একসঙ্গে ৪ কন্যার জন্ম দিলেন সালমা
jugantor
একসঙ্গে ৪ কন্যার জন্ম দিলেন সালমা

  ফেনী প্রতিনিধি  

১৫ জুন ২০২১, ০০:১১:০৩  |  অনলাইন সংস্করণ

ফেনীর ফুলগাজীর সালমা আক্তার (২৪) নামে এক গৃহবধূ একসঙ্গে চার মেয়ে সন্তান প্রসব করেছেন। সোমবার বিকাল ৪টায় গ্রামের বাড়ি থেকে শহরের ডাক্তারপাড়ার হায়দার ক্লিনিকে অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে তিনি ৪টি কন্যাসন্তানের জন্ম দেন।

সালমা ফেনীর ফুলগাজী উপজেলার জিএম হাট ইউনিয়নের শরিফপুর গ্রামের প্রবাসী মো. আলম পাটোয়ারীর স্ত্রী।

সালমা আক্তারের দেবর মো. আনোয়ার হোসেন পাটোয়ারী বলেন, তারা এর আগে দুজন সন্তানের কথা চিকিৎসক ও আলট্রাসনোগ্রাফির মাধ্যমে নিশ্চিত হয়েছিলেন। দুপুরের দিকে তার ভাবির প্রসব ব্যথা উঠলে সন্ধ্যায় তাকে শহরের হায়দার ক্লিনিকে নিয়ে আসা হয়। ক্লিনিকে কর্তব্যরত চিকিৎসক তার অবস্থা দেখেই অস্ত্রোপচারের পরামর্শ দেন। চিকিৎসক তাহমিনা সুলতানা নিলু অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে চারটি নবজাতক বের করে আনেন।

আনোয়ার আরও জানান, এর আগে ভাই-ভাবির ৪ বছর বয়সী একটি ছেলে সন্তান রয়েছে। একসঙ্গে ৪টি মেয়ে সন্তান পেয়ে আমরা পরিবারের সবাই খুশি হয়েছি। আমাদের যৌথ পরিবারে ৪ সন্তানের লালন পালনে কোনো সমস্যা হবে না।

হায়দার ক্লিনিকের ব্যবস্থাপক নুরুল আফসার ফোরকান বলেন, ওই গৃহবধূর চার সন্তান জন্ম দেওয়ার খবরটি শোনার পর বিভিন্ন মানুষ হাসপাতালে ভিড় জমাচ্ছেন। আমরা নবজাতক ও তাদের মাকে একটি কেবিনে থাকার ব্যবস্থা করে দিয়েছি।

অস্ত্রোপচারের দায়িত্বে থাকা চিকিৎসক তাহমিনা সুলতানা নিলু যুগান্তরকে বলেন, ওই গৃহবধূ এবং তার চার নবজাতককে প্রাথমিকভাবে সুস্থ দেখা যাচ্ছে। তাদের আরও পর্যবেক্ষণ শেষে ক্লিনিক থেকে ছাড়া হবে।

একসঙ্গে ৪ কন্যার জন্ম দিলেন সালমা

 ফেনী প্রতিনিধি 
১৫ জুন ২০২১, ১২:১১ এএম  |  অনলাইন সংস্করণ

ফেনীর ফুলগাজীর সালমা আক্তার (২৪) নামে এক গৃহবধূ একসঙ্গে চার মেয়ে সন্তান প্রসব করেছেন। সোমবার বিকাল ৪টায় গ্রামের বাড়ি থেকে শহরের ডাক্তারপাড়ার হায়দার ক্লিনিকে অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে তিনি ৪টি কন্যাসন্তানের জন্ম দেন। 

সালমা ফেনীর ফুলগাজী উপজেলার জিএম হাট ইউনিয়নের শরিফপুর গ্রামের প্রবাসী মো. আলম পাটোয়ারীর স্ত্রী। 

সালমা আক্তারের দেবর মো. আনোয়ার হোসেন পাটোয়ারী বলেন, তারা এর আগে দুজন সন্তানের কথা চিকিৎসক ও আলট্রাসনোগ্রাফির মাধ্যমে নিশ্চিত হয়েছিলেন। দুপুরের দিকে তার ভাবির প্রসব ব্যথা উঠলে সন্ধ্যায় তাকে শহরের হায়দার ক্লিনিকে নিয়ে আসা হয়। ক্লিনিকে কর্তব্যরত চিকিৎসক তার অবস্থা দেখেই অস্ত্রোপচারের পরামর্শ দেন। চিকিৎসক তাহমিনা সুলতানা নিলু অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে চারটি নবজাতক বের করে আনেন। 

আনোয়ার আরও জানান, এর আগে ভাই-ভাবির ৪ বছর বয়সী একটি ছেলে সন্তান রয়েছে। একসঙ্গে ৪টি মেয়ে সন্তান পেয়ে আমরা পরিবারের সবাই খুশি হয়েছি। আমাদের যৌথ পরিবারে ৪ সন্তানের লালন পালনে কোনো সমস্যা হবে না।

হায়দার ক্লিনিকের ব্যবস্থাপক নুরুল আফসার ফোরকান বলেন, ওই গৃহবধূর চার সন্তান জন্ম দেওয়ার খবরটি শোনার পর বিভিন্ন মানুষ হাসপাতালে ভিড় জমাচ্ছেন। আমরা নবজাতক ও তাদের মাকে একটি কেবিনে থাকার ব্যবস্থা করে দিয়েছি।

অস্ত্রোপচারের দায়িত্বে থাকা চিকিৎসক তাহমিনা সুলতানা নিলু যুগান্তরকে বলেন, ওই গৃহবধূ এবং তার চার নবজাতককে প্রাথমিকভাবে সুস্থ দেখা যাচ্ছে। তাদের আরও পর্যবেক্ষণ শেষে ক্লিনিক থেকে ছাড়া হবে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন