হাসপাতালে গৃহবধূর লাশ ফেলে পালাল শ্বশুরবাড়ির লোকজন
jugantor
হাসপাতালে গৃহবধূর লাশ ফেলে পালাল শ্বশুরবাড়ির লোকজন

  যুগান্তর প্রতিবেদন,  ব্রাহ্মণবাড়িয়া  

০৮ জুন ২০২১, ২১:৩৭:০১  |  অনলাইন সংস্করণ

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় এক গৃহবধূকে নির্যাতন করে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। মঙ্গলবার সকালে ওই গৃহবধুকে শ্বশুরবাড়ির লোকজন হত্যার পর লাশ ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগে রেখে পালিয়ে যায়।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, নিহত মাকসুদা সুলতানা ঝিনুক (২২) কসবা উপজেলার বাদুইর গ্রামের মো. ফারুক মিয়ার মেয়ে। পাঁচ বছর আগে সরাইল উপজেলার শাহবাজপুর গ্রামের আইয়ুব আলী খানের ছেলে সোহেল মিয়ার সঙ্গে তার বিবাহ হয়। সোহেল পেশায় মোটর পার্টস ব্যবসায়ী।

এই দম্পতি ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের মেড্ডা এলাকায় বসবাস করছিলেন। তাদের আরিয়ান নামে তিন বছরের একটি ছেলে রয়েছে।

নিহতের স্বজনরা জানান, বিয়ের পর থেকে যৌতুকের দাবিতে স্বামীসহ শ্বশুরবাড়ির লোকজন মাকসুদা সুলতানা ঝিনুককে নির্যাতন করত। ভুক্তভোগী বিষয়টি তার স্বজনদের একাধিকবার জানিয়েছেন। গৃহবধূর স্বজনরা এই নিয়ে এলাকায় একাধিকবার সালিশ বসেছে।

নিহতের বড়বোন তানিয়া আক্তার জানান, তার বোনকে হত্যার তাদেরকে জানানো হয়, ঝিনুক আত্মহত্যা করেছে। তিনি হত্যাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান।

এ বিষয়েব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (তদন্ত) মাসুদ ইবনে আনোয়ার হোসেন বলেন, গৃহবধূকে নির্যাতন করে হত্যা করা হয়েছে বলে মৌখিকভাবে আমাদেরকে জানানো হয়েছে। ঘটনা অবহিত হওয়ার পর ঘটনাস্থলে আমরা ফোর্স পাঠিয়েছি। নিহতের স্বজনের পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ পেলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

হাসপাতালে গৃহবধূর লাশ ফেলে পালাল শ্বশুরবাড়ির লোকজন

 যুগান্তর প্রতিবেদন,  ব্রাহ্মণবাড়িয়া 
০৮ জুন ২০২১, ০৯:৩৭ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় এক গৃহবধূকে নির্যাতন করে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। মঙ্গলবার সকালে ওই গৃহবধুকে শ্বশুরবাড়ির লোকজন হত্যার পর লাশ ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগে রেখে পালিয়ে যায়।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, নিহত মাকসুদা সুলতানা ঝিনুক (২২) কসবা উপজেলার বাদুইর গ্রামের মো. ফারুক মিয়ার মেয়ে। পাঁচ বছর আগে সরাইল উপজেলার শাহবাজপুর গ্রামের আইয়ুব আলী খানের ছেলে সোহেল মিয়ার সঙ্গে তার বিবাহ হয়। সোহেল পেশায় মোটর পার্টস ব্যবসায়ী।

এই দম্পতি ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের মেড্ডা এলাকায় বসবাস করছিলেন। তাদের আরিয়ান নামে তিন বছরের একটি ছেলে রয়েছে।

নিহতের স্বজনরা জানান, বিয়ের পর থেকে যৌতুকের দাবিতে স্বামীসহ শ্বশুরবাড়ির লোকজন মাকসুদা সুলতানা ঝিনুককে নির্যাতন করত। ভুক্তভোগী বিষয়টি তার স্বজনদের একাধিকবার জানিয়েছেন। গৃহবধূর স্বজনরা এই নিয়ে এলাকায় একাধিকবার সালিশ বসেছে। 

নিহতের বড়বোন তানিয়া আক্তার জানান, তার বোনকে হত্যার তাদেরকে জানানো হয়, ঝিনুক আত্মহত্যা করেছে। তিনি হত্যাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানান। 

এ বিষয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (তদন্ত) মাসুদ ইবনে আনোয়ার হোসেন বলেন, গৃহবধূকে নির্যাতন করে হত্যা করা হয়েছে বলে মৌখিকভাবে আমাদেরকে জানানো হয়েছে। ঘটনা অবহিত হওয়ার পর ঘটনাস্থলে আমরা ফোর্স পাঠিয়েছি। নিহতের স্বজনের পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ পেলে আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন