অন্তঃসত্ত্বার পেটে লাথি, মৃত সন্তান প্রসব
jugantor
অন্তঃসত্ত্বার পেটে লাথি, মৃত সন্তান প্রসব

  সাতক্ষীরা প্রতিনিধি  

১৪ জুন ২০২১, ২৩:১৬:৩৩  |  অনলাইন সংস্করণ

প্রতিপক্ষের লাথির আঘাতে আহত গৃহবধূ জোসনা আরা জন্ম দিলেন এক মৃত সন্তানের। সোমবার ভোরে সন্তান প্রসবের পর মা জোসনা এখন সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

জোসনার স্বামী সাতক্ষীরার আশাশুনি উপজেলার আনুলিয়া ইউনিয়নের কাকবাসিয়া গ্রামের বেল্লাল হোসেন জানান, তার সঙ্গে জমিজমা নিয়ে বিরোধ চলছিল প্রতিবেশী একেএম সামসুজ্জানের সঙ্গে। গত ১২ জুন এই জমি দখল নিয়ে দুই পক্ষের মারামারি হয়।

এ সময় প্রতিপক্ষসামসুজ্জামান বেল্লালের অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী জোসনার তলপেটে লাথি মারে। এতে তিনি গুরুতর আহত হন। পরে এ সম্পর্কে থানায় একটি মামলা দেন বেল্লাল। এতে আসামি করা হয় সামসুজ্জামানসহ পাঁচ ছয় জনকে। জোসনাকে ভর্তি করা হয় সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে।

সোমবার ভোরে জোসনা মৃত সন্তান প্রসব করেন। আহত বেল্লালও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

এ প্রসঙ্গে সদর হাসপাতালের ডা.মমতাজ মুজিব জানান জোসনার পেটে ইনজুরি ছিল। আঘাত জনিত কারণে তিনি মৃত সন্তান প্রসব করেছেন। গর্ভেই মারা যায় সন্তানটি।

আশাশুনি থানার ওসি গোলাম কবির জানান, দুই পক্ষের মারামারির বিষয়ে একটি মামলা হয়। এই মামলার সঙ্গে আহত গৃহবধূর মৃত সন্তান প্রসবের বিষয়টি যুক্ত হবে। তদন্ত করে আইনগত ব্যস্থা নেওয়া হবে। তিনি জানান সামসুজ্জামান পলাতক রয়েছেন।

অন্তঃসত্ত্বার পেটে লাথি, মৃত সন্তান প্রসব

 সাতক্ষীরা প্রতিনিধি 
১৪ জুন ২০২১, ১১:১৬ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

প্রতিপক্ষের লাথির আঘাতে আহত গৃহবধূ জোসনা আরা জন্ম দিলেন এক মৃত সন্তানের। সোমবার ভোরে সন্তান প্রসবের পর মা জোসনা এখন সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

জোসনার স্বামী সাতক্ষীরার আশাশুনি উপজেলার আনুলিয়া ইউনিয়নের কাকবাসিয়া গ্রামের বেল্লাল হোসেন জানান, তার সঙ্গে জমিজমা নিয়ে বিরোধ চলছিল প্রতিবেশী একেএম সামসুজ্জানের সঙ্গে। গত ১২ জুন এই জমি দখল নিয়ে দুই পক্ষের মারামারি হয়। 

এ সময় প্রতিপক্ষ সামসুজ্জামান বেল্লালের অন্তঃসত্ত্বা স্ত্রী জোসনার তলপেটে লাথি মারে। এতে তিনি গুরুতর আহত হন। পরে এ  সম্পর্কে থানায় একটি মামলা দেন বেল্লাল। এতে আসামি করা হয় সামসুজ্জামানসহ পাঁচ ছয় জনকে। জোসনাকে ভর্তি করা হয় সাতক্ষীরা সদর হাসপাতালে।

সোমবার ভোরে জোসনা মৃত সন্তান প্রসব করেন। আহত বেল্লালও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। 

এ প্রসঙ্গে সদর হাসপাতালের ডা.মমতাজ মুজিব জানান জোসনার পেটে ইনজুরি ছিল। আঘাত জনিত কারণে তিনি মৃত সন্তান প্রসব করেছেন। গর্ভেই মারা যায় সন্তানটি। 

আশাশুনি থানার ওসি গোলাম কবির জানান, দুই পক্ষের মারামারির বিষয়ে একটি মামলা হয়। এই মামলার সঙ্গে আহত গৃহবধূর মৃত সন্তান প্রসবের বিষয়টি যুক্ত হবে। তদন্ত করে আইনগত ব্যস্থা নেওয়া হবে। তিনি জানান সামসুজ্জামান পলাতক রয়েছেন।
 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন