রামেক থেকে ভাগিয়ে ক্লিনিকে, সিজারের পর মা-নবজাতকের মৃত্যু
jugantor
রামেক থেকে ভাগিয়ে ক্লিনিকে, সিজারের পর মা-নবজাতকের মৃত্যু

  রাজশাহী ব্যুরো  

১২ জুন ২০২১, ০০:১০:৩৫  |  অনলাইন সংস্করণ

রাজশাহী মেডিকিল কলেজ(রামেক) হাসপাতাল থেকে ভাগিয়ে রাজশাহী মহানগরীর লক্ষ্মীপুরের একটি ক্লিনিকে নিয়ে সিজার করাতে গিয়ে চিকিৎসকের অবহেলায় নবজাতকসহ প্রসূতির মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার রাত ৯টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

ঘটনার পরে ওই ক্লিনিকের চিকিৎসক, নার্সসহ মালিকপক্ষ পালিয়ে গেছেন। ক্লিনিকে ব্যাপক উত্তেজনা বিরাজ করছে। প্রসূতি সুখী খাতুনকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতাল থেকে ভাগিয়ে নিয়ে যাওয়া হয় বলে অভিযোগ উঠেছে।

মৃত প্রসূতি সুখী খাতুনের স্বামী স্বপন ইসলাম জানান, বৃহস্পতিবার দুপুরে তার স্ত্রী সুখী খাতুনকে রামেক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখান থেকে দালালরা ওই প্রসূতিকে সিজার করানোর কথা বলে ভাগিয়ে নিয়ে যায় ক্লিনিকে। তারপর থেকে প্রসূতিকে ক্লিনিকের মেঝেতে রাখা হয়। এরপর শুক্রবার সন্ধ্যার দিকে প্রসূতি সুখীর সিজার করা হয়।

সিজার করেন গাইনি ও প্রসূতি চিকিৎসক ডা. শারমিন সুলতানা। কিন্তু সিজারের পরে প্রসূতির অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ হয়। এতে সুখীর মৃত্যু হয়। এমনকি ছেলে শিশুটিও অযত্নে মারা যায়।

ঘটনার পরে চিকিৎসক ডা. শারমিন সুলতানা ক্লিনিক ছেড়ে পালিয়ে যান। একই সঙ্গে ওই ক্লিনিকের মালিক জাবেদ হোসেন খোকনসহ নার্সরা পালিয়ে যান। পরে ক্লিনিকের ম্যানেজার বিষয়টিকে ধামাচাপা দেয়ার জন্য মৃত প্রসূতির পরিবারকে চাপ প্রয়োগ করতে থাকেন।

ডা. শারমিন সুলতানার মোবাইল নম্বরে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে সেটি বন্ধ পাওয়া গেছে।

ক্লিনিকের ব্যবস্থাপক বুলবুল আহমেদের মোবাইলে কয়েকবার ফোন করা হলেও তিনি ধরেননি।

এ ব্যাপারে রাজপাড়া থানার ওসি মাজহারুল ইসলাম বলেন, ক্লিনিকে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। অভিযোগ পাওয়া গেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

রামেক থেকে ভাগিয়ে ক্লিনিকে, সিজারের পর মা-নবজাতকের মৃত্যু

 রাজশাহী ব্যুরো 
১২ জুন ২০২১, ১২:১০ এএম  |  অনলাইন সংস্করণ

রাজশাহী মেডিকিল কলেজ (রামেক) হাসপাতাল থেকে ভাগিয়ে রাজশাহী মহানগরীর লক্ষ্মীপুরের একটি ক্লিনিকে নিয়ে সিজার করাতে গিয়ে চিকিৎসকের অবহেলায় নবজাতকসহ প্রসূতির মৃত্যু হয়েছে। শুক্রবার রাত ৯টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

ঘটনার পরে ওই ক্লিনিকের চিকিৎসক, নার্সসহ মালিকপক্ষ পালিয়ে গেছেন। ক্লিনিকে ব্যাপক উত্তেজনা বিরাজ করছে। প্রসূতি সুখী খাতুনকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতাল থেকে ভাগিয়ে নিয়ে যাওয়া হয় বলে অভিযোগ উঠেছে।

মৃত প্রসূতি সুখী খাতুনের স্বামী স্বপন ইসলাম জানান, বৃহস্পতিবার দুপুরে তার স্ত্রী সুখী খাতুনকে রামেক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখান থেকে দালালরা ওই প্রসূতিকে সিজার করানোর কথা বলে ভাগিয়ে নিয়ে যায় ক্লিনিকে। তারপর থেকে প্রসূতিকে ক্লিনিকের মেঝেতে রাখা হয়। এরপর শুক্রবার সন্ধ্যার দিকে প্রসূতি সুখীর সিজার করা হয়।

সিজার করেন গাইনি ও প্রসূতি চিকিৎসক ডা. শারমিন সুলতানা। কিন্তু সিজারের পরে প্রসূতির অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ হয়। এতে সুখীর মৃত্যু হয়। এমনকি ছেলে শিশুটিও অযত্নে মারা যায়।

ঘটনার পরে চিকিৎসক ডা. শারমিন সুলতানা ক্লিনিক ছেড়ে পালিয়ে যান। একই সঙ্গে ওই ক্লিনিকের মালিক জাবেদ হোসেন খোকনসহ নার্সরা পালিয়ে যান। পরে ক্লিনিকের ম্যানেজার বিষয়টিকে ধামাচাপা দেয়ার জন্য মৃত প্রসূতির পরিবারকে চাপ প্রয়োগ করতে থাকেন।

ডা. শারমিন সুলতানার মোবাইল নম্বরে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে সেটি বন্ধ পাওয়া গেছে।

ক্লিনিকের ব্যবস্থাপক বুলবুল আহমেদের মোবাইলে কয়েকবার ফোন করা হলেও তিনি ধরেননি।
 
এ ব্যাপারে রাজপাড়া থানার ওসি মাজহারুল ইসলাম বলেন, ক্লিনিকে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। অভিযোগ পাওয়া গেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন