মরার পরেও নিজের টং ঘরে বসেছিলেন আতিয়ার
jugantor
মরার পরেও নিজের টং ঘরে বসেছিলেন আতিয়ার

  পীরগঞ্জ (রংপুর) প্রতিনিধি  

০৯ জুন ২০২১, ১৮:০৫:৪০  |  অনলাইন সংস্করণ

পীরগঞ্জে নিজের টং ঘরেই মরে ছিলেন মানসিক ভারসাম্যহীন আতিয়ার রহমান (৪২)। বুধবার দুপুরে উপজেলার আগা চতরা গ্রাম থেকে পীরগঞ্জ থানার পুলিশ টং ঘর থেকে বসে থাকা অবস্থায় তার লাশ উদ্ধার করে। পরে লাশটি পারিবারিকভাবে দাফন করা হয়েছে।

পুলিশ, এলাকাবাসী ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার চতরা ইউনিয়নের আগা চতরা গ্রামের মৃত আবুল হোসেনের ছেলে আতিয়ার রহমান। সে প্রায় ২৫ বছর আগে মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে ফেলায় এলাকাবাসী তাকে আতিয়ার পাগলা বলে ডাকে।

মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে ফেলায় তার স্ত্রী মালেহা বেগম প্রায় ১০ বছর আগে ছোট ছেলেকে নিয়ে বাবার বাড়ি বদনারপাড়া গ্রামে চলে যান। ফলে আতিয়ার পাগলা আগা চতরা গ্রামে একটি স্যালোমেশিনের পাশে ৪টি বাঁশের খুঁটির উপরে ২টি টিন দিয়ে টং ঘর নির্মাণ করে সেখানেই বসবাস করে আসছেন।

বুধবার এলাকাবাসী তার লাশ টং ঘরেই বসে থাকা অবস্থায় দেখতে পায়। পরে পুলিশকে খবর দেয়া হলে থানার এসআই সুদীপ্ত শাহীন ঘটনাস্থল থেকে লাশ উদ্ধার করেন।

এ ব্যাপারে এসআই সুদীপ্ত শাহীন বলেন, লাশটি বসা অবস্থায় হেলে ছিল। লাশের অবস্থা দেখে মনে হচ্ছে ২ দিন আগে স্ট্রোক করে মারা গেছে। সিনিয়র স্যার ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। আতিয়ারের মৃত্যু নিয়ে কোনো অভিযোগ না থাকায় পরিবারের পক্ষ থেকে ময়নাতদন্ত ছাড়াই লাশ দাফনের আবেদন করায় অনুমতি দেয়া হয়েছে।

মরার পরেও নিজের টং ঘরে বসেছিলেন আতিয়ার

 পীরগঞ্জ (রংপুর) প্রতিনিধি 
০৯ জুন ২০২১, ০৬:০৫ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

পীরগঞ্জে নিজের টং ঘরেই মরে ছিলেন মানসিক ভারসাম্যহীন আতিয়ার রহমান (৪২)। বুধবার দুপুরে উপজেলার আগা চতরা গ্রাম থেকে পীরগঞ্জ থানার পুলিশ টং ঘর থেকে বসে থাকা অবস্থায় তার লাশ উদ্ধার করে। পরে লাশটি পারিবারিকভাবে দাফন করা হয়েছে।

পুলিশ, এলাকাবাসী ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার চতরা ইউনিয়নের আগা চতরা গ্রামের মৃত আবুল হোসেনের ছেলে আতিয়ার রহমান। সে প্রায় ২৫ বছর আগে মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে ফেলায় এলাকাবাসী তাকে আতিয়ার পাগলা বলে ডাকে।

মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে ফেলায় তার স্ত্রী মালেহা বেগম প্রায় ১০ বছর আগে ছোট ছেলেকে নিয়ে বাবার বাড়ি বদনারপাড়া গ্রামে চলে যান। ফলে আতিয়ার পাগলা আগা চতরা গ্রামে একটি স্যালোমেশিনের পাশে ৪টি বাঁশের খুঁটির উপরে ২টি টিন দিয়ে টং ঘর নির্মাণ করে সেখানেই বসবাস করে আসছেন।

বুধবার এলাকাবাসী তার লাশ টং ঘরেই বসে থাকা অবস্থায় দেখতে পায়। পরে পুলিশকে খবর দেয়া হলে থানার এসআই সুদীপ্ত শাহীন ঘটনাস্থল থেকে লাশ উদ্ধার করেন।

এ ব্যাপারে এসআই সুদীপ্ত শাহীন বলেন, লাশটি বসা অবস্থায় হেলে ছিল। লাশের অবস্থা দেখে মনে হচ্ছে ২ দিন আগে স্ট্রোক করে মারা গেছে। সিনিয়র স্যার ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। আতিয়ারের মৃত্যু নিয়ে কোনো অভিযোগ না থাকায় পরিবারের পক্ষ থেকে ময়নাতদন্ত ছাড়াই লাশ দাফনের আবেদন করায় অনুমতি দেয়া হয়েছে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন