করোনা উপসর্গ নিয়েই বিয়ের পিঁড়িতে কনে, গায়েহলুদের দিন হঠাৎ মৃত্যু
jugantor
করোনা উপসর্গ নিয়েই বিয়ের পিঁড়িতে কনে, গায়েহলুদের দিন হঠাৎ মৃত্যু

  মাধবপুর (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি  

১১ জুন ২০২১, ১৫:১৯:৪৯  |  অনলাইন সংস্করণ

করোনা

বেনারসি শাড়ি পরে শ্বশুরবাড়ি যাওয়ার কথা ছিল সুইটির। বাড়িতেও ধুমধামের সঙ্গে চলছিল সব আয়োজন। কিন্তু বিয়ের আগে গায়েহলুদের দিন জ্বর, ঠাণ্ডা ও গলা ব্যথা নিয়ে মৃত্যু হলো তার। বিয়ের আনন্দ মুহূর্তেই পরিণত হলো শোকে।

বৃহস্পতিবার হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার বাড়াচান্দুরা গ্রামে এ ঘটনা ঘটেছে।

মৃত সুইটি আক্তার ওই এলাকার মো. রশিদ মিয়ার মেয়ে।

জানা গেছে, কিছুদিন ধরে জ্বর, ঠাণ্ডা ও গলা ব্যথায় ভুগছিলেন সুইটি। এরই মধ্যে তার বিয়ে ঠিক হয় ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলার শাহজাদপুরের মো. শহীদ মিয়ার ছেলে স্বপন মিয়ার সঙ্গে।

শুক্রবার লাল বেনারসি পরে শ্বশুরবাড়ি যাওয়ার কথা ছিল সুইটির। বৃহস্পতিবার বাড়িতে চলছিল গায়েহলুদের আনন্দ। হঠাৎ তিনি অসুস্থ হয়ে পড়লে স্থানীয় বেসরকারি ক্লিনিকে নেয়া হয় তাকে।

সেখান থেকে চিকিৎসক ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করেন। সবশেষে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেন চিকিৎসকরা। দুপুরে অ্যাম্বুলেন্সে করে ঢাকায় নেয়ার পথে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল এলাকায় মৃত্যু হয় সুইটি আক্তারের। পরে লাশ বাড়িতে নিয়ে বিকালে জানাজা ও দাফন করা হয়।

করোনা উপসর্গ নিয়েই বিয়ের পিঁড়িতে কনে, গায়েহলুদের দিন হঠাৎ মৃত্যু

 মাধবপুর (হবিগঞ্জ) প্রতিনিধি 
১১ জুন ২০২১, ০৩:১৯ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
করোনা
ছবি-যুগান্তর

বেনারসি শাড়ি পরে শ্বশুরবাড়ি যাওয়ার কথা ছিল সুইটির। বাড়িতেও ধুমধামের সঙ্গে চলছিল সব আয়োজন। কিন্তু বিয়ের আগে গায়েহলুদের দিন জ্বর, ঠাণ্ডা ও গলা ব্যথা নিয়ে মৃত্যু হলো তার। বিয়ের আনন্দ মুহূর্তেই পরিণত হলো শোকে। 

বৃহস্পতিবার হবিগঞ্জের মাধবপুর উপজেলার বাড়াচান্দুরা গ্রামে এ ঘটনা ঘটেছে।

মৃত সুইটি আক্তার ওই এলাকার মো. রশিদ মিয়ার মেয়ে। 

জানা গেছে, কিছুদিন ধরে জ্বর, ঠাণ্ডা ও গলা ব্যথায় ভুগছিলেন সুইটি। এরই মধ্যে তার বিয়ে ঠিক হয় ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল উপজেলার শাহজাদপুরের মো. শহীদ মিয়ার ছেলে স্বপন মিয়ার সঙ্গে। 

শুক্রবার লাল বেনারসি পরে শ্বশুরবাড়ি যাওয়ার কথা ছিল সুইটির। বৃহস্পতিবার বাড়িতে চলছিল গায়েহলুদের আনন্দ। হঠাৎ তিনি অসুস্থ হয়ে পড়লে স্থানীয় বেসরকারি ক্লিনিকে নেয়া হয় তাকে। 

সেখান থেকে চিকিৎসক ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর হাসপাতালে স্থানান্তর করেন। সবশেষে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকায় পাঠানোর সিদ্ধান্ত নেন চিকিৎসকরা। দুপুরে অ্যাম্বুলেন্সে করে ঢাকায় নেয়ার পথে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল এলাকায় মৃত্যু হয় সুইটি আক্তারের। পরে লাশ বাড়িতে নিয়ে বিকালে জানাজা ও দাফন করা হয়।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন