চাপাতির ভয় দেখিয়ে ভাড়াটিয়াকে ধর্ষণ
jugantor
চাপাতির ভয় দেখিয়ে ভাড়াটিয়াকে ধর্ষণ

  অভয়নগর (যশোর) প্রতিনিধি  

১০ জুন ২০২১, ২০:৪৬:২০  |  অনলাইন সংস্করণ

যশোরের অভয়নগরে ধারালো অস্ত্র (চাপাতি) দেখিয়ে ৩০ বছর বয়সী দুই সন্তানের জননীকে ধর্ষণের অভিযোগে বিটু আহমেদ (৪০) নামের এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার ভোরে উপজেলার মশরহাটি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

মশরহাটি গ্রামের মৃত আবদুল ওহাবের ছেলে বিটু আহমেদের বাড়ির ভাড়াটিয়া ছিলেন ধর্ষণের শিকার ওই নারী। এ ঘটনায় অভয়নগর থানায় মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

ধর্ষণের শিকার ওই নারী জানান, কয়েক বছর আগে তার স্বামী দুই সন্তান ও তাকে ফেলে রেখে আরেকটি বিয়ে করে অন্যত্র চলে যান। এরপর থেকে তিনি সন্তানদের নিয়ে ওই বাড়িতে ভাড়া থাকতেন। বৃহস্পতিবার ফজরের নামাজের পর বাড়ির মালিক বিটু তার ঘরের দরজা খুলতে বলেন। দরজা খুললে মাংস কাটার ধারালো চাপাতি দেখিয়ে তাকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। বিষয়টি জানাজানি করলে বিটু তাকে ও তার দুই কন্যাসন্তানকে হত্যা করবে বলেও হুমকি দেন।

তিনি জানান, সকালে তিনি কৌশলে পালিয়ে অভয়নগর থানায় আসেন এবং বিটু আহমেদের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ করেন।

এ ব্যাপারে অভয়নগর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মিলন কুমার মণ্ডল জানান, ধর্ষণের অভিযোগে বিটু আহমেদ নামের এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ধর্ষণের এ মামলাটি প্রক্রিয়াধীন আছে। মেডিকেলের জন্য ওই নারীকে যশোর সদর হাসপাতালে প্রেরণের প্রস্তুতি চলছে।

তবে বিটু আহমেদ তার বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, আমার বাড়ির ভাড়াটিয়া ওই নারী আমাকে জড়িয়ে মিথ্যা অভিযোগ করেছেন। এ ঘটনার সঙ্গে আমি জড়িত নই। আমার বিরুদ্ধে পরিকল্পিতভাবে ষড়যন্ত্র করা হয়েছে।

চাপাতির ভয় দেখিয়ে ভাড়াটিয়াকে ধর্ষণ

 অভয়নগর (যশোর) প্রতিনিধি 
১০ জুন ২০২১, ০৮:৪৬ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

যশোরের অভয়নগরে ধারালো অস্ত্র (চাপাতি) দেখিয়ে ৩০ বছর বয়সী দুই সন্তানের জননীকে ধর্ষণের অভিযোগে বিটু আহমেদ (৪০) নামের এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার ভোরে উপজেলার মশরহাটি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

মশরহাটি গ্রামের মৃত আবদুল ওহাবের ছেলে বিটু আহমেদের বাড়ির ভাড়াটিয়া ছিলেন ধর্ষণের শিকার ওই নারী। এ ঘটনায় অভয়নগর থানায় মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

ধর্ষণের শিকার ওই নারী জানান, কয়েক বছর আগে তার স্বামী দুই সন্তান ও তাকে ফেলে রেখে আরেকটি বিয়ে করে অন্যত্র চলে যান। এরপর থেকে তিনি সন্তানদের নিয়ে ওই বাড়িতে ভাড়া থাকতেন। বৃহস্পতিবার ফজরের নামাজের পর বাড়ির মালিক বিটু তার ঘরের দরজা খুলতে বলেন। দরজা খুললে মাংস কাটার ধারালো চাপাতি দেখিয়ে তাকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। বিষয়টি জানাজানি করলে বিটু তাকে ও তার দুই কন্যাসন্তানকে হত্যা করবে বলেও হুমকি দেন।

তিনি জানান, সকালে তিনি কৌশলে পালিয়ে অভয়নগর থানায় আসেন এবং বিটু আহমেদের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ করেন।

এ ব্যাপারে অভয়নগর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মিলন কুমার মণ্ডল জানান, ধর্ষণের অভিযোগে বিটু আহমেদ নামের এক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ধর্ষণের এ মামলাটি প্রক্রিয়াধীন আছে। মেডিকেলের জন্য ওই নারীকে যশোর সদর হাসপাতালে প্রেরণের প্রস্তুতি চলছে।

তবে বিটু আহমেদ তার বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, আমার বাড়ির ভাড়াটিয়া ওই নারী আমাকে জড়িয়ে মিথ্যা অভিযোগ করেছেন। এ ঘটনার সঙ্গে আমি জড়িত নই। আমার বিরুদ্ধে পরিকল্পিতভাবে ষড়যন্ত্র করা হয়েছে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন