মাদ্রাসাছাত্রীকে শ্বাসরোধে হত্যা, চাচা পলাতক
jugantor
মাদ্রাসাছাত্রীকে শ্বাসরোধে হত্যা, চাচা পলাতক

  জগন্নাথপুর (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি  

০৯ জুন ২০২১, ২১:৩৮:২০  |  অনলাইন সংস্করণ

সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলায় সানজিদা বেগম (১৬) নামে এক মাদ্রাসাছাত্রীকে শ্বাসরোধে হত্যার অভিযোগ উঠেছে তার আপন চাচার বিরুদ্ধে।

পুলিশ বুধবার বিকালে লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য সুনামগঞ্জ মর্গে পাঠিয়েছে। ঘটনার পর থেকে তার চাচা রবিউল ইসলাম (৪২) পলাতক রয়েছেন।

পুলিশ ও নিহতের পরিবার জানায়, উপজেলার সৈয়দপুর-শাহারপাড়া ইউনিয়নের সৈয়দপুর গোয়ালাগাঁও গ্রামের সয়ফুল ইসলামের মেয়ে সানজিদা বেগম মঙ্গলবার রাতে প্রতিদিনের মতো খাওয়া-দাওয়া শেষে নিজ কক্ষে ঘুমাতে যায়।

পরিবারের দাবি, রাতের কোনো এক সময় মেয়েটির আপন চাচা রবিউল ইসলাম সানজিদার ঘরে প্রবেশ করে শ্বাসরোধ করে মেয়েটিকে হত্যা করে পালিয়ে যায়। ভোরে মেয়েটির নিথর দেহ বিছানায় পড়ে থাকতে দেখেন পরিবারের লোকজন।

পরিবারের লোকজন জানান, সয়ফুল ইসলামের চার ভাইয়ের মধ্যে এক ভাই যুক্তরাজ্যে বসবাস করেন। ওই প্রবাসী নিঃসন্তান হওয়ায় মেয়েটিকে তিনি নিজের মেয়ের মতো আদর যত্ন করে সংসারের ভরণ-পোষণের টাকা মেয়েটির কাছে পাঠাতেন। এ নিয়ে ঘাতক ভাইয়ের সঙ্গে বিরোধ চলছিল।

কিছুদিন আগে এসব নিয়ে বিরোধের জের ধরে স্ত্রী সন্তান নিয়ে তিনি শ্বশুর বাড়ি চলে যান। মঙ্গলবার বাড়ি ফিরে এ ঘটনা ঘটান মেয়েটির আপন চাচা রবিউল ইসলাম।

নিহত মাদরাসাছাত্রীর বড়ভাই হাম্মাদ আহমদ বলেন, আমাদের ধারণা চাচাই আমার বোনকে হত্যা করে পালিয়েছে। আমার বোন সৈয়দপুর মহিলা টাইটেল মাদসার ৮ম শ্রেণির ছাত্রী ছিল।

নিহত মাদ্রাসাছাত্রীর মা সৈয়দা ছালেহা বেগম কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, ঘাতক আমার মেয়েকে বালিশচাপা দিয়ে হত্যা করেছে।

জগন্নাথপুর থানার ওসি ইখতিয়ার উদ্দিন যুগান্তরকে বলেন, ধারণা করা হচ্ছে মেয়েটিকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে। আমরা লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য সুনামগঞ্জ মর্গে পাঠিয়েছি।

মাদ্রাসাছাত্রীকে শ্বাসরোধে হত্যা, চাচা পলাতক

 জগন্নাথপুর (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি 
০৯ জুন ২০২১, ০৯:৩৮ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুর উপজেলায় সানজিদা বেগম (১৬) নামে এক মাদ্রাসাছাত্রীকে শ্বাসরোধে হত্যার অভিযোগ উঠেছে তার আপন চাচার বিরুদ্ধে।

পুলিশ বুধবার বিকালে লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য সুনামগঞ্জ মর্গে পাঠিয়েছে। ঘটনার পর থেকে তার চাচা রবিউল ইসলাম (৪২) পলাতক রয়েছেন।

পুলিশ ও নিহতের পরিবার জানায়, উপজেলার সৈয়দপুর-শাহারপাড়া ইউনিয়নের সৈয়দপুর গোয়ালাগাঁও গ্রামের সয়ফুল ইসলামের মেয়ে সানজিদা বেগম মঙ্গলবার রাতে প্রতিদিনের মতো খাওয়া-দাওয়া শেষে নিজ কক্ষে ঘুমাতে যায়।

পরিবারের দাবি, রাতের কোনো এক সময় মেয়েটির আপন চাচা রবিউল ইসলাম সানজিদার ঘরে প্রবেশ করে শ্বাসরোধ করে মেয়েটিকে হত্যা করে পালিয়ে যায়। ভোরে মেয়েটির নিথর দেহ বিছানায় পড়ে থাকতে দেখেন পরিবারের লোকজন।

পরিবারের লোকজন জানান, সয়ফুল ইসলামের চার ভাইয়ের মধ্যে এক ভাই যুক্তরাজ্যে বসবাস করেন। ওই প্রবাসী নিঃসন্তান হওয়ায় মেয়েটিকে তিনি নিজের মেয়ের মতো আদর যত্ন করে সংসারের ভরণ-পোষণের টাকা মেয়েটির কাছে পাঠাতেন। এ নিয়ে ঘাতক ভাইয়ের সঙ্গে বিরোধ চলছিল। 

কিছুদিন আগে এসব নিয়ে বিরোধের জের ধরে স্ত্রী সন্তান নিয়ে তিনি শ্বশুর বাড়ি চলে যান। মঙ্গলবার বাড়ি ফিরে এ ঘটনা ঘটান মেয়েটির আপন চাচা রবিউল ইসলাম।

নিহত মাদরাসাছাত্রীর বড়ভাই হাম্মাদ আহমদ বলেন, আমাদের ধারণা চাচাই আমার বোনকে হত্যা করে পালিয়েছে। আমার বোন সৈয়দপুর মহিলা টাইটেল মাদসার ৮ম শ্রেণির ছাত্রী ছিল।

নিহত মাদ্রাসাছাত্রীর মা সৈয়দা ছালেহা বেগম কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, ঘাতক আমার মেয়েকে বালিশচাপা দিয়ে হত্যা করেছে।

জগন্নাথপুর থানার ওসি ইখতিয়ার উদ্দিন যুগান্তরকে বলেন, ধারণা করা হচ্ছে মেয়েটিকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে। আমরা লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য সুনামগঞ্জ মর্গে পাঠিয়েছি।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন