অতিরিক্ত অর্থ না দিলে মিলছে না জন্ম সনদ
jugantor
চেয়ারম্যান বিরুদ্ধে অভিযোগ
অতিরিক্ত অর্থ না দিলে মিলছে না জন্ম সনদ

  লাকসাম (কুমিল্লা) প্রতিনিধি  

০৯ জুন ২০২১, ০৪:০৫:৩৫  |  অনলাইন সংস্করণ

চেয়ারম্যান বিরুদ্ধে অভিযোগ

কুমিল্লার মনোহরগঞ্জ খিলা ইউনিয়ন পরিষদে অতিরিক্ত অর্থ না দিলে মিলছে না জন্ম সনদ। গ্রামের শতাধিক নারী-পুরুষ জাতীয় সনদপত্র আনতে গিয়ে অতিরিক্ত টাকা গুনতে হচ্ছে প্রতিনিয়ত।

এজন্য ওই ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আল আমিন ভুইয়ার বিরুদ্ধে মঙ্গলবার মনোহরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ করেছেন হাতিয়ামুড়ি গ্রামের বাসিন্দা নুর আলম।

যদিও সরকারিভাবে নির্ধারণ করা হয়েছে এক থেকে পাঁচ বছর বয়স হলে ২৫ টাকা। আর পাঁচ বছর থেকে মৃত্যুর আগ পর্যন্ত ৫০ টাকা।

কিন্তু ইউনিয়নের অধিকাংশ মানুষেরই অভিযোগ, সনদপত্র আনতে গেলে হাজার টাকা গুনতে হচ্ছে তাদের। বেশি টাকা না দিলে সনদ দিতে অনীহা প্রকাশ করছে তারা।

চেয়ারম্যান আল আমিন ভুইয়া নির্বাচিত হওয়ার পর ইউপি সদস্য ও সচিবের সঙ্গে যোগসাজশে এ কাজ করা হচ্ছে বলে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন গ্রামবাসী। বয়স্ক ভাতার ক্ষেত্রেও চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে স্বজনপ্রীতির অভিযোগ এনেছেন তারা।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, খিলা ইউনিয়নের হাতিয়ামুড়ি গ্রামের নুর আলম তার ছেলে জাকারিয়ার জন্ম সনদ করার জন্য গত ৩০ মে আবেদন করেন পরিষদে। জন্ম সনদ করে দেওয়ার জন্য তার কাজ থেকে ৪৫০ টাকা নেওয়া হয়। নুর আলমের ছেলের জাকারিয়ার জন্ম সনদ নামে ভুল হওয়ায় পুনরায় সংশোধনের জন্য গত ৭ জুন সোমবার ইউনিয়ন পরিষদের আসেন তিনি।

সংশোধনের জন্য নুর আলমের কাছে ৩০০ টাকা দাবি করেন চেয়ারম্যান আল আমিন ভুইয়া। নুর আলম টাকার রশিদ চাইলে তার উপর ক্ষিপ্ত হন চেয়ারম্যান। এমনকি প্রাণে মারার হুমকি দেন। এ সময় স্থানীয় সেচ্ছাসেবক লীগের যুগ্ম আহবায়ক রুহুল আমিন ও পরিষদে আসা দিশাবন্দর গ্রামের কয়েজন ভুক্তভোগী সনদকারী নুর আলমকে উদ্ধার করেন।

চেয়ারম্যান বিরুদ্ধে অভিযোগ

অতিরিক্ত অর্থ না দিলে মিলছে না জন্ম সনদ

 লাকসাম (কুমিল্লা) প্রতিনিধি 
০৯ জুন ২০২১, ০৪:০৫ এএম  |  অনলাইন সংস্করণ
চেয়ারম্যান বিরুদ্ধে অভিযোগ
ছবি: যুগান্তর

কুমিল্লার মনোহরগঞ্জ খিলা ইউনিয়ন পরিষদে অতিরিক্ত অর্থ না দিলে মিলছে না জন্ম সনদ। গ্রামের শতাধিক নারী-পুরুষ জাতীয় সনদপত্র আনতে গিয়ে অতিরিক্ত টাকা গুনতে হচ্ছে প্রতিনিয়ত।

এজন্য ওই ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আল আমিন ভুইয়ার বিরুদ্ধে মঙ্গলবার মনোহরগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ করেছেন হাতিয়ামুড়ি গ্রামের বাসিন্দা নুর আলম।

যদিও সরকারিভাবে নির্ধারণ করা হয়েছে এক থেকে পাঁচ বছর বয়স হলে ২৫ টাকা। আর পাঁচ বছর থেকে মৃত্যুর আগ পর্যন্ত ৫০ টাকা।

কিন্তু ইউনিয়নের অধিকাংশ মানুষেরই অভিযোগ, সনদপত্র আনতে গেলে হাজার টাকা গুনতে হচ্ছে তাদের। বেশি টাকা না দিলে সনদ দিতে অনীহা প্রকাশ করছে তারা।

চেয়ারম্যান আল আমিন ভুইয়া নির্বাচিত হওয়ার পর ইউপি সদস্য ও সচিবের সঙ্গে যোগসাজশে এ কাজ করা হচ্ছে বলে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন গ্রামবাসী। বয়স্ক ভাতার ক্ষেত্রেও চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে স্বজনপ্রীতির অভিযোগ এনেছেন তারা।
 
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, খিলা ইউনিয়নের হাতিয়ামুড়ি গ্রামের  নুর আলম তার ছেলে জাকারিয়ার জন্ম সনদ করার জন্য গত ৩০ মে  আবেদন করেন পরিষদে। জন্ম সনদ করে দেওয়ার জন্য তার কাজ থেকে ৪৫০ টাকা নেওয়া হয়। নুর আলমের ছেলের জাকারিয়ার জন্ম সনদ নামে ভুল হওয়ায় পুনরায় সংশোধনের জন্য গত ৭ জুন সোমবার ইউনিয়ন পরিষদের আসেন তিনি।

সংশোধনের জন্য নুর আলমের কাছে ৩০০ টাকা দাবি করেন চেয়ারম্যান আল আমিন ভুইয়া। নুর আলম টাকার রশিদ চাইলে তার উপর ক্ষিপ্ত হন চেয়ারম্যান। এমনকি প্রাণে মারার হুমকি দেন। এ সময় স্থানীয় সেচ্ছাসেবক লীগের যুগ্ম আহবায়ক রুহুল আমিন ও পরিষদে আসা দিশাবন্দর গ্রামের কয়েজন ভুক্তভোগী সনদকারী নুর আলমকে উদ্ধার করেন।

 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন