ফতুল্লায় ভবন ধস আতঙ্ক
jugantor
ফতুল্লায় ভবন ধস আতঙ্ক

  ফতুল্লা (নারায়ণগঞ্জ) প্রতিনিধি  

১৫ জুন ২০২১, ২২:৪৯:২০  |  অনলাইন সংস্করণ

নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় হঠাৎ করেই একটি চারতলা ভবনের তৃতীয় তলার বারান্দা ধসে পড়েছে। ভবনের নিচের দোকানপাট বন্ধ থাকায় হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।

শনিবার রাত সাড়ে ১২টায় নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের ১৩নং ওয়ার্ডে অবস্থিত ফতুল্লার মাসদাইর বাজার এলাকায় ৬ ভাইয়ের বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।

এরপর থেকে বাড়ির বাসিন্দা এলাকাবাসী পথচারী ও দোকানিদের মাঝে ভবন ধসের আতঙ্ক বিরাজ করছে। যদিও বাড়ির মালিক বিষয়টি ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে দেখতে নারাজ। তবে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটার পূর্বেই দ্রুত বাড়িটি সিলগালা করে দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

এলাকাবাসী জানান, মাসদাইর বাজারের মূল সড়কের সাথেই ভবনটি। আর ভবনের বারান্দা সড়কেই ধসে পড়ে। প্রায় ১২ ফুট এ সড়ক দিয়ে প্রতিদিন প্রচুর মানুষ চলাফেরা করেন। বারান্দা ও কার্নিশের দেয়াল যদি দিনের বেলা কিংবা সন্ধ্যায় ধসে পড়ত তাহলে অনেক হতাহতের ঘটনা ঘটত।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, বারান্দা ও কার্নিশ ধসে পড়া ভবনের চিত্র যে কেউ এক নজর দেখেই বলে দেবে বহু পুরনো বাড়ি এটি। নেই কোনো রঙ কিংবা সংস্কারের ছোঁয়া। খসে পড়েছে বারান্দা ও কার্নিশের পলেস্তারা।

বাড়ির নিচে চান ডেকোরেটরের মালিক লাল চান মিয়া কিছুদিন পূর্বে তার দোকান ভাড়া নিয়েছেন। দিয়েছেন লাখ টাকা অ্যাডভান্স। ভবনের কার্নিশ ও বারান্দা ধসের পর এক মুহূর্ত নিরাপদ বোধ করছেন না তিনি।

বাড়িটি ঝুঁকিপূর্ণ নয় দাবি করে বাড়ির অংশীদার সামসুজ্জামান বলেন, আমরা ৬ ভাই এ বাড়ির মালিক। এখানে ৫টা ফ্যামিলিতে প্রায় ২০ জন থাকেন। আমাদের বাড়ি ঠিকই আছে। এখানে কত মানুষ থাকছেন। যদি ঝুঁকিপূর্ণ হতো তাহলে তো আমরাই থাকতাম না। বাড়ির ওই বারান্দাটা রিপেয়ার করা হয়নি। তাই বৃষ্টির পানিতে ড্যাম হয়ে নষ্ট হয়েছে।

এ ব্যাপারে নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের ১৩নং ওয়ার্ডের সচিব টিপু রেজা বলেন, ঘটনার পরপরই আমরা ফায়ার সার্ভিস এবং সিটি করপোরেশনকে অবগত করেছি। ফায়ার সার্ভিস দুই দফায় পরিদর্শন করে তাদের সরে যেতে বলেছেন। আমরাও বাড়ির বাসিন্দা এবং দোকানিদের সরে যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছি।

নারায়ণগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের উপ-পরিচালক আবদুল্লাহ আল আরেফিন বলেন, আমাদের মতে ভবনের সামনে থাকা বারান্দাগুলো ঝুঁকিপূর্ণ। সেগুলো ভেঙে ফেলার পরামর্শ দিয়েছি। আর ভবনের ব্যাপারে আমরা ইউএনওকে চিঠি দেব। তিনি ইঞ্জিনিয়ার সঙ্গে নিয়ে ভবন পরিদর্শন করে পরবর্তী সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবেন।

ফতুল্লায় ভবন ধস আতঙ্ক

 ফতুল্লা (নারায়ণগঞ্জ) প্রতিনিধি 
১৫ জুন ২০২১, ১০:৪৯ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় হঠাৎ করেই একটি চারতলা ভবনের তৃতীয় তলার বারান্দা ধসে পড়েছে। ভবনের নিচের দোকানপাট বন্ধ থাকায় হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।

শনিবার রাত সাড়ে ১২টায় নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের ১৩নং ওয়ার্ডে অবস্থিত ফতুল্লার মাসদাইর বাজার এলাকায় ৬ ভাইয়ের বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।

এরপর থেকে বাড়ির বাসিন্দা এলাকাবাসী পথচারী ও দোকানিদের মাঝে ভবন ধসের আতঙ্ক বিরাজ করছে। যদিও বাড়ির মালিক বিষয়টি ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে দেখতে নারাজ। তবে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটার পূর্বেই দ্রুত বাড়িটি সিলগালা করে দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।

এলাকাবাসী জানান, মাসদাইর বাজারের মূল সড়কের সাথেই ভবনটি। আর ভবনের বারান্দা সড়কেই ধসে পড়ে। প্রায় ১২ ফুট এ সড়ক দিয়ে প্রতিদিন প্রচুর মানুষ চলাফেরা করেন। বারান্দা ও কার্নিশের দেয়াল যদি দিনের বেলা কিংবা সন্ধ্যায় ধসে পড়ত তাহলে অনেক হতাহতের ঘটনা ঘটত।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, বারান্দা ও কার্নিশ ধসে পড়া ভবনের চিত্র যে কেউ এক নজর দেখেই বলে দেবে বহু পুরনো বাড়ি এটি। নেই কোনো রঙ কিংবা সংস্কারের ছোঁয়া। খসে পড়েছে বারান্দা ও কার্নিশের পলেস্তারা। 

বাড়ির নিচে চান ডেকোরেটরের মালিক লাল চান মিয়া কিছুদিন পূর্বে তার দোকান ভাড়া নিয়েছেন। দিয়েছেন লাখ টাকা অ্যাডভান্স। ভবনের কার্নিশ ও বারান্দা ধসের পর এক মুহূর্ত নিরাপদ বোধ করছেন না তিনি।

বাড়িটি ঝুঁকিপূর্ণ নয় দাবি করে বাড়ির অংশীদার সামসুজ্জামান বলেন, আমরা ৬ ভাই এ বাড়ির মালিক। এখানে ৫টা ফ্যামিলিতে প্রায় ২০ জন থাকেন। আমাদের বাড়ি ঠিকই আছে। এখানে কত মানুষ থাকছেন। যদি ঝুঁকিপূর্ণ হতো তাহলে তো আমরাই থাকতাম না। বাড়ির ওই বারান্দাটা রিপেয়ার করা হয়নি। তাই বৃষ্টির পানিতে ড্যাম হয়ে নষ্ট হয়েছে।

এ ব্যাপারে নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের ১৩নং ওয়ার্ডের সচিব টিপু রেজা বলেন, ঘটনার পরপরই আমরা ফায়ার সার্ভিস এবং সিটি করপোরেশনকে অবগত করেছি। ফায়ার সার্ভিস দুই দফায় পরিদর্শন করে তাদের সরে যেতে বলেছেন। আমরাও বাড়ির বাসিন্দা এবং দোকানিদের সরে যাওয়ার পরামর্শ দিয়েছি।

নারায়ণগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের উপ-পরিচালক আবদুল্লাহ আল আরেফিন বলেন, আমাদের মতে ভবনের সামনে থাকা বারান্দাগুলো ঝুঁকিপূর্ণ। সেগুলো ভেঙে ফেলার পরামর্শ দিয়েছি। আর ভবনের ব্যাপারে আমরা ইউএনওকে চিঠি দেব। তিনি ইঞ্জিনিয়ার সঙ্গে নিয়ে ভবন পরিদর্শন করে পরবর্তী সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবেন।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন