ফেলে যাওয়া সেই শিশুর বাবা-মায়ের সন্ধান মেলেনি
jugantor
ফেলে যাওয়া সেই শিশুর বাবা-মায়ের সন্ধান মেলেনি

  মুরাদনগর (কুমিল্লা) প্রতিনিধি  

১৫ জুন ২০২১, ১৫:০৬:২৬  |  অনলাইন সংস্করণ

ফেলে যাওয়া সেই শিশুর বাবা-মায়ের সন্ধান মেলেনি

কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলায় একটি বাড়ির সিঁড়িতে ফেলে যাওয়া এক মাস বয়সি সেই মেয়ে শিশুটির বাবা-মায়ের সন্ধান আজ মঙ্গলবারও পাওয়া যায়নি।

গত রোববার দুপুরে উপজেলা বাঙ্গরাবাজার থানার শ্রীকাইল গ্রামের নবীপুর রোডের পাশের বসতবাড়ির সিঁড়ির ওপর থেকে শিশুটিকে উদ্ধার করে হুমায়ন কবিরের স্ত্রী জাহানারা বেগম। শিশুটি পাওয়ার তিন দিন পার হতে চলছে, কিন্তু এখনও তার পরিচয় না পাওয়াতে এ নিয়ে এলাকায় বেশ চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

হুমায়ূন কবিরের স্ত্রী জাহানারা বেগম বলেন, রোববার দুপুরে দোতলা বাসার মধ্যে আমরা বিশ্রাম করছিলাম। এ সময় অনেকক্ষণ ধরে নিচতলা থেকে একটি শিশুর কান্নার শব্দ শুনতে পাই। পরে বাসা থেকে নেমে গিয়ে দেখি সিঁড়ির প্রবেশমুখের ফ্লোরে একটি মেয়েশিশু পড়ে আছে আর কান্না করছে।

তখন আশপাশে অনেকক্ষণ খোঁজাখুঁজি করেও কাউকে দেখতে পাইনি। পরে এ ঘটনা আমার স্বামীকে জানালে তিনিও নিচে নেমে আসেন এবং শিশুটিকে কোলে তুলে নিতে বলেন।

তবে আমাদের ধারণা, হয়তো কেউ এখানে শিশুটিকে ফেলে রেখে পালিয়ে গেছে। শিশুটির পরনে একটি হলুদ সাদা রঙের জামা ছিল। শিশুটির আনুমানিক বয়স এক মাস হতে পারে।

এদিকে শিশু পাওয়ার খবর সামাজিক ও যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়লে দেশ-বিদেশ থেকে বিভিন্ন নিঃসন্তান দম্পত্তি ও একাধিক পরিবার শিশুটিকে দত্তক নিতে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। এমনকি কেউ কেউ টাকার বিনিময়েও শিশুটিকে দত্তক নিতে প্রস্তাব দিয়েছেন।

মুরাদনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অভিষেক দাশ বলেন, শিশুটির প্রকৃত অভিভাবক পাওয়া না গেলে সমাজসেবা অধিদপ্তরের মাধ্যমে যথাযত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ফেলে যাওয়া সেই শিশুর বাবা-মায়ের সন্ধান মেলেনি

 মুরাদনগর (কুমিল্লা) প্রতিনিধি 
১৫ জুন ২০২১, ০৩:০৬ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
ফেলে যাওয়া সেই শিশুর বাবা-মায়ের সন্ধান মেলেনি
ছবি: যুগান্তর

কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলায় একটি বাড়ির সিঁড়িতে ফেলে যাওয়া এক মাস বয়সি সেই মেয়ে শিশুটির বাবা-মায়ের সন্ধান আজ মঙ্গলবারও পাওয়া যায়নি।

গত রোববার দুপুরে উপজেলা বাঙ্গরাবাজার থানার শ্রীকাইল গ্রামের নবীপুর রোডের পাশের বসতবাড়ির সিঁড়ির ওপর থেকে শিশুটিকে উদ্ধার করে হুমায়ন কবিরের স্ত্রী জাহানারা বেগম। শিশুটি পাওয়ার তিন দিন পার হতে চলছে, কিন্তু এখনও তার পরিচয় না পাওয়াতে এ নিয়ে এলাকায় বেশ চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

হুমায়ূন কবিরের স্ত্রী জাহানারা বেগম বলেন, রোববার দুপুরে দোতলা বাসার মধ্যে আমরা বিশ্রাম করছিলাম। এ সময় অনেকক্ষণ ধরে নিচতলা থেকে একটি শিশুর কান্নার শব্দ শুনতে পাই। পরে বাসা থেকে নেমে গিয়ে দেখি সিঁড়ির প্রবেশমুখের ফ্লোরে একটি মেয়েশিশু পড়ে আছে আর কান্না করছে।

তখন আশপাশে অনেকক্ষণ খোঁজাখুঁজি করেও কাউকে দেখতে পাইনি। পরে এ ঘটনা আমার স্বামীকে জানালে তিনিও নিচে নেমে আসেন এবং শিশুটিকে কোলে তুলে নিতে বলেন।

তবে আমাদের ধারণা, হয়তো কেউ এখানে শিশুটিকে ফেলে রেখে পালিয়ে গেছে। শিশুটির পরনে একটি হলুদ সাদা রঙের জামা ছিল। শিশুটির আনুমানিক বয়স এক মাস হতে পারে।

এদিকে শিশু পাওয়ার খবর সামাজিক ও যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়লে দেশ-বিদেশ থেকে বিভিন্ন নিঃসন্তান দম্পত্তি ও একাধিক পরিবার শিশুটিকে দত্তক নিতে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। এমনকি কেউ কেউ টাকার বিনিময়েও শিশুটিকে দত্তক নিতে প্রস্তাব দিয়েছেন।

মুরাদনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অভিষেক দাশ বলেন, শিশুটির প্রকৃত অভিভাবক পাওয়া না গেলে সমাজসেবা অধিদপ্তরের মাধ্যমে যথাযত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন