নদী থেকে নিখোঁজ মাদ্রাসা শিক্ষকের লাশ উদ্ধার
jugantor
নদী থেকে নিখোঁজ মাদ্রাসা শিক্ষকের লাশ উদ্ধার

  গাইবান্ধা প্রতিনিধি  

১১ জুন ২০২১, ২১:০২:৪৮  |  অনলাইন সংস্করণ

নিখোঁজের ২৪ ঘণ্টা পর গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলায় করতোয়া নদী থেকে খাজা মিয়া নামে এক মাদ্রাসা শিক্ষকের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ।

শুক্রবার উপজেলার কাটাবাড়ী ইউনিয়নের পলুপাড়া ব্রিজের অদূরে করতোয়া নদী থেকে ভাসমান অবস্থায় থাকা মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।

নিহত খাজা মিয়া (৫১) উপজেলার কাটাবাড়ী ইউনিয়নের পলুপাড়া গ্রামের আব্দুল কুদ্দুসের ছেলে এবং গোবিন্দগঞ্জ পৌর শহরের খলসী দাখিল মাদ্রাসার সহকারী শিক্ষক।

স্থানীয়রা জানান, বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৬টার দিকে প্রাতঃভ্রমণে বেরিয়ে নিখোঁজ হন মাদ্রাসাশিক্ষক খাজা মিয়া। পরিবারের লোকজন অনেক খোঁজাখুঁজি করেও তার কোনো সন্ধান পাননি। পরদিন শুক্রবার সকালে পলুপাড়া ব্রিজের কাছে করতোয়া নদীতে তার মৃতদেহ ভাসতে দেখে পুলিশে খবর দেন গ্রামবাসী।

গোবিন্দগঞ্জ থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে লাশ উদ্ধার করেন। প্রাতঃভ্রমণে গিয়ে কীভাবে তিনি নদীতে পড়ে গেলেন, নাকি পূর্বশত্রুতার কারণে কেউ তাকে হত্যা করে নদীতে ফেলে দিয়েছে- তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।

গোবিন্দগঞ্জ থানার ওসি একেএম মেহেদী হাসান বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য গাইবান্ধা মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে। মৃতের কপালে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। তবে ময়নাতদন্তের রিপোর্টের মাধ্যমে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা সম্ভব হবে।

নদী থেকে নিখোঁজ মাদ্রাসা শিক্ষকের লাশ উদ্ধার

 গাইবান্ধা প্রতিনিধি 
১১ জুন ২০২১, ০৯:০২ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

নিখোঁজের ২৪ ঘণ্টা পর গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলায় করতোয়া নদী থেকে খাজা মিয়া নামে এক মাদ্রাসা শিক্ষকের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। 

শুক্রবার উপজেলার কাটাবাড়ী ইউনিয়নের পলুপাড়া ব্রিজের অদূরে করতোয়া নদী থেকে ভাসমান অবস্থায় থাকা মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। 

নিহত খাজা মিয়া (৫১) উপজেলার কাটাবাড়ী ইউনিয়নের পলুপাড়া গ্রামের আব্দুল কুদ্দুসের ছেলে এবং গোবিন্দগঞ্জ পৌর শহরের খলসী দাখিল মাদ্রাসার সহকারী শিক্ষক। 

স্থানীয়রা জানান, বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৬টার দিকে প্রাতঃভ্রমণে বেরিয়ে নিখোঁজ হন মাদ্রাসাশিক্ষক খাজা মিয়া। পরিবারের লোকজন অনেক খোঁজাখুঁজি করেও তার কোনো সন্ধান পাননি। পরদিন শুক্রবার সকালে পলুপাড়া ব্রিজের কাছে করতোয়া নদীতে তার মৃতদেহ ভাসতে দেখে পুলিশে খবর দেন গ্রামবাসী। 

গোবিন্দগঞ্জ থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে লাশ উদ্ধার করেন। প্রাতঃভ্রমণে গিয়ে কীভাবে তিনি নদীতে পড়ে গেলেন, নাকি পূর্বশত্রুতার কারণে কেউ তাকে হত্যা করে নদীতে ফেলে দিয়েছে- তা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি। 

গোবিন্দগঞ্জ থানার ওসি একেএম মেহেদী হাসান বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য গাইবান্ধা মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে। মৃতের কপালে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। তবে ময়নাতদন্তের রিপোর্টের মাধ্যমে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা সম্ভব হবে। 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন