হতাশায় শিক্ষিকার আত্মহত্যা, পালাল বাড়ির সবাই
jugantor
হতাশায় শিক্ষিকার আত্মহত্যা, পালাল বাড়ির সবাই

  ধামরাই (ঢাকা) প্রতিনিধি  

১৪ জুন ২০২১, ২১:৩৫:০৭  |  অনলাইন সংস্করণ

ঢাকার ধামরাইয়ে বেকারত্বের হতাশায় আত্মহত্যা করে প্রাণ বিসর্জন দিলেন এক স্কুল শিক্ষিকা। পৌরশহরের কুমড়াইল মহল্লায় এ আত্মহত্যার ঘটনাটি ঘটেছে বলে জানা গেছে। স্বামী-সন্তান ও শ্বশুর-শাশুড়িসহ পরিবারের সবাই বাড়ি ছেড়ে আত্মগোপন করেছে নিশ্চিত করেছেন প্রতিবেশীরা।

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধে দেড় বছরেরও বেশি সময় ধরে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় বেকার হয়ে পড়েন ওই নারী শিক্ষক। উপার্জন করতে না পারায় স্বামী-শ্বশুরের সঙ্গে ঝগড়া বিবাদের জের ধরে ওই শিক্ষিকা আত্মহত্যা করেছেন বলে নিশ্চিত করেছেন জানা গেছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, পৌরশহরের কুমড়াইল মহল্লার বাসিন্দা মো. খোকন মিয়ার স্ত্রী ও দুই কন্যা সন্তানের জননী নুরুন্নাহার বেগম (৩৪) পৌরশহরের কালিয়াগার প্রভাতী স্কুল অ্যান্ড কলেজে সহকারী শিক্ষক পদে চাকরি করে আসছেন। করোনাভাইরাসের কারণে অন্যান্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মতোই এ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটিও বন্ধ হয়ে যায়।

আর এর ফাঁদে পড়ে বেকার হয়ে পড়েন ওই নারী শিক্ষক। উপার্জন বন্ধ হয়ে যাওয়ায় প্রতিদিনই স্বামী ও শ্বশুর শাশুড়ির সঙ্গে ঝগড়াবিবাদ লেগেই থাকত ওই শিক্ষিকার। এরই জের ধরে রোববার সকাল ৭টার দিকে ওই গৃহবধূর সঙ্গে প্রচণ্ড ঝগড়াবিবাদ হয় পরিবারের অপরাপর সদস্যদের সঙ্গে। পরে ক্ষোভে অভিমানে ওই শিক্ষিকা নিজ শয়ন কক্ষে আত্মহত্যা করেন।

ঘরের ভেতর মরদেহ ঝুলতে দেখে ওই গৃহবধূর শ্বশুর আব্দুল জলিল লাশটি নীচে নামিয়ে সপরিবারে বাড়ি ছেড়ে পালিয়ে যায়। সঙ্গে ওই গৃহবধূর দুই কন্যা সন্তানও নিয়ে যায় তারা।

ধামরাই থানার পরিদর্শক (অপারেশন)নির্মল কুমার দাস বলেন, লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ব্যাপারে থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা দায়ের করা হয়েছে। নিহত ওই স্কুল শিক্ষিকার গলায় কালো দাগ পাওয়া গেছে। ময়নাতদন্তের পর তার মৃত্যুর কারণ জানা যাবে।

হতাশায় শিক্ষিকার আত্মহত্যা, পালাল বাড়ির সবাই

 ধামরাই (ঢাকা) প্রতিনিধি 
১৪ জুন ২০২১, ০৯:৩৫ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

ঢাকার ধামরাইয়ে বেকারত্বের হতাশায় আত্মহত্যা করে প্রাণ বিসর্জন দিলেন এক স্কুল শিক্ষিকা। পৌরশহরের কুমড়াইল মহল্লায় এ আত্মহত্যার ঘটনাটি ঘটেছে বলে জানা গেছে। স্বামী-সন্তান ও শ্বশুর-শাশুড়িসহ পরিবারের সবাই বাড়ি ছেড়ে আত্মগোপন করেছে নিশ্চিত করেছেন প্রতিবেশীরা।

করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধে দেড় বছরেরও বেশি সময় ধরে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় বেকার হয়ে পড়েন ওই নারী শিক্ষক। উপার্জন করতে না পারায় স্বামী-শ্বশুরের সঙ্গে ঝগড়া বিবাদের জের ধরে ওই শিক্ষিকা আত্মহত্যা করেছেন বলে নিশ্চিত করেছেন জানা গেছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, পৌরশহরের কুমড়াইল মহল্লার বাসিন্দা মো.  খোকন মিয়ার স্ত্রী ও দুই কন্যা সন্তানের জননী নুরুন্নাহার বেগম (৩৪) পৌরশহরের কালিয়াগার প্রভাতী স্কুল অ্যান্ড কলেজে সহকারী শিক্ষক পদে চাকরি করে আসছেন। করোনাভাইরাসের কারণে অন্যান্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মতোই এ শিক্ষা প্রতিষ্ঠানটিও বন্ধ হয়ে যায়।

আর এর ফাঁদে পড়ে বেকার হয়ে পড়েন ওই নারী শিক্ষক। উপার্জন বন্ধ হয়ে যাওয়ায় প্রতিদিনই স্বামী ও শ্বশুর শাশুড়ির সঙ্গে ঝগড়াবিবাদ লেগেই থাকত ওই শিক্ষিকার। এরই জের ধরে রোববার সকাল ৭টার দিকে ওই গৃহবধূর সঙ্গে প্রচণ্ড ঝগড়াবিবাদ হয় পরিবারের অপরাপর সদস্যদের সঙ্গে। পরে ক্ষোভে অভিমানে ওই শিক্ষিকা নিজ শয়ন কক্ষে আত্মহত্যা করেন।

ঘরের ভেতর মরদেহ ঝুলতে দেখে ওই গৃহবধূর শ্বশুর আব্দুল জলিল লাশটি নীচে নামিয়ে সপরিবারে বাড়ি ছেড়ে পালিয়ে যায়। সঙ্গে ওই গৃহবধূর দুই কন্যা সন্তানও নিয়ে যায় তারা।

ধামরাই থানার পরিদর্শক (অপারেশন)নির্মল কুমার দাস বলেন, লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ব্যাপারে থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা দায়ের করা হয়েছে। নিহত ওই স্কুল শিক্ষিকার গলায় কালো দাগ পাওয়া গেছে। ময়নাতদন্তের পর তার মৃত্যুর কারণ জানা যাবে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন