সিএইচসিপির বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলা
jugantor
সিএইচসিপির বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলা

  মদন (নেত্রকোনা) প্রতিনিধি  

০৯ জুন ২০২১, ২১:৫৬:১৯  |  অনলাইন সংস্করণ

নেত্রকোনায় মদনে মাঘান কমিউনিটি ক্লিনিকে কর্মরত সিএইচসিপি নাজমুলের বিরুদ্ধে নেত্রকোনা কোর্টে ধর্ষণ মামলা দায়ের করেছেন এক তরুণী। বুধবার ওই তরুণীকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য নেত্রকোনা আধুনিক সদর হাসপাতালে প্রেরণ করেছে পুলিশ।

মামলা সূত্রে জানা যায়, গত ১৩ এপ্রিল মাঘান গ্রামের রফিকুল ইসলাম আঞ্ছু মিয়ার ছেলে কমিউনিটি হেলথ কেয়ার প্রোভাইডার নাজমুল(৩০) ওই তরুণীর ঘরে অনৈতিক করে। এ সময় এলাকাবাসী তাদেরকে আটক করে রাখে। এক দিন আটক থাকার পর এলাকার মাতবররা বিষয়টি অর্থের বিনিময়ে মৌখিকভাবে মীমাংসা করে।

ওই তরুণীর পরিবার মৌখিক মীমাংসা না মেনে ৬ জুন নেত্রকোনা কোর্টে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে নাজমুলকে আসামি করে একটি ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন। মামলাটি থানায় প্রেরণ করলে বুধবার ওই তরুণীকে মদন থানার পুলিশ ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য নেত্রকোনা আধুনিক সদর হাসপাতালে প্রেরণ করেন।

এ ব্যাপারে ওই তরুণী মোবাইল ফোনে জানান, ১৩ এপ্রিল নাজমুলের সঙ্গে ঘটনায় ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য বুধবার নেত্রকোনা হাসপাতালে এসেছি। আমার ডাক্তারি পরীক্ষা হয়েছে।

স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. হাসানুল হক জানান, আমার সিএইচসিপি যদি এমন ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকে এবং ভিকটিমের পক্ষ থেকে যদি আমাকে লিখিতভাবে জানায় তাহলে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের বরাবর প্রেরণ করা হবে।

মাঘান ইউপি চেয়ারম্যান জিএম সামছুল আলম চৌধুরী কায়কোবাদ জানান, ঘটনাটি অনেক আগের। আমি ছেলের বাবা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আঞ্ছু ডাক্তারকে বলেছি আপনাদের সঙ্গে দেখা করবে।

ওসি ফেরদৌস আলম জানান, এ ব্যাপারে ভিকটিম নেত্রকোনা কোর্টে নাজমুলকে আসামি করে একটি ধর্ষণ মামলা দায়ের করেছেন। ভিকটিমকে বুধবার ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য নেত্রকোনা হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে। মামলাটির তদন্ত করা হচ্ছে।

সিএইচসিপির বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলা

 মদন (নেত্রকোনা) প্রতিনিধি 
০৯ জুন ২০২১, ০৯:৫৬ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

নেত্রকোনায় মদনে মাঘান কমিউনিটি ক্লিনিকে কর্মরত সিএইচসিপি নাজমুলের বিরুদ্ধে নেত্রকোনা কোর্টে ধর্ষণ মামলা দায়ের করেছেন এক তরুণী। বুধবার ওই তরুণীকে ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য নেত্রকোনা আধুনিক সদর হাসপাতালে প্রেরণ করেছে পুলিশ। 

মামলা সূত্রে জানা যায়, গত ১৩ এপ্রিল মাঘান গ্রামের রফিকুল ইসলাম আঞ্ছু মিয়ার ছেলে কমিউনিটি হেলথ কেয়ার প্রোভাইডার নাজমুল (৩০) ওই তরুণীর ঘরে অনৈতিক করে। এ সময় এলাকাবাসী তাদেরকে আটক করে রাখে। এক দিন আটক থাকার পর এলাকার মাতবররা বিষয়টি অর্থের বিনিময়ে মৌখিকভাবে মীমাংসা করে।

ওই তরুণীর পরিবার মৌখিক মীমাংসা না মেনে ৬ জুন নেত্রকোনা কোর্টে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে নাজমুলকে আসামি করে একটি ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন। মামলাটি থানায় প্রেরণ করলে বুধবার ওই তরুণীকে মদন থানার পুলিশ ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য নেত্রকোনা আধুনিক সদর হাসপাতালে প্রেরণ করেন।

এ ব্যাপারে ওই তরুণী মোবাইল ফোনে জানান, ১৩ এপ্রিল নাজমুলের সঙ্গে ঘটনায় ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য বুধবার নেত্রকোনা হাসপাতালে এসেছি।  আমার ডাক্তারি পরীক্ষা হয়েছে। 

স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. হাসানুল হক জানান, আমার সিএইচসিপি যদি এমন ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকে এবং ভিকটিমের পক্ষ থেকে যদি আমাকে লিখিতভাবে জানায় তাহলে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের বরাবর প্রেরণ করা হবে।

মাঘান ইউপি চেয়ারম্যান জিএম সামছুল আলম চৌধুরী কায়কোবাদ জানান, ঘটনাটি অনেক আগের। আমি ছেলের বাবা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আঞ্ছু ডাক্তারকে বলেছি আপনাদের সঙ্গে দেখা করবে।

ওসি ফেরদৌস আলম জানান, এ ব্যাপারে ভিকটিম নেত্রকোনা কোর্টে নাজমুলকে আসামি করে একটি ধর্ষণ মামলা দায়ের করেছেন। ভিকটিমকে বুধবার ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য নেত্রকোনা হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়েছে। মামলাটির তদন্ত করা হচ্ছে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন