পুলিশের ওপর হামলায় বাদল অনুসারী ১৬৩ জনের বিরুদ্ধে মামলা
jugantor
পুলিশের ওপর হামলায় বাদল অনুসারী ১৬৩ জনের বিরুদ্ধে মামলা

  নোয়াখালী প্রতিনিধি  

১৩ জুন ২০২১, ২১:০২:১৪  |  অনলাইন সংস্করণ

নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে টেকেরবাজারে পুলিশের ওপর ইটপাটকেল নিক্ষেপ, কর্তব্য কাজে বাধা ও পুলিশকে আহত করার ঘটনায় সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান বাদল অনুসারীদের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে।

মামলায় ১৬৩ জন স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীকে আসামি করা হয়েছে। তারা সেতুমন্ত্রীর ছোটভাই বসুরহাট পৌরসভার মেয়র আব্দুল কাদের মির্জার প্রতিপক্ষ বাদলের অনুসারী হিসেবে পরিচিত।

শনিবার দিবাগত রাতে কোম্পানীগঞ্জ থানার এসআই নিজাম উদ্দিন বাদী হয়ে এ মামলা দায়ের করেন। তবে মামলার কোনো আসামিকে গ্রেফতার করা যায়নি।

রোববার সকাল ৯টায় কোম্পানীগঞ্জ থানার ডিউটি অফিসার এসআই ফেরদৌসী বেগম মামলার তথ্য নিশ্চিত করে জানান, শনিবার সকালে আওয়ামী লীগ নেতা বাদলের ওপর হামলার জেরে তার অনুসারীরা উপজেলার চরকাঁকড়া ইউনিয়নের টেকেরবাজারের বসুরহাট টু পেশকার সড়কে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ ও অগ্নিসংযোগ করে। এ সময় পুলিশ তাদের সরিয়ে দিতে চাইলে তারা উল্টো পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করলে কয়েকজন পুলিশ সদস্য আহত হন। পরে পুলিশও তাদের শটগানের ছররা গুলি ছুড়ে ছত্রভঙ্গ করে দেয়। এ সময় বাদল অনুসারী ৪ জন নেতাকর্মী গুলিবিদ্ধ হন।

কোম্পানীগঞ্জ থানার ওসি মো. সাইফুদ্দিন আনোয়ার মামলার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, অভিযুক্তদের গ্রেফতারে পুলিশ অভিযান চালাচ্ছে এবং নিরপরাধ কোনো মানুষ যেন মামলায় হয়রানি না হয় সে বিষয়েও পুলিশ সতর্ক রয়েছে।

উল্লেখ্য, শনিবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান বাদল তার ব্যক্তিগত গাড়িতে করে আওয়ামী লীগ নেতা আলালসহ ঢাকা যাচ্ছিলেন। তারা বসুরহাট বাজারে পৌঁছলে কাদের মির্জার অনুসারী মাসুদ, শিহাব, আরিফ, ওয়াসিমসহ ৪০-৫০ জন মিজানুর রহমান বাদলের গাড়ির গতিরোধ করে তার ওপর অতর্কিত হামলা চালায়।

উপজেলা আওয়ামী লীগের মুখপাত্র মঞ্জু অভিযোগ করেন, হামলাকারীরা বাদলের গাড়ির গতিরোধ করে তাকে এলোপাতাড়ি পিটিয়ে তার হাত-মাথা ফাটিয়ে দেয়,পা ও বুকের হাড় ভেঙে দেয় এবং কানে গুরুতর জখম করে।

তবে এ বিষয়ে কাদের মির্জা নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দাবি করেন বাদলের ওপর হামলার ঘটনায় তিনি জড়িত নন।

পুলিশের ওপর হামলায় বাদল অনুসারী ১৬৩ জনের বিরুদ্ধে মামলা

 নোয়াখালী প্রতিনিধি 
১৩ জুন ২০২১, ০৯:০২ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে টেকেরবাজারে পুলিশের ওপর ইটপাটকেল নিক্ষেপ, কর্তব্য কাজে বাধা ও পুলিশকে আহত করার ঘটনায় সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান বাদল অনুসারীদের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে।

মামলায় ১৬৩ জন স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীকে আসামি করা হয়েছে। তারা সেতুমন্ত্রীর ছোটভাই বসুরহাট পৌরসভার মেয়র আব্দুল কাদের মির্জার প্রতিপক্ষ বাদলের অনুসারী হিসেবে পরিচিত।

শনিবার দিবাগত রাতে কোম্পানীগঞ্জ থানার এসআই নিজাম উদ্দিন বাদী হয়ে এ মামলা দায়ের করেন। তবে মামলার কোনো আসামিকে গ্রেফতার করা যায়নি।

রোববার সকাল ৯টায় কোম্পানীগঞ্জ থানার ডিউটি অফিসার এসআই ফেরদৌসী বেগম মামলার তথ্য নিশ্চিত করে জানান, শনিবার সকালে আওয়ামী লীগ নেতা বাদলের ওপর হামলার জেরে তার অনুসারীরা উপজেলার চরকাঁকড়া ইউনিয়নের টেকেরবাজারের বসুরহাট টু পেশকার সড়কে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ ও অগ্নিসংযোগ  করে। এ সময় পুলিশ তাদের সরিয়ে দিতে চাইলে তারা উল্টো পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করলে কয়েকজন পুলিশ সদস্য আহত হন। পরে পুলিশও তাদের শটগানের ছররা গুলি ছুড়ে ছত্রভঙ্গ করে দেয়। এ সময় বাদল অনুসারী ৪ জন নেতাকর্মী গুলিবিদ্ধ হন।

কোম্পানীগঞ্জ থানার ওসি মো. সাইফুদ্দিন আনোয়ার মামলার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, অভিযুক্তদের গ্রেফতারে পুলিশ অভিযান চালাচ্ছে এবং নিরপরাধ কোনো মানুষ যেন মামলায় হয়রানি না হয় সে বিষয়েও পুলিশ সতর্ক রয়েছে।

উল্লেখ্য, শনিবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান বাদল তার ব্যক্তিগত গাড়িতে করে আওয়ামী লীগ নেতা আলালসহ ঢাকা যাচ্ছিলেন। তারা বসুরহাট বাজারে পৌঁছলে কাদের মির্জার অনুসারী মাসুদ, শিহাব, আরিফ, ওয়াসিমসহ ৪০-৫০ জন মিজানুর রহমান বাদলের গাড়ির গতিরোধ করে তার ওপর অতর্কিত হামলা চালায়।

উপজেলা আওয়ামী লীগের মুখপাত্র মঞ্জু অভিযোগ করেন, হামলাকারীরা বাদলের গাড়ির গতিরোধ করে তাকে এলোপাতাড়ি পিটিয়ে তার হাত-মাথা ফাটিয়ে দেয়,পা ও বুকের হাড় ভেঙে দেয় এবং কানে গুরুতর জখম করে।

তবে এ বিষয়ে কাদের মির্জা নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দাবি করেন বাদলের ওপর হামলার ঘটনায় তিনি জড়িত নন।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন