প্রেম করে তিন বিয়ের পর ২৫ বছর বয়সী যুবকের আত্মহত্যা
jugantor
প্রেম করে তিন বিয়ের পর ২৫ বছর বয়সী যুবকের আত্মহত্যা

  বগুড়া ব্যুরো  

১৪ জুন ২০২১, ২২:০৪:৪৮  |  অনলাইন সংস্করণ

বগুড়া সদরের এরুলিয়া ইউনিয়নের শিকারপুর তালুকদারপাড়ার ঢালাই মিস্ত্রি আশিক পাইকার (২৫) প্রেম করে পরপর তিনটি বিয়ে করেন। পারিবারিক কলহে আগের দুই স্ত্রী তালাক দিয়ে চলে গেছেন।

সর্বশেষ তৃতীয় স্ত্রী ইনি খাতুনের সঙ্গেও বনিবনা হচ্ছিল না। স্ত্রীর সাথে মতবিরোধের কারণে মানসিক সমস্যায় ভুগছিলেন। রোববার রাতে ঘরে সিলিং ফ্যানের স্ত্রীর ওড়না বেঁধে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন।

সোমবার সদর থানার এসআই জহুরুল ইসলাম এ তথ্য দিয়েছেন। এ ব্যাপারে সদর থানায় অপমৃত্যু মামলা হয়েছে।

পুলিশ ও স্বজনরা জানান, আশিক পাইকার বগুড়া সদরের এরুলিয়া ইউনিয়নের শিকারপুর তালুকদারপাড়ার কোরবান আলীর ছেলে। পেশায় ঢালাই মিস্ত্রি আশিক প্রেমের মাধ্যমে পরপর তিনটি বিয়ে করেন। দাম্পত্য কলহে প্রথম ও দ্বিতীয় স্ত্রী তালাক দিয়ে চলে যান। কিছুদিন আগে তৃতীয় স্ত্রী ইনি খাতুনের সঙ্গেও তার সম্পর্কে অবনতি ঘটে। দাম্পত্য কলহে তিনি মানসিক সমস্যায় ভুগছিলেন। রোববার রাতে তিনি নিজ শয়ন ঘরে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে স্ত্রীর ওড়না দিয়ে ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা করেন।

সদর থানার এসআই জহুরুল ইসলাম জানান, আশিক ইসলাম প্রেম করে পরপর তিনটি বিয়ে করেছিলেন। প্রথম ও দ্বিতীয় স্ত্রী তাকে তালাক দিয়ে চলে গেছেন। তৃতীয় বিয়ে করেও তিনি সুখী হতে পারেননি। তার সঙ্গে বিরোধে মানসিক সমস্যার সৃষ্টি হয়। এ সমস্যা থেকে তিনি আত্মহত্যা করেছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। ময়নাতদন্ত শেষে সোমবার লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। ময়না তদন্তের রিপোর্ট পেলে তার মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে। এ ব্যাপারে সদর থানায় অপমৃত্যু মামলা হয়েছে।

প্রেম করে তিন বিয়ের পর ২৫ বছর বয়সী যুবকের আত্মহত্যা

 বগুড়া ব্যুরো 
১৪ জুন ২০২১, ১০:০৪ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

বগুড়া সদরের এরুলিয়া ইউনিয়নের শিকারপুর তালুকদারপাড়ার ঢালাই মিস্ত্রি আশিক পাইকার (২৫) প্রেম করে পরপর তিনটি বিয়ে করেন। পারিবারিক কলহে আগের দুই স্ত্রী তালাক দিয়ে চলে গেছেন।

সর্বশেষ তৃতীয় স্ত্রী ইনি খাতুনের সঙ্গেও বনিবনা হচ্ছিল না। স্ত্রীর সাথে মতবিরোধের কারণে মানসিক সমস্যায় ভুগছিলেন। রোববার রাতে ঘরে সিলিং ফ্যানের স্ত্রীর ওড়না বেঁধে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছেন।

সোমবার সদর থানার এসআই জহুরুল ইসলাম এ তথ্য দিয়েছেন। এ ব্যাপারে সদর থানায় অপমৃত্যু মামলা হয়েছে।

পুলিশ ও স্বজনরা জানান, আশিক পাইকার বগুড়া সদরের এরুলিয়া ইউনিয়নের শিকারপুর তালুকদারপাড়ার কোরবান আলীর ছেলে। পেশায় ঢালাই মিস্ত্রি আশিক প্রেমের মাধ্যমে পরপর তিনটি বিয়ে করেন। দাম্পত্য কলহে প্রথম ও দ্বিতীয় স্ত্রী তালাক দিয়ে চলে যান। কিছুদিন আগে তৃতীয় স্ত্রী ইনি খাতুনের সঙ্গেও তার সম্পর্কে অবনতি ঘটে। দাম্পত্য কলহে তিনি মানসিক সমস্যায় ভুগছিলেন। রোববার রাতে তিনি নিজ শয়ন ঘরে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে স্ত্রীর ওড়না দিয়ে ফাঁস লাগিয়ে আত্মহত্যা করেন।

সদর থানার এসআই জহুরুল ইসলাম জানান, আশিক ইসলাম প্রেম করে পরপর তিনটি বিয়ে করেছিলেন। প্রথম ও দ্বিতীয় স্ত্রী তাকে তালাক দিয়ে চলে গেছেন। তৃতীয় বিয়ে করেও তিনি সুখী হতে পারেননি। তার সঙ্গে বিরোধে মানসিক সমস্যার সৃষ্টি হয়। এ সমস্যা থেকে তিনি আত্মহত্যা করেছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। ময়নাতদন্ত শেষে সোমবার লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। ময়না তদন্তের রিপোর্ট পেলে তার মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে। এ ব্যাপারে সদর থানায় অপমৃত্যু মামলা হয়েছে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন