যুবদল নেতার যুবলীগে পদ, দশমিনার রাজনীতিতে তোলপাড়
jugantor
যুবদল নেতার যুবলীগে পদ, দশমিনার রাজনীতিতে তোলপাড়

  দশমিনা দক্ষিণ (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি  

১০ জুন ২০২১, ১৭:১৭:৫২  |  অনলাইন সংস্করণ

জুয়েল আমিন মোল্লা নামে এক যুবদল নেতার যুবলীগে পদ পাওয়া নিয়ে যুগান্তরে সংবাদ প্রকাশের পর পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলা যুবলীগের রাজনীতিতে তোলপাড়ের সৃষ্টি হয়েছে।

নিজের যুবলীগের পদ বাঁচাতে মরিয়া হয়ে কেন্দ্রীয় যুবলীগের দ্বারস্থ হচ্ছেন ওই নেতা। যুবদল নেতাকে যুবলীগ প্রমাণে কয়েক দিন ধরে তৎপরতা চালাচ্ছে একাধিক মহল। নিজের নাম নিয়ে ধূম্রজাল সৃষ্টি করছেন যুবলীগে পদ পাওয়া ওই বিতর্কিত নেতা নেজেই।

উপজেলা যুবলীগের সভাপতি নাসির পালোয়ান সাবেক বিএনপি নেতার ছেলে ও তার বিরুদ্ধে কমিটি বাণিজ্যের অভিযোগ করেছেন এক যুবলীগ নেতা।

জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে যুবদলের রাজনীতি করেও ২০১৮ সালে উপজেলা যুবলীগের পূর্ণাঙ্গ কমিটিতে সহ-সভাপতির মতো গুরুত্বপূর্ণ পদ পান উপজেলা যুবদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক জুয়েল আমিন মোল্লা। এতে পদবঞ্চিত যুবলীগের নেতাদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। অভিযোগ ওঠে টাকার বিনিময়ে পদ দেয়ার।

এদিকে সংবাদ প্রকাশের পর নিজের নাম নিয়ে ধূম্রজালের সৃষ্টি করেছেন সাবেক ওই যুবদল নেতা। তিনি দাবি করেন তার নাম মো. জুয়েল আর ডাক নাম জুয়েল মোল্লা। কিন্তু নিজেকে যুবলীগের সহ-সভাপতি দাবি করা ওই যুবলীগ নেতার পূর্ণাঙ্গ কমিটিতে নাম জুয়েল আমিন মোল্লা।

২০১১ সালের উপজেলা যুবদলের সম্মেলনের পৃথক দুটি পোস্টারে যুগ্ম আহ্বায়ক পদে দেখা যায় ওই যুবদল নেতার নাম একটিতে জুলফু মোল্লা জুয়েল ও অপরদিকে জুয়েল মোল্লা এবং উপজেলা বিএনপির কমিটির একটি কাগজে লেখা জুয়েল আমিন মোল্লা।

তিনি যদি মো. জুয়েল বা জুয়েল মোল্লা হন তাহলে তিনি তো উপজেলা যুবলীগের কেউ নন- এমন প্রশ্নের কোনো সদুত্তর দিতে পারেননি তিনি। আবার যদি তিনি জুয়েল মোল্লা হন তাহলে তো তিনি উপজেলা যুবদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক ছিলেন- এমন প্রশ্নেরও কোন সদুত্তর দিতে পারেননি ওই নেতা।

নিজের নাম নিয়ে ধূম্রজাল থাকার পর তিনি যুবলীগের সহ-সভাপতির পরিচয় দিচ্ছেন কীভাবে তা জানতে চাইলে জুয়েল আমিন মোল্লা জানান, তিনি এখনো যুবলীগের কমিটির কাগজ দেখেননি।

সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান ও সাবেক উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক মো. ফখরুজ্জামান বাদল জানান, যে নামে ডাকা হোক না কেন। অভিযোগ ওঠা ওই যুবলীগ নেতা তাদের সঙ্গে বিএনপির রাজনীতিতে যুক্ত ছিলেন।

উপজেলা যুবলীগ নেতা পাভেল খান যুগান্তরের কাছে মোবাইলে অভিযোগ করে জানান, উপজেলা যুবলীগের সভাপতি নাসির উদ্দিন পালোয়ানের বাবা ইদ্রিস পালোয়ান উপজেলা বিএনপির সাবেক সদস্য ছিলেন। তার ছেলে উপজেলা যুবলীগের সভাপতি হয়েছেন। নাসির পালোয়ান সভাপতি হওয়ার পর টাকার বিনিময়ে উপজেলা ও ইউনিয়ন যুবলীগের কমিটিতে বিএনপির লোকজন অনুপ্রবেশ করিয়েছেন। তিনি যুবলীগের কমিটি নিয়ে বাণিজ্য করেছেন।

এ বিষয় বক্তব্য নেয়ার জন্য উপজেলা যুবলীগের সভাপতি নাসির পালোয়ানের মোবাইলে কল দেয়া হলে তিনি বলেন, আমি পরে ফোন দিচ্ছি।

যুবদল নেতার যুবলীগে পদ, দশমিনার রাজনীতিতে তোলপাড়

 দশমিনা দক্ষিণ (পটুয়াখালী) প্রতিনিধি 
১০ জুন ২০২১, ০৫:১৭ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

জুয়েল আমিন মোল্লা নামে এক যুবদল নেতার যুবলীগে পদ পাওয়া নিয়ে যুগান্তরে সংবাদ প্রকাশের পর পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলা যুবলীগের রাজনীতিতে তোলপাড়ের সৃষ্টি হয়েছে।

নিজের যুবলীগের পদ বাঁচাতে মরিয়া হয়ে কেন্দ্রীয় যুবলীগের দ্বারস্থ হচ্ছেন ওই নেতা। যুবদল নেতাকে যুবলীগ প্রমাণে কয়েক দিন ধরে তৎপরতা চালাচ্ছে একাধিক মহল। নিজের নাম নিয়ে ধূম্রজাল সৃষ্টি করছেন যুবলীগে পদ পাওয়া ওই বিতর্কিত নেতা নেজেই।

উপজেলা যুবলীগের সভাপতি নাসির পালোয়ান সাবেক বিএনপি নেতার ছেলে ও তার বিরুদ্ধে কমিটি বাণিজ্যের অভিযোগ করেছেন এক যুবলীগ নেতা।

জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে যুবদলের রাজনীতি করেও ২০১৮ সালে উপজেলা যুবলীগের পূর্ণাঙ্গ কমিটিতে সহ-সভাপতির মতো গুরুত্বপূর্ণ পদ পান উপজেলা যুবদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক জুয়েল আমিন মোল্লা। এতে পদবঞ্চিত যুবলীগের নেতাদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। অভিযোগ ওঠে টাকার বিনিময়ে পদ দেয়ার।

এদিকে সংবাদ প্রকাশের পর নিজের নাম নিয়ে ধূম্রজালের সৃষ্টি করেছেন সাবেক ওই যুবদল নেতা। তিনি দাবি করেন তার নাম মো. জুয়েল আর ডাক নাম জুয়েল মোল্লা। কিন্তু নিজেকে যুবলীগের সহ-সভাপতি দাবি করা ওই যুবলীগ নেতার পূর্ণাঙ্গ কমিটিতে নাম জুয়েল আমিন মোল্লা।

২০১১ সালের উপজেলা যুবদলের সম্মেলনের পৃথক দুটি পোস্টারে যুগ্ম আহ্বায়ক পদে দেখা যায় ওই যুবদল নেতার নাম একটিতে জুলফু মোল্লা জুয়েল ও অপরদিকে জুয়েল মোল্লা এবং উপজেলা বিএনপির কমিটির একটি কাগজে লেখা জুয়েল আমিন মোল্লা।

তিনি যদি মো. জুয়েল বা জুয়েল মোল্লা হন তাহলে তিনি তো উপজেলা যুবলীগের কেউ নন- এমন প্রশ্নের কোনো সদুত্তর দিতে পারেননি তিনি। আবার যদি তিনি জুয়েল মোল্লা হন তাহলে তো তিনি উপজেলা যুবদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক ছিলেন- এমন প্রশ্নেরও কোন সদুত্তর দিতে পারেননি ওই নেতা।

নিজের নাম নিয়ে ধূম্রজাল থাকার পর তিনি যুবলীগের সহ-সভাপতির পরিচয় দিচ্ছেন কীভাবে তা জানতে চাইলে জুয়েল আমিন মোল্লা জানান, তিনি এখনো যুবলীগের কমিটির কাগজ দেখেননি।

সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান ও সাবেক উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক মো. ফখরুজ্জামান বাদল জানান, যে নামে ডাকা হোক না কেন। অভিযোগ ওঠা ওই যুবলীগ নেতা তাদের সঙ্গে বিএনপির রাজনীতিতে যুক্ত ছিলেন।

উপজেলা যুবলীগ নেতা পাভেল খান যুগান্তরের কাছে মোবাইলে অভিযোগ করে জানান, উপজেলা যুবলীগের সভাপতি নাসির উদ্দিন পালোয়ানের বাবা ইদ্রিস পালোয়ান উপজেলা বিএনপির সাবেক সদস্য ছিলেন। তার ছেলে উপজেলা যুবলীগের সভাপতি হয়েছেন। নাসির পালোয়ান সভাপতি হওয়ার পর টাকার বিনিময়ে উপজেলা ও ইউনিয়ন যুবলীগের কমিটিতে বিএনপির লোকজন অনুপ্রবেশ করিয়েছেন। তিনি যুবলীগের কমিটি নিয়ে বাণিজ্য করেছেন।

এ বিষয় বক্তব্য নেয়ার জন্য উপজেলা যুবলীগের সভাপতি নাসির পালোয়ানের মোবাইলে কল দেয়া হলে তিনি বলেন, আমি পরে ফোন দিচ্ছি।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
আরও খবর
 
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন