৪২ হাজার টাকায় বিক্রি হলো বাঘাইড়
jugantor
৪২ হাজার টাকায় বিক্রি হলো বাঘাইড়

  গোয়ালন্দ (রাজবাড়ী) প্রতিনিধি  

১১ জুন ২০২১, ২১:৫৭:১৮  |  অনলাইন সংস্করণ

পদ্মা নদীতে জেলের জালে আটক একটি বাঘাইড় মাছ ৪২ হাজার টাকায় বিক্রি হয়েছে। মাছটির ওজন ২৮ কেজি। শুক্রবার সকালে রাজবাড়ীর ধাওয়াপাড়া ফেরিঘাট এলাকায় পদ্মা নদীতে এক জেলের জালে মাছটি ধরা পড়ে।

খবর পেয়ে গোয়ালন্দের দৌলতদিয়া ফেরিঘাটের মৎস্য ব্যবসায়ী শাহজাহান সেখ ধাওয়াপাড়া গিয়ে মাছটি ১ হাজার ২০০ টাকা কেজি দরে মোট ৩৩ হাজার ৬০০ টাকায় কিনে আনেন। এ সময় মাছটি এক নজর দেখতে স্থানীয় জনতা ভিড় করেন।

মাছ ব্যবসায়ী শাহজাহান সেখ জানান, মাছটি তিনি উন্মুক্ত নিলামের মাধ্যমে ১ হাজার ২০০ টাকা কেজি দরে কিনে আনেন। পরে ফোনের মাধ্যমে যোগাযোগ করে ফরিদপুরের হাজীগঞ্জ এলাকার এক শৌখিন ক্রেতার কাছে ১ হাজার ৫০০ টাকা কেজি দরে মোট ৪২ হাজার টাকায় মাছটি বিক্রি করেন। এতে তার ভালোই লাভ হয়েছে।

এ প্রসঙ্গে গোয়ালন্দ উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. রেজাউল শরীফ জানান, পদ্মা নদীর পানি কমে এবং নদীতে অসংখ্য চর পড়ে নদী সংকুচিত হয়ে যাওয়ায় এ বছর প্রচুর পরিমাণে বড় বড় বাঘাইড়, বোয়াল, কাতল, রুই, পাঙ্গাসসহ বিভিন্ন মাছ ধরা পড়ছে। অভয়ারণ্য তৈরি করে বড় মাছগুলো সংরক্ষণ করা গেলে তারা বংশ বিস্তার করে নদীতে মাছের আরও বেশি বংশ বিস্তার করতে পারত। তবে এ ধরনের বড় সাইজের মাছ পেয়ে জেলেরা খুব খুশি। এর মাধ্যমে তাদের আর্থিক দৈন্যতা দূর হয়।

৪২ হাজার টাকায় বিক্রি হলো বাঘাইড়

 গোয়ালন্দ (রাজবাড়ী) প্রতিনিধি 
১১ জুন ২০২১, ০৯:৫৭ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

পদ্মা নদীতে জেলের জালে আটক একটি বাঘাইড় মাছ ৪২ হাজার টাকায় বিক্রি হয়েছে। মাছটির ওজন ২৮ কেজি। শুক্রবার সকালে রাজবাড়ীর ধাওয়াপাড়া ফেরিঘাট এলাকায় পদ্মা নদীতে এক জেলের জালে মাছটি ধরা পড়ে।

খবর পেয়ে গোয়ালন্দের দৌলতদিয়া ফেরিঘাটের মৎস্য ব্যবসায়ী শাহজাহান সেখ ধাওয়াপাড়া গিয়ে মাছটি ১ হাজার ২০০ টাকা কেজি দরে মোট ৩৩ হাজার ৬০০ টাকায় কিনে আনেন।  এ সময় মাছটি এক নজর দেখতে স্থানীয় জনতা ভিড় করেন। 

মাছ ব্যবসায়ী শাহজাহান সেখ জানান, মাছটি তিনি উন্মুক্ত নিলামের মাধ্যমে ১ হাজার ২০০ টাকা কেজি দরে কিনে আনেন। পরে ফোনের মাধ্যমে যোগাযোগ করে ফরিদপুরের হাজীগঞ্জ এলাকার এক শৌখিন ক্রেতার কাছে ১ হাজার ৫০০ টাকা কেজি দরে মোট ৪২ হাজার টাকায় মাছটি বিক্রি করেন। এতে তার ভালোই লাভ হয়েছে। 

এ প্রসঙ্গে গোয়ালন্দ উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. রেজাউল শরীফ জানান, পদ্মা নদীর পানি কমে এবং নদীতে অসংখ্য চর পড়ে নদী সংকুচিত হয়ে যাওয়ায় এ বছর প্রচুর পরিমাণে বড় বড় বাঘাইড়, বোয়াল, কাতল, রুই, পাঙ্গাসসহ বিভিন্ন মাছ ধরা পড়ছে। অভয়ারণ্য তৈরি করে বড় মাছগুলো সংরক্ষণ করা গেলে তারা বংশ বিস্তার করে নদীতে মাছের আরও বেশি বংশ বিস্তার করতে পারত। তবে এ ধরনের বড় সাইজের মাছ পেয়ে জেলেরা খুব খুশি। এর মাধ্যমে তাদের আর্থিক দৈন্যতা দূর হয়।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন