‘স্ত্রী পরকীয়ায় ক্ষিপ্ত হয়ে নিজেকে কন্ট্রোল করতে পারিনি’
jugantor
‘স্ত্রী পরকীয়ায় ক্ষিপ্ত হয়ে নিজেকে কন্ট্রোল করতে পারিনি’

  কুষ্টিয়া প্রতিনিধি  

১৫ জুন ২০২১, ০০:৪১:০৯  |  অনলাইন সংস্করণ

কুষ্টিয়ায় আলোচিত মা-ছেলেসহ তিন খুনের মামলার একমাত্র আসামি পুলিশের এএসআই সৌমেন রায় আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। এ সময় তিনি বলেন- ‘স্ত্রী পরকীয়ায় ক্ষিপ্ত হয়ে নিজেকে কন্ট্রোল করতে পারিনি’।

সোমবার দুপুরে কুষ্টিয়ার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. এনামুল হকের আদালতে তিনি জবানবন্দি দেন।

এর আগে সোমবার দুপুর ১টা ১০ মিনিটে কুষ্টিয়া পুলিশ সুপারের ডিবি কার্যালয় থেকে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থার মধ্যে দিয়ে তাকে আদালতে নেয়া হয়।

ওই আদালতের পেশকার এম এ আলীম জানান, আদালতে আসামি সৌমেন ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।

আদালতের একটি সূত্রে জানা যায়, স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে আসামি সৌমেন জানান- তার দ্বিতীয় স্ত্রী আসমা খাতুনের সঙ্গে এক যুবকের পরকীয়া সম্পর্ক ছিল। একাধিকবার নিষেধ করেও কোনোভাবে স্ত্রীকে কন্ট্রোল করতে পারছিলেম না। স্ত্রীর এমন কর্মকাণ্ডে রাগে ক্ষিপ্ত হয়ে নিজেকে কন্ট্রোল করতে না পেরে তিনি এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটিয়েছেন। তবে শিশু রবিনকে হত্যা করা ঠিক হয়নি স্বীকার করে, এ ঘটনায় অনুতপ্ত বলে আদালতকে জানান সৌমেন।

এদিকে নিহত আসমা খাতুন, তার ছেলে রবিন ও পরকীয়া প্রেমিক শালিক খানের মরদেহ ময়নাতদন্ত শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

সোমবার সকালে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের আরএমও তাপস কুমার সরকার এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, নিহত তিনজনের লাশ ময়নাতদন্ত শেষে রোববার রাত ১২টার পর তাদের পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। শাকিলের লাশ তার বাবা মেজবা রহমানের কাছে এবং আসমা খাতুন ও তার ছয় বছর বয়সী ছেলের লাশ মা হাসিনা বেগমের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

নিহতদের পারিবারিক সূত্র জানায়, বাদ জোহর নিহত আসমা খাতুন ও তার ছেলে রবিনের জানাজা শেষে নিজ গ্রাম কুমারখালীর বাগুলাট ইউনিয়নের নাতুড়িয়া কবরস্থানে দাফন সম্পন্ন হবে। অন্যদিকে নিহত শাকিল খানের নিজ গ্রাম কুমারখালী উপজেলার চাপড়া ইউনিয়নের সাঁওতা কারিগর পাড়া গ্রামের মেছের উদ্দিন দারুল উলুম কওমি মাদ্রাসায় বাদ জোহর জানাজা শেষে সাঁওতা কারিগর পাড়া গোরস্থানে দাফন করা হয়।

এই তিন হত্যার ঘটনায় খুলনা ফুলতলা থানার এএসআই সৌমেন রায়কে একমাত্র আসামি করে রোববার রাতে কুষ্টিয়া মডেল থানায় একটি হত্যা মামলা করেছেন নিহত আসমা খাতুনের মা হাসিনা বেগম।

কুষ্টিয়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাব্বিরুল আলম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

‘স্ত্রী পরকীয়ায় ক্ষিপ্ত হয়ে নিজেকে কন্ট্রোল করতে পারিনি’

 কুষ্টিয়া প্রতিনিধি 
১৫ জুন ২০২১, ১২:৪১ এএম  |  অনলাইন সংস্করণ

কুষ্টিয়ায় আলোচিত মা-ছেলেসহ তিন খুনের মামলার একমাত্র আসামি পুলিশের এএসআই সৌমেন রায় আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। এ সময় তিনি বলেন- ‘স্ত্রী পরকীয়ায় ক্ষিপ্ত হয়ে নিজেকে কন্ট্রোল করতে পারিনি’।

সোমবার দুপুরে কুষ্টিয়ার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. এনামুল হকের আদালতে তিনি জবানবন্দি দেন।

এর আগে সোমবার দুপুর ১টা ১০ মিনিটে কুষ্টিয়া পুলিশ সুপারের ডিবি কার্যালয় থেকে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থার মধ্যে দিয়ে তাকে আদালতে নেয়া হয়।

ওই আদালতের পেশকার এম এ আলীম জানান, আদালতে আসামি সৌমেন ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।

আদালতের একটি সূত্রে জানা যায়, স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিতে আসামি সৌমেন জানান- তার দ্বিতীয় স্ত্রী আসমা খাতুনের সঙ্গে এক যুবকের পরকীয়া সম্পর্ক ছিল। একাধিকবার নিষেধ করেও কোনোভাবে স্ত্রীকে কন্ট্রোল করতে পারছিলেম না। স্ত্রীর এমন কর্মকাণ্ডে রাগে ক্ষিপ্ত হয়ে নিজেকে কন্ট্রোল করতে না পেরে তিনি এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটিয়েছেন। তবে শিশু রবিনকে হত্যা করা ঠিক হয়নি স্বীকার করে, এ ঘটনায় অনুতপ্ত বলে আদালতকে জানান সৌমেন।

এদিকে নিহত আসমা খাতুন, তার ছেলে রবিন ও পরকীয়া প্রেমিক শালিক খানের মরদেহ ময়নাতদন্ত শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

সোমবার সকালে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের আরএমও তাপস কুমার সরকার এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, নিহত তিনজনের লাশ ময়নাতদন্ত শেষে রোববার রাত ১২টার পর তাদের পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। শাকিলের লাশ তার বাবা মেজবা রহমানের কাছে এবং আসমা খাতুন ও তার ছয় বছর বয়সী ছেলের লাশ মা হাসিনা বেগমের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

নিহতদের পারিবারিক সূত্র জানায়, বাদ জোহর নিহত আসমা খাতুন ও তার ছেলে রবিনের জানাজা শেষে নিজ গ্রাম কুমারখালীর বাগুলাট ইউনিয়নের নাতুড়িয়া কবরস্থানে দাফন সম্পন্ন হবে। অন্যদিকে নিহত শাকিল খানের নিজ গ্রাম কুমারখালী উপজেলার চাপড়া ইউনিয়নের সাঁওতা কারিগর পাড়া গ্রামের মেছের উদ্দিন দারুল উলুম কওমি মাদ্রাসায় বাদ জোহর জানাজা শেষে সাঁওতা কারিগর পাড়া গোরস্থানে দাফন করা হয়।

এই তিন হত্যার ঘটনায় খুলনা ফুলতলা থানার এএসআই সৌমেন রায়কে একমাত্র আসামি করে রোববার রাতে কুষ্টিয়া মডেল থানায় একটি হত্যা মামলা করেছেন নিহত আসমা খাতুনের মা হাসিনা বেগম।

কুষ্টিয়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাব্বিরুল আলম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন