ঘুমন্ত বাবাকে হত্যা করল পাষণ্ড ছেলে
jugantor
ঘুমন্ত বাবাকে হত্যা করল পাষণ্ড ছেলে

  রংপুর ব্যুরো  

১৫ জুন ২০২১, ২২:৫৫:০৫  |  অনলাইন সংস্করণ

রংপুরের মিঠাপুকুরে চাঞ্চল্যকর আদিবাসী মোংলা কুজুর (৬০) মামলার ঘটনায় একমাত্র ও প্রধান আসামি পাষণ্ড ছেলে জীবন কুজুরকে (৩৮) গ্রেফতার করেছে পুলিশ। সেই সঙ্গে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত কুড়ালটিও উদ্ধার করা হয়েছে। মঙ্গলবার জীবন কুজুরকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়।

এ ঘটনায় নিহতের চাচাতো ভাই আতুল কুজুর মাস্টার বাদী হয়ে হত্যামামলা দায়ের করেন। এর আগে সোমবার মধ্যরাতে অভিযান চালিয়ে ঘুমন্ত বাবাকে হত্যার অভিযোগে ছেলে জীবন কুজুরকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

শুক্রবার উপজেলার বড় হযরতপুর ইউনিয়নের রামেশ্বরপাড়া গ্রামের আদিবাসী পল্লীতে পারিবারিক বিরোধের জেরে মোংলা কুজুরের একমাত্র ছেলে জীবন কুজুর ঘুমন্ত বাবাকে কুড়াল দিয়ে কুপিয়ে হত্যার পর পালিয়ে যায়।

পুলিশ ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, মোংলা কুজুর একটি ইটভাটায় শ্রমিকের কাজ করতেন। তার একমাত্র ছেলে জীবন কুজুর (৩৮) মানসিক ভারসাম্যহীন। পারিবারিক বিরোধ নিয়ে সম্প্রতি পিতা-পুত্রের মধ্যে মনোমালিন্য সৃষ্টি হয়।

১১ জুন বিকালের দিকে নিজ শয়ন ঘরে ঘুমিয়ে পড়েন মোংলা কুজুর। এ সময় ঘরে ঢুকে কুড়াল দিয়ে কোপ মেরে পালিয়ে যায় ছেলে জীবন কুজুর। এতে ঘটনাস্থলেই মোংলা কুজুরের মৃত্যু হয়। খবর পেয়ে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে মর্গে পাঠায়। এ ঘটনায় থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।

মিঠাপুকুর থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) জাকির হোসেন বলেন, পারিবারিক বিরোধের কারণে গ্রেফতাকৃত জীবন কুজুর তার পিতাকে হত্যার কথা স্বীকার করেছে। আসামিকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মিঠাপুকুর-পীরগঞ্জের দায়িত্বরত অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (এএসপি) ডি সার্কেল কামরুজ্জামান।

ঘুমন্ত বাবাকে হত্যা করল পাষণ্ড ছেলে

 রংপুর ব্যুরো 
১৫ জুন ২০২১, ১০:৫৫ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

রংপুরের মিঠাপুকুরে চাঞ্চল্যকর আদিবাসী মোংলা কুজুর (৬০) মামলার ঘটনায় একমাত্র ও প্রধান আসামি পাষণ্ড ছেলে জীবন কুজুরকে (৩৮) গ্রেফতার করেছে পুলিশ। সেই সঙ্গে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত কুড়ালটিও উদ্ধার করা হয়েছে। মঙ্গলবার জীবন কুজুরকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়।

এ ঘটনায় নিহতের চাচাতো ভাই আতুল কুজুর মাস্টার বাদী হয়ে হত্যামামলা দায়ের করেন। এর আগে সোমবার মধ্যরাতে অভিযান চালিয়ে ঘুমন্ত বাবাকে হত্যার অভিযোগে ছেলে জীবন কুজুরকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

শুক্রবার উপজেলার বড় হযরতপুর ইউনিয়নের রামেশ্বরপাড়া গ্রামের আদিবাসী পল্লীতে পারিবারিক বিরোধের জেরে মোংলা কুজুরের একমাত্র ছেলে জীবন কুজুর ঘুমন্ত বাবাকে কুড়াল দিয়ে কুপিয়ে হত্যার পর পালিয়ে যায়।

পুলিশ ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, মোংলা কুজুর একটি ইটভাটায় শ্রমিকের কাজ করতেন। তার একমাত্র ছেলে জীবন কুজুর (৩৮) মানসিক ভারসাম্যহীন। পারিবারিক বিরোধ নিয়ে সম্প্রতি পিতা-পুত্রের মধ্যে মনোমালিন্য সৃষ্টি হয়।

১১ জুন বিকালের দিকে নিজ শয়ন ঘরে ঘুমিয়ে পড়েন মোংলা কুজুর। এ সময় ঘরে ঢুকে কুড়াল দিয়ে কোপ মেরে পালিয়ে যায় ছেলে জীবন কুজুর। এতে ঘটনাস্থলেই মোংলা কুজুরের মৃত্যু হয়। খবর পেয়ে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে মর্গে পাঠায়। এ ঘটনায় থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। 

মিঠাপুকুর থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) জাকির হোসেন বলেন, পারিবারিক বিরোধের কারণে গ্রেফতাকৃত জীবন কুজুর তার পিতাকে হত্যার কথা স্বীকার করেছে। আসামিকে আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মিঠাপুকুর-পীরগঞ্জের দায়িত্বরত অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (এএসপি) ডি সার্কেল কামরুজ্জামান।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন