিমের পিতা মিজানুর রহমান টঙ্গী পূর্ব থানায় অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে এজাহার দায়ের করেন।

এক পর্যায়ে মামলাটির রহস্য উদঘাটন ও আসামিদের শনাক্ত করতে পিবিআই গাজীপুর জেলাকে দায়িত্ব দেওয়া হয়। পরে ডিআইজি পিবিআই বনজ কুমার মজুমদার এর তত্ত্বাবধানে পিবিআই গাজীপুর ইউনিট ইনচার্জ মোহাম্মদ মাকছুদুর রহমান ও পুলিশ পরিদর্শক হাফিজুর রহমান হত্যার রহস্য উদঘাটন করতে সক্ষম হয় এবং ঘটনায় সরাসরি জড়িত দুইজনকে গ্রেফতার করেন।

এই বিষয়ে পিবিআই গাজীপুর জেলার পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মাকছুদের রহমান জানান, ঘটনার দিন সকাল ৯টার সময় বাসায় ভিকটিম এর বাবা ও মা না থাকার সুযোগে ভিকটিম তৌসিফুল ইসলাম মুন্নাকে ডেকে দরজা খুলে ভিতরে প্রবেশ করে। এ সময় মোবাইল ফোন ও ক্যামেরা লুণ্ঠন করার সময় ভিকটিম বাধা দিলে তাকে গলা কেটে করে এবং পেটে পোঁচ দিয়ে নাড়িভুঁড়ি বের করে হত্যা করে।

তিনি আরও জানান, মূলত চুরি করার উদ্দেশ্যে ফ্ল্যাটে প্রবেশ করে এবং ভিকটিম আসামিদেরকে চিনে ফেলায় তারা মুন্নাকে হত্যা করে পালিয়ে যায়।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন