গৃহবধূকে অপহরণ করে ধর্ষণ, ছবি ইন্টারনেটে দেয়ার হুমকি
jugantor
গৃহবধূকে অপহরণ করে ধর্ষণ, ছবি ইন্টারনেটে দেয়ার হুমকি

  ঝালকাঠি প্রতিনিধি  

০৮ জুন ২০২১, ২২:১৮:০৭  |  অনলাইন সংস্করণ

ঝালকাঠিতে এক গৃহবধূকে অপহরণ করে ধর্ষণ এবং আপত্তিকর ছবি ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দেয়ার হুমকি দেয়ার অভিযোগে দুই যুবককে আটক করেছে র‌্যাব।

আটককৃতরা হলো জিয়াউল ইসলাম জিয়া (৩৮) ও মো. সোহেল হাওলাদার (৩২)। এরা দুজনই ঝালকাঠি কবিরাজবাড়ি সড়কের নিউ আজাদ বেকারির কর্মচারী।

সোমবার বিকালে র‌্যাব তাদের ঝালকাঠি থানায় হস্তান্তরের পর ধর্ষণের শিকার গৃহবধূ বাদী হয়ে মামলা দায়ের করে। মঙ্গলবার দুপুরে আটককৃতদের ধর্ষণ মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতে প্রেরণ করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই নাজমুজ্জামান।

মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০১৯ সালের ১৬ অক্টোবর দুপুরে ঝালকাঠি শহরের একটি অফসেট প্রেসের মালিকের স্ত্রী দুই সন্তানের জননীকে সরকারি হরচন্দ্র বালিকা বিদ্যালয়ের সামনে থেকে অপহরণ করে জিয়া ও সোহেলসহ ৪-৫ জন। ওই গৃহবধূকে সিটি ক্লাবের পেছনের একটি বাসায় ধর্ষণ করে আসামি জিয়াউল ইসলাম। অন্যান্য আসামিরা ধর্ষণে সহায়তা করে এবং আপত্তিকর ছবি তুলে রাখে।

মানসম্মানের ভয়ে গৃহবধূ বিষয়টি দীর্ঘদিন চেপে রাখলেও সম্প্রতি জিয়া ও সোহেল ওই গৃহবধূকে আপত্তিকর ছবি ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দেয়ার হুমকি দিয়ে টাকা পয়সা দাবি করছিল। বিষয়টি ওই গৃহবধূ বরিশাল র‌্যাব ৮ এর কাছে জানায়। এর পর সোমবার সকালে র‌্যাবের একটি টহল টিম কবিরাজবাড়ি সড়কের নিউ আজাদ বেকারিতে অভিযান চালিয়ে জিয়াউল ইসলাম জিয়া ও সোহেল হাওলাদারকে আটক করে।

ঝালকাঠি থানার এসআই ও মামলার তদন্ত কর্মকর্তা নাজমুজ্জামান বলেন, আটককৃত দুইজনকে ধর্ষণ মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। পরবর্তীতে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য রিমান্ডের আবেদন করা হতে পারে।

প্রেস ব্যবসায়ী গৃহবধূর স্বামী বলেন, বিষয়টি এতদিন আমি জানতাম না। আসামিরা আমার স্ত্রীকে ব্ল্যাকমেইল করে অনেক টাকা পয়সা নিয়েছে। সম্প্রতি আসামিরা আমাকে ফোন করে নানাভাবে বিরক্ত করছিল। তাই আমার স্ত্রী আইনের আশ্রয় নিতে বাধ্য হয়েছে।

গৃহবধূকে অপহরণ করে ধর্ষণ, ছবি ইন্টারনেটে দেয়ার হুমকি

 ঝালকাঠি প্রতিনিধি 
০৮ জুন ২০২১, ১০:১৮ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

ঝালকাঠিতে এক গৃহবধূকে অপহরণ করে ধর্ষণ এবং আপত্তিকর ছবি ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দেয়ার হুমকি দেয়ার অভিযোগে দুই যুবককে আটক করেছে র‌্যাব।

আটককৃতরা হলো জিয়াউল ইসলাম জিয়া (৩৮) ও মো. সোহেল হাওলাদার (৩২)। এরা দুজনই ঝালকাঠি কবিরাজবাড়ি সড়কের নিউ আজাদ বেকারির কর্মচারী।

সোমবার বিকালে র‌্যাব তাদের ঝালকাঠি থানায় হস্তান্তরের পর ধর্ষণের শিকার গৃহবধূ বাদী হয়ে মামলা দায়ের করে। মঙ্গলবার দুপুরে আটককৃতদের ধর্ষণ মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতে প্রেরণ করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই নাজমুজ্জামান।

মামলার বিবরণে জানা যায়, ২০১৯ সালের ১৬ অক্টোবর দুপুরে ঝালকাঠি শহরের একটি অফসেট প্রেসের মালিকের স্ত্রী দুই সন্তানের জননীকে সরকারি হরচন্দ্র বালিকা বিদ্যালয়ের সামনে থেকে অপহরণ করে জিয়া ও সোহেলসহ ৪-৫ জন। ওই গৃহবধূকে সিটি ক্লাবের পেছনের একটি বাসায় ধর্ষণ করে আসামি জিয়াউল ইসলাম। অন্যান্য আসামিরা ধর্ষণে সহায়তা করে এবং আপত্তিকর ছবি তুলে রাখে।

মানসম্মানের ভয়ে গৃহবধূ বিষয়টি দীর্ঘদিন চেপে রাখলেও সম্প্রতি জিয়া ও সোহেল ওই গৃহবধূকে আপত্তিকর ছবি ইন্টারনেটে ছড়িয়ে দেয়ার হুমকি দিয়ে টাকা পয়সা দাবি করছিল। বিষয়টি ওই গৃহবধূ বরিশাল র‌্যাব ৮ এর কাছে জানায়। এর পর সোমবার সকালে র‌্যাবের একটি টহল টিম কবিরাজবাড়ি সড়কের নিউ আজাদ বেকারিতে অভিযান চালিয়ে জিয়াউল ইসলাম জিয়া ও সোহেল হাওলাদারকে আটক করে।

ঝালকাঠি থানার এসআই ও মামলার তদন্ত কর্মকর্তা নাজমুজ্জামান বলেন, আটককৃত দুইজনকে ধর্ষণ মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে। পরবর্তীতে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য রিমান্ডের আবেদন করা হতে পারে।

প্রেস ব্যবসায়ী গৃহবধূর স্বামী বলেন, বিষয়টি এতদিন আমি জানতাম না। আসামিরা আমার স্ত্রীকে ব্ল্যাকমেইল করে অনেক টাকা পয়সা নিয়েছে। সম্প্রতি আসামিরা আমাকে ফোন করে নানাভাবে বিরক্ত করছিল। তাই আমার স্ত্রী আইনের আশ্রয় নিতে বাধ্য হয়েছে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন