রাজশাহীতে পুলিশের বিরুদ্ধে ২ প্রকৌশলীকে হেনস্তার অভিযোগ
jugantor
রাজশাহীতে পুলিশের বিরুদ্ধে ২ প্রকৌশলীকে হেনস্তার অভিযোগ

  রাজশাহী ব্যুরো  

১১ জুন ২০২১, ১৫:৩৮:০৩  |  অনলাইন সংস্করণ

রাজশাহীতে পুলিশের বিরুদ্ধে দুই প্রকৌশলীকে হেনস্তার এবং উন্নয়ন কাজে বাধা সৃষ্টির অভিযোগ উঠেছে।

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় জেলার বাগমারায় একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের বহুতল ভবনের নির্মাণকাজ পরিদর্শন শেষে রাজশাহী ফেরার পথে এ ঘটনা ঘটে।

এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট দপ্তরের প্রকৌশলীদের মধ্যে ক্ষোভ এবং অসন্তোষ বিরাজ করছে।

হেনস্তার শিকার ওই দুই প্রকৌশলী হলেন- শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর রাজশাহীর সহকারী প্রকৌশলী সুমন রানা (৩৮) ও জেলার বাগমারা উপজেলার উপসহকারী প্রকৌশলী মিজানুর রহমান মিজান (৩৫)। তবে দুই প্রকৌশলীকে হেনন্তার অভিযোগ অস্বীকার করেছে পুলিশ।

প্রকৌশলী সুমন রানা যুগান্তরকে জানান, বাগমারায় সৈয়দা ময়েজ উদ্দিন বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ে চারতলা ভবন নির্মাণের কাজ চলছে। ভবনটির দ্বিতীয় তলার ছাদ ঢালাইয়ের কাজ ছিল বৃহস্পতিবার। এ কারণে ওই দিন সকাল সাড়ে সাতটায় তিনিসহ প্রকৌশলী মিজান একটি প্রাইভেটকারে রাজশাহী থেকে বাগমারা রওনা হন। ঢালাইয়ের কাজ শেষে রাজশাহী ফেরার সময় নওহাটা ব্রিজের কাছে সন্ধ্যা ৭টার দিকে পবা থানার এএসআই ওলিউল আলম তাদের গাড়িটি আটকান।

তিনি বলেন, এরপর ওই পুলিশ কর্মকর্তা আমাদের গাড়ি থেকে নেমে আসতে বলেন। আমরা গাড়ি থেকে নামলে লকডাউনের সময় গাড়ি নিয়ে রাজশাহীর বাইরে কেন, এ বিষয়ে জানতে চান। আমরা শিক্ষা প্রকৌশলী অধিদপ্তরের প্রকৌশলী পরিচয় দিলে তিনি এ সময় আমাদের সঙ্গে অসদাচরণ করেন এবং থানায় নিয়ে যেতে উদ্যত হন। একপর্যায়ে আমি শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর রাজশাহীর নির্বাহী প্রকৌশলী রেজাউল ইসলামকে বিষয়টি অবহিত করি। এরপরও এএসআই ওলিউল আলম আমাদের সঙ্গে অসদাচরণ করতে থাকেন। আধা ঘণ্টা পর আমাদের ছাড়েন।

এ বিষয়ে শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর রাজশাহীর নির্বাহী প্রকৌশলী রেজাউল ইসলাম বলেন, আমার দপ্তরের দুজন প্রকৌশলীকে সরকারি দায়িত্ব পালনের সময় আটক করেছে পুলিশ। এ সময় ওই পুলিশ কর্মকর্তাকে আমি ফোন দিয়ে ওই দুই প্রকৌশলীকে ছেড়ে দেওয়ার জন্য বলেছি। এ সময় আমার সঙ্গেও ওই পুলিশ কর্মকর্তা অসদাচরণ করেন। লকডাউনের সময়ও উন্নয়ন কর্মকাণ্ড চলমান থাকবে বলে সরকারিভাবে কঠোর নির্দেশনা রয়েছে। এরপরও ওই পুলিশ কর্মকর্তা দায়িত্ব পালনরত দুজন প্রকৌশলীর সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করেছেন। সরকারি কাজে বাধা দিয়েছেন। আমরা ওই পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তাদের হস্তক্ষেপ দাবি করছি।

তবে অভিযোগ অস্বীকার করে পবা থানার ওসি (তদন্ত) বানী ইসরাইল বলেন, দুই প্রকৌশলীকে হেনস্তা বা তাদের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগ সঠিক না। তাদেরকে শুধুমাত্র জিঙ্গিাসাবাদ করা হয়েছে। এরপর তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।

রাজশাহীতে পুলিশের বিরুদ্ধে ২ প্রকৌশলীকে হেনস্তার অভিযোগ

 রাজশাহী ব্যুরো 
১১ জুন ২০২১, ০৩:৩৮ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

রাজশাহীতে পুলিশের বিরুদ্ধে দুই প্রকৌশলীকে হেনস্তার এবং উন্নয়ন কাজে বাধা সৃষ্টির অভিযোগ উঠেছে। 

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় জেলার বাগমারায় একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের বহুতল ভবনের নির্মাণকাজ পরিদর্শন শেষে রাজশাহী ফেরার পথে এ ঘটনা ঘটে। 

এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট দপ্তরের প্রকৌশলীদের মধ্যে ক্ষোভ এবং অসন্তোষ বিরাজ করছে।  

হেনস্তার শিকার ওই দুই প্রকৌশলী হলেন- শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর রাজশাহীর সহকারী প্রকৌশলী সুমন রানা (৩৮) ও জেলার বাগমারা উপজেলার উপসহকারী প্রকৌশলী মিজানুর রহমান মিজান (৩৫)। তবে দুই প্রকৌশলীকে হেনন্তার অভিযোগ অস্বীকার করেছে পুলিশ।

প্রকৌশলী সুমন রানা যুগান্তরকে জানান, বাগমারায় সৈয়দা ময়েজ উদ্দিন বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ে চারতলা ভবন নির্মাণের কাজ চলছে। ভবনটির দ্বিতীয় তলার ছাদ ঢালাইয়ের কাজ ছিল বৃহস্পতিবার। এ কারণে ওই দিন সকাল সাড়ে সাতটায় তিনিসহ প্রকৌশলী মিজান একটি প্রাইভেটকারে রাজশাহী থেকে বাগমারা রওনা হন। ঢালাইয়ের কাজ শেষে  রাজশাহী ফেরার সময় নওহাটা ব্রিজের কাছে সন্ধ্যা ৭টার দিকে পবা থানার এএসআই ওলিউল আলম তাদের গাড়িটি আটকান। 

তিনি বলেন, এরপর ওই পুলিশ কর্মকর্তা আমাদের গাড়ি থেকে নেমে আসতে বলেন। আমরা গাড়ি থেকে নামলে লকডাউনের সময় গাড়ি নিয়ে রাজশাহীর বাইরে কেন, এ বিষয়ে জানতে চান। আমরা শিক্ষা প্রকৌশলী অধিদপ্তরের প্রকৌশলী পরিচয় দিলে তিনি এ সময় আমাদের সঙ্গে অসদাচরণ করেন এবং থানায় নিয়ে যেতে উদ্যত হন। একপর্যায়ে আমি শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর রাজশাহীর নির্বাহী প্রকৌশলী রেজাউল ইসলামকে বিষয়টি অবহিত করি। এরপরও এএসআই ওলিউল আলম আমাদের সঙ্গে অসদাচরণ করতে থাকেন। আধা ঘণ্টা পর আমাদের ছাড়েন।

এ বিষয়ে শিক্ষা প্রকৌশল অধিদপ্তর রাজশাহীর নির্বাহী প্রকৌশলী রেজাউল ইসলাম বলেন, আমার দপ্তরের দুজন প্রকৌশলীকে সরকারি দায়িত্ব পালনের সময় আটক করেছে পুলিশ। এ সময় ওই পুলিশ কর্মকর্তাকে আমি ফোন দিয়ে ওই দুই প্রকৌশলীকে ছেড়ে দেওয়ার জন্য বলেছি। এ সময় আমার সঙ্গেও ওই পুলিশ কর্মকর্তা অসদাচরণ করেন। লকডাউনের সময়ও উন্নয়ন কর্মকাণ্ড চলমান থাকবে বলে সরকারিভাবে কঠোর নির্দেশনা রয়েছে। এরপরও ওই পুলিশ কর্মকর্তা দায়িত্ব পালনরত দুজন প্রকৌশলীর সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করেছেন। সরকারি কাজে বাধা দিয়েছেন। আমরা ওই পুলিশ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তাদের হস্তক্ষেপ দাবি করছি। 

তবে অভিযোগ অস্বীকার করে পবা থানার ওসি (তদন্ত) বানী ইসরাইল বলেন, দুই প্রকৌশলীকে হেনস্তা বা তাদের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগ সঠিক না। তাদেরকে শুধুমাত্র জিঙ্গিাসাবাদ করা হয়েছে। এরপর তাদের ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন