কাদা-মাটির উপরেই চলছে রাস্তার কার্পেটিং
jugantor
কাদা-মাটির উপরেই চলছে রাস্তার কার্পেটিং

  সাইফুল ইসলাম, সিংড়া  

১১ জুন ২০২১, ২২:০৩:৪০  |  অনলাইন সংস্করণ

সিংড়া-বলিয়াবাড়ী-নাজিরপুর প্রায় ২০ কিলোমিটার পাকা সড়কের বেহালদশায় জনগণের ভোগান্তি বেড়েছে। গত বছরের ভয়াবহ বন্যার ভাঙনে দীর্ঘ এ সড়কটি যেন এখন মরণফাঁদ।

নাটোর সড়ক ও জনপদ বিভাগের উদাসীনতার কারণে বছরজুড়েই ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন চলনবিলের প্রায় লক্ষাধিক মানুষ। তাই শেষ মুহূর্তে কাদাপানি ও ধুলো-ময়লার উপরেই যত্রতত্র করা হচ্ছে কার্পেটিং কাজ। আর সরকারের লাখ লাখ টাকা কাদাপানিতে মিশে গেলেও দেখার যেন কেউ নেই।

শুক্রবার বেলা সাড়ে ১১টায় সিংড়ার কতুয়াবাড়ি ও মহেশচন্দ্রপুর এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, পাকা সড়ক দেবে উঁচু-নিচু ও কার্পেটিং উঠে ছোট-বড় হাজারও গর্ত সৃষ্টি হয়েছে। আর ভোগান্তি কমাতে কাদাপানি ধুলো-ময়লার উপরই নামমাত্র বিটুমিন ও পিচ মিশ্রিত খোয়া দিয়ে সংস্কার করছে নাটোর সড়ক ও জনপদ অধিদপ্তর।

সরকারের লাখ লাখ টাকা কাদাপানিতে ফেলে দিলেও যেন দেখার কেউ নেই। কাজ তদারকির দায়িত্বে থাকা অনিক আরমান প্রান্ত নিজেকে সড়ক ও জনপদ বিভাগের ওয়ার্ক অ্যাসিস্টেন্ট ও পৌর ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক পরিচয় দিয়ে বলেন, সামান্য একগাড়ি মাল নষ্ট হয়ে যাবে মনে করে পরিষ্কার না করেই দেয়া হয়েছে। তবে এখন আর কাজ করা হবে না।

স্থানীয় এলাকাবাসী জামাল হোসেন ও নিত্য প্রামাণিক বলেন, কাদাপানিতে খোয়া দিয়ে রাস্তা সংস্কার কাজ এটা এই প্রথম দেখলাম। আমরা কি কমু? আমরা তো সাধারণ মানুষ। আর আমাদের কথা কে বা শুনবে।

কলম ডিগ্রি কলেজের প্রভাষক হারুন অর রশিদ বলেন, সিংড়ার বলিয়াবাড়ি হয়ে নাজিরপুর- এই রাস্তা দিয়ে প্রায় লক্ষাধিক মানুষ চলাচল করে থাকে। প্রায় ১ বছর ধরে রাস্তার বেহালদশায় যেমন ভোগান্তি বেড়েছে তেমনি ঘটছে দুর্ঘটনা। সেই রাস্তায় এখন চলছে জোড়াতালি। এটা যেন দেখার কেউ নেই।

ঠিকাদার গোলাপ হোসেন বলেন, এটা অফিস রিপেয়ারিং কাজ। আমার শুধু লেবার ও মিস্ত্রি। তিনি আরও বলেন, জুন মাস ভালো দিন পাবেন না তো। আর এটা জরুরি কাজ, তবে স্থায়ী কাজ নয়।

নাটোর সড়ক ও জনপদ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী আব্দুর রহিম বলেন, জনগণের ভোগান্তি লাঘবে নাজিরপুর ব্রিজ হতে সিংড়ার শোলাকুড়া পর্যন্ত খারাপ জায়গাগুলো দেখে দেখে রিপেয়ারিং করা হচ্ছে। তবে যদি কাদামাটিতে কাজ করে থাকে তিনি তা জিজ্ঞাসা করে দেখবেন।

কাদা-মাটির উপরেই চলছে রাস্তার কার্পেটিং

 সাইফুল ইসলাম, সিংড়া 
১১ জুন ২০২১, ১০:০৩ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

সিংড়া-বলিয়াবাড়ী-নাজিরপুর প্রায় ২০ কিলোমিটার পাকা সড়কের বেহালদশায় জনগণের ভোগান্তি বেড়েছে। গত বছরের ভয়াবহ বন্যার ভাঙনে দীর্ঘ এ সড়কটি যেন এখন মরণফাঁদ। 

নাটোর সড়ক ও জনপদ বিভাগের উদাসীনতার কারণে বছরজুড়েই ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন চলনবিলের প্রায় লক্ষাধিক মানুষ। তাই শেষ মুহূর্তে কাদাপানি ও ধুলো-ময়লার উপরেই যত্রতত্র করা হচ্ছে কার্পেটিং কাজ। আর সরকারের লাখ লাখ টাকা কাদাপানিতে মিশে গেলেও দেখার যেন কেউ নেই।

শুক্রবার বেলা সাড়ে ১১টায় সিংড়ার কতুয়াবাড়ি ও মহেশচন্দ্রপুর এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, পাকা সড়ক দেবে উঁচু-নিচু ও কার্পেটিং উঠে ছোট-বড় হাজারও গর্ত সৃষ্টি হয়েছে। আর ভোগান্তি কমাতে কাদাপানি ধুলো-ময়লার উপরই নামমাত্র বিটুমিন ও পিচ মিশ্রিত খোয়া দিয়ে সংস্কার করছে নাটোর সড়ক ও জনপদ অধিদপ্তর। 

সরকারের লাখ লাখ টাকা কাদাপানিতে ফেলে দিলেও যেন দেখার কেউ নেই। কাজ তদারকির দায়িত্বে থাকা অনিক আরমান প্রান্ত নিজেকে সড়ক ও জনপদ বিভাগের ওয়ার্ক অ্যাসিস্টেন্ট ও পৌর ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক পরিচয় দিয়ে বলেন, সামান্য একগাড়ি মাল নষ্ট হয়ে যাবে মনে করে পরিষ্কার না করেই দেয়া হয়েছে। তবে এখন আর কাজ করা হবে না।

স্থানীয় এলাকাবাসী জামাল হোসেন ও নিত্য প্রামাণিক বলেন, কাদাপানিতে খোয়া দিয়ে রাস্তা সংস্কার কাজ এটা এই প্রথম দেখলাম। আমরা কি কমু? আমরা তো সাধারণ মানুষ। আর আমাদের কথা কে বা শুনবে।

কলম ডিগ্রি কলেজের প্রভাষক হারুন অর রশিদ বলেন, সিংড়ার বলিয়াবাড়ি হয়ে নাজিরপুর- এই রাস্তা দিয়ে প্রায় লক্ষাধিক মানুষ চলাচল করে থাকে। প্রায় ১ বছর ধরে রাস্তার বেহালদশায় যেমন ভোগান্তি বেড়েছে তেমনি ঘটছে দুর্ঘটনা। সেই রাস্তায় এখন চলছে জোড়াতালি। এটা যেন দেখার কেউ নেই।

ঠিকাদার গোলাপ হোসেন বলেন, এটা অফিস রিপেয়ারিং কাজ। আমার শুধু লেবার ও মিস্ত্রি। তিনি আরও বলেন, জুন মাস ভালো দিন পাবেন না তো। আর এটা জরুরি কাজ, তবে স্থায়ী কাজ নয়।

নাটোর সড়ক ও জনপদ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী আব্দুর রহিম বলেন, জনগণের ভোগান্তি লাঘবে নাজিরপুর ব্রিজ হতে সিংড়ার শোলাকুড়া পর্যন্ত খারাপ জায়গাগুলো দেখে দেখে রিপেয়ারিং করা হচ্ছে। তবে যদি কাদামাটিতে কাজ করে থাকে তিনি তা জিজ্ঞাসা করে দেখবেন।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন