নৌকাযোগে মিয়ানমার যেতে চেয়েছিলেন তারা
jugantor
নৌকাযোগে মিয়ানমার যেতে চেয়েছিলেন তারা

  কক্সবাজার প্রতিনিধি  

১২ জুন ২০২১, ১৮:৫১:৩৪  |  অনলাইন সংস্করণ

কক্সবাজারের টেকনাফে নাফ নদীতে নৌকাডুবে নিহতদের পরিচয় মিলেছে। শুক্রবার রাতে সবার অগোচরে নৌকাযোগে মিয়ানমার যাচ্ছিল একটি পরিবার। তাদের মধ্যেই ৩ জনের লাশ পাওয়া যায় নাফ নদীর তীরে।

নিহতরা হলেন- উখিয়া বালুখালী ক্যাম্পের-১১ সি ব্লক-১৫ এর বাসিন্দা রোহিঙ্গা জানে আলমের স্ত্রী সমজিদা বেগম, মেয়ে নুর শহিদা এবং রশিদা। এ ঘটনায় জানে আলম ও অপর এক সন্তান নিখোঁজ রয়েছেন।

বালুখালীর ক্যাম্প-১১ ইনচার্জ (সহকারী সচিব) আরাফাতুল আলম এ তথ্য জানিয়েছেন।

এর আগে শনিবার দুপুরে টেকনাফের হ্নীলা ইউনিয়নের মৌলভীবাজার ২নং ওয়ার্ড নাফ নদী সীমান্ত এলাকা থেকে তাদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

সিআইসি আরাফাতুল আলম জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক সংস্থা ইউএনএইচসিআরের বরাত দিয়ে বলেন, রোহিঙ্গা ক্যাম্প-১১ বালুখালীর বাসিন্দা জানে আলমের পরিবার শুক্রবার রাতে সবার অগোচরে নৌকাযোগে মিয়ানমার চলে যাচ্ছিলেন।

নদী পার হতে গিয়ে কোনো কারণে নৌকাডুবিতে স্ত্রী-সন্তান মারা গেছেন। তার পরিবারের ৫ সদস্যের মাঝে তিনজনের মরদেহ শনিবার দুপুরে টেকনাফের হ্নীলা ইউনিয়নের মৌলভীবাজার ২নং ওয়ার্ড নাফ নদী সীমান্ত এলাকা থেকে উদ্ধার করা গেলেও অপর দুজন এখনো নিখোঁজ।

এদিকে ঝাঁকি জাল নিয়ে নাফ নদীতে মাছ শিকারি নবী হোসেন নামে এক জেলে জানান, তিনি মিনাবাজারের পূর্বে নাফ নদীতে ভাসমান অবস্থায় ২টি মৃতদেহ দেখতে পেয়েছেন।

টেকনাফ মডেল থানার ওসি মো. হাফিজুর রহমান জানান, নাফ নদী থেকে দুই শিশুসহ এক রোহিঙ্গা নারীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তাদের লাশ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে।

তিনি জানান, প্রাথমিকভাবে জানতে পেরেছি তারা মিয়ানমারে থাকা স্বজনদের সাথে দেখা করতে যাওয়ার পথে নৌকাডুবিতে মারা গেছেন।

নৌকাযোগে মিয়ানমার যেতে চেয়েছিলেন তারা

 কক্সবাজার প্রতিনিধি 
১২ জুন ২০২১, ০৬:৫১ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

কক্সবাজারের টেকনাফে নাফ নদীতে নৌকাডুবে নিহতদের পরিচয় মিলেছে। শুক্রবার রাতে সবার অগোচরে নৌকাযোগে মিয়ানমার যাচ্ছিল একটি পরিবার। তাদের মধ্যেই ৩ জনের লাশ পাওয়া যায় নাফ নদীর তীরে। 

নিহতরা হলেন- উখিয়া বালুখালী ক্যাম্পের-১১ সি ব্লক-১৫ এর বাসিন্দা রোহিঙ্গা জানে আলমের স্ত্রী সমজিদা বেগম, মেয়ে নুর শহিদা এবং রশিদা। এ ঘটনায় জানে আলম ও অপর এক সন্তান নিখোঁজ রয়েছেন। 

বালুখালীর ক্যাম্প-১১ ইনচার্জ (সহকারী সচিব) আরাফাতুল আলম এ তথ্য জানিয়েছেন। 

এর আগে শনিবার দুপুরে টেকনাফের হ্নীলা ইউনিয়নের মৌলভীবাজার ২নং ওয়ার্ড নাফ নদী সীমান্ত এলাকা থেকে তাদের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

সিআইসি আরাফাতুল আলম জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক সংস্থা ইউএনএইচসিআরের বরাত দিয়ে বলেন, রোহিঙ্গা ক্যাম্প-১১ বালুখালীর বাসিন্দা জানে আলমের পরিবার শুক্রবার রাতে সবার অগোচরে নৌকাযোগে মিয়ানমার চলে যাচ্ছিলেন। 

নদী পার হতে গিয়ে কোনো কারণে নৌকাডুবিতে স্ত্রী-সন্তান মারা গেছেন। তার পরিবারের ৫ সদস্যের মাঝে তিনজনের মরদেহ শনিবার দুপুরে টেকনাফের হ্নীলা ইউনিয়নের মৌলভীবাজার ২নং ওয়ার্ড নাফ নদী সীমান্ত এলাকা থেকে উদ্ধার করা গেলেও অপর দুজন এখনো নিখোঁজ। 

এদিকে ঝাঁকি জাল নিয়ে নাফ নদীতে মাছ শিকারি নবী হোসেন নামে এক জেলে জানান, তিনি মিনাবাজারের পূর্বে নাফ নদীতে ভাসমান অবস্থায় ২টি মৃতদেহ দেখতে পেয়েছেন।

টেকনাফ মডেল থানার ওসি মো. হাফিজুর রহমান জানান, নাফ নদী থেকে দুই শিশুসহ এক রোহিঙ্গা নারীর মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। তাদের লাশ ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে।

তিনি জানান, প্রাথমিকভাবে জানতে পেরেছি তারা মিয়ানমারে থাকা স্বজনদের সাথে দেখা করতে যাওয়ার পথে নৌকাডুবিতে মারা গেছেন।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন