৩৩৩ নম্বরে ফোন দিয়েও মেলেনি ত্রাণ, গ্যারেজে নষ্ট হলো আলু-পেঁয়াজ
jugantor
৩৩৩ নম্বরে ফোন দিয়েও মেলেনি ত্রাণ, গ্যারেজে নষ্ট হলো আলু-পেঁয়াজ

  মুহ. মিজানুর রহমান বাদল, সিংগাইর (মানিকগঞ্জ)  

০৯ জুন ২০২১, ১৭:৫৬:১০  |  অনলাইন সংস্করণ

চলমান করোনা মহামারির সময়ে ৩৩৩ নম্বরে ফোন দিয়েও অনেকে খাদ্য সহায়তা পায়নি বলে অভিযোগ উঠেছে মানিকগঞ্জের সিংগাইর ইউএনওর বিরুদ্ধে। ইউএনওর গ্যারেজে পচে নষ্ট হচ্ছে জরুরি ত্রাণসামগ্রী।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, গত ৩ মে ১২১নং স্বারকমূলে মানিকগঞ্জের সিংগাইর উপজেলার জন্য দুর্যোগকালীন সময়ে জরুরি ত্রাণ সহায়তায় ১ লাখ টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়। ওই টাকায় ১০০ প্যাকেট ত্রাণ সামগ্রী কিনে ইউএনওর গাড়ি রাখার গ্যারেজ সংলগ্ন একটি কক্ষে গুদামজাত করে রাখা হয়। প্রতি প্যাকেটে ছিল- ১০ কেজি চাল, ২ কেজি ডাল, ৫ কেজি আলু, ২ কেজি পেঁয়াজ, ১ কেজি লবণ, ১ কেজি চিনি ও ২ প্যাকেট সেমাই। এর মধ্যে ঈদের আগে মাত্র ১০ প্যাকেট বিতরণ করা হয়।

এদিকে উপজেলার বিভিন্ন গ্রামের একাধিক দুস্থ ত্রাণ প্রত্যাশীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, সরকারি অফিসে ধর্না দিয়েও মেলেনি ত্রাণসামগ্রী।

বাস্তা গ্রামের জনৈক চাঁন মিয়া ও আছর উদ্দিন অভিযোগ করে বলেন, ঈদের আগে ৩৩৩ নম্বরে একাধিকবার ফোন দিয়েও পাইনি কোনো খাদ্য সহায়তা।

উপজেলা মানবিক সহায়তা কর্মসূচি বাস্তবায়ন কমিটির সদস্য সচিব ও প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা আবু নাসের বলেন, ওটাতো ইউএনওর বাসায় ছিল। আমি এ বিষয়ে কিছুই বলতে পারবো না।

এ ব্যাপারে সিংগাইর উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) রুনা লায়লা বলেন, এমন তথ্য কে দিয়েছে। ১০০ প্যাকেটের মধ্যে ৫৪ প্যাকেট বিতরণ করা হয়েছে। বাকী প্যাকেটের কিছু আলু পচে গেছে। সেগুলো কিনে বিতরণ করা হবে।

৩৩৩ নম্বরে ফোন দিয়েও মেলেনি ত্রাণ, গ্যারেজে নষ্ট হলো আলু-পেঁয়াজ

 মুহ. মিজানুর রহমান বাদল, সিংগাইর (মানিকগঞ্জ) 
০৯ জুন ২০২১, ০৫:৫৬ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

চলমান করোনা মহামারির সময়ে ৩৩৩ নম্বরে ফোন দিয়েও অনেকে খাদ্য সহায়তা পায়নি বলে অভিযোগ উঠেছে মানিকগঞ্জের সিংগাইর ইউএনওর বিরুদ্ধে। ইউএনওর গ্যারেজে পচে নষ্ট হচ্ছে জরুরি ত্রাণসামগ্রী।

সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, গত ৩ মে ১২১নং স্বারকমূলে মানিকগঞ্জের সিংগাইর উপজেলার জন্য দুর্যোগকালীন সময়ে জরুরি ত্রাণ সহায়তায় ১ লাখ টাকা বরাদ্দ দেয়া হয়। ওই টাকায় ১০০ প্যাকেট ত্রাণ সামগ্রী কিনে ইউএনওর গাড়ি রাখার গ্যারেজ সংলগ্ন একটি কক্ষে গুদামজাত করে রাখা হয়। প্রতি প্যাকেটে ছিল- ১০ কেজি চাল, ২ কেজি ডাল, ৫ কেজি আলু, ২ কেজি পেঁয়াজ, ১ কেজি লবণ, ১ কেজি চিনি ও ২ প্যাকেট সেমাই। এর মধ্যে ঈদের আগে মাত্র ১০ প্যাকেট বিতরণ করা হয়।

এদিকে উপজেলার বিভিন্ন গ্রামের একাধিক দুস্থ ত্রাণ প্রত্যাশীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, সরকারি অফিসে ধর্না দিয়েও মেলেনি ত্রাণসামগ্রী।

বাস্তা গ্রামের জনৈক চাঁন মিয়া ও আছর উদ্দিন অভিযোগ করে বলেন, ঈদের আগে ৩৩৩ নম্বরে একাধিকবার ফোন দিয়েও পাইনি কোনো খাদ্য সহায়তা।

উপজেলা মানবিক সহায়তা কর্মসূচি বাস্তবায়ন কমিটির সদস্য সচিব ও প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা আবু নাসের বলেন, ওটাতো ইউএনওর বাসায় ছিল। আমি এ বিষয়ে কিছুই বলতে পারবো না।

এ ব্যাপারে সিংগাইর উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) রুনা লায়লা বলেন, এমন তথ্য কে দিয়েছে। ১০০ প্যাকেটের মধ্যে ৫৪ প্যাকেট বিতরণ করা হয়েছে। বাকী প্যাকেটের কিছু আলু পচে গেছে। সেগুলো কিনে বিতরণ করা হবে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন