মাছ বিক্রি করে বাড়ি ফেরা হলো না হাফিজের
jugantor
মাছ বিক্রি করে বাড়ি ফেরা হলো না হাফিজের

  নেত্রকোনা প্রতিনিধি  

১৬ জুন ২০২১, ২২:১০:০৩  |  অনলাইন সংস্করণ

নেত্রকোনার কেন্দুয়া উপজেলায় হাফিজ উদ্দিন (৫৫) নামে এক মাছ ব্যবসায়ীর লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বুধবার দুপুরে গড়াডোবা আবদুল হামিদ উচ্চ বিদ্যালয়ের পেছনে খালের পাড় থেকে মৃতদেহটি উদ্ধার করে হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করে পুলিশ।

নিহত হাফিজ উদ্দিন কেন্দুয়া উপজেলার গড়াডোবা ইউনিয়নের চন্দলাড়া গ্রামের আলাউদ্দিনের ছেলে।

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, হাফিজ উদ্দিন গত মঙ্গলবার বিকালে গড়াডোবা বাজারে মাছ বিক্রি করতে যান। মাছ বিক্রি শেষে তিনি আর বাড়িতে ফিরেননি। পরদিন বুধবার সকাল ৯টার দিকে গড়াডোবা আবদুল হামিদ উচ্চ বিদ্যালয়ের পেছনে খালের পাড়ে লাশ দেখতে পান স্থানীয়রা। পুলিশ খবর পেয়ে দুপুরের দিকে লাশটি উদ্ধারে নেত্রকোনা আধুনিক সদর হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করে।

কেন্দুয়া থানার ওসি কাজী শাহনেওয়াজ মৃতদেহ হাসপাতাল মর্গে প্রেরণের সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, এ ঘটনায় মৃতের ছোটভাই হারিছ উদ্দিন অপমৃত্যু মামলা দায়ের করেছেন। হাফিজ উদ্দিন কিছুটা মানসিক ভারসাম্যহীন ছিলেন বলে স্থানীয়ভাবে জানতে পেরেছি।

প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, তিনি প্রকৃতির ডাকে সাড়া দিয়ে স্কুলের পেছনের খালের পাড়ে গিয়ে থাকতে পারেন। লাশের শরীরে কোনো আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পেলে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।

মাছ বিক্রি করে বাড়ি ফেরা হলো না হাফিজের

 নেত্রকোনা প্রতিনিধি 
১৬ জুন ২০২১, ১০:১০ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

নেত্রকোনার কেন্দুয়া উপজেলায় হাফিজ উদ্দিন (৫৫) নামে এক মাছ ব্যবসায়ীর লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বুধবার দুপুরে গড়াডোবা আবদুল হামিদ উচ্চ বিদ্যালয়ের পেছনে খালের পাড় থেকে মৃতদেহটি উদ্ধার করে হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করে পুলিশ।

নিহত হাফিজ উদ্দিন কেন্দুয়া উপজেলার গড়াডোবা ইউনিয়নের চন্দলাড়া গ্রামের আলাউদ্দিনের ছেলে। 

স্থানীয় ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, হাফিজ উদ্দিন গত মঙ্গলবার বিকালে গড়াডোবা বাজারে মাছ বিক্রি করতে যান। মাছ বিক্রি শেষে তিনি আর বাড়িতে ফিরেননি। পরদিন বুধবার সকাল ৯টার দিকে গড়াডোবা আবদুল হামিদ উচ্চ বিদ্যালয়ের পেছনে খালের পাড়ে লাশ দেখতে পান স্থানীয়রা। পুলিশ খবর পেয়ে দুপুরের দিকে লাশটি উদ্ধারে নেত্রকোনা আধুনিক সদর হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করে।

কেন্দুয়া থানার ওসি কাজী শাহনেওয়াজ মৃতদেহ হাসপাতাল মর্গে প্রেরণের সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, এ ঘটনায় মৃতের ছোটভাই হারিছ উদ্দিন অপমৃত্যু মামলা দায়ের করেছেন। হাফিজ উদ্দিন কিছুটা মানসিক ভারসাম্যহীন ছিলেন বলে স্থানীয়ভাবে জানতে পেরেছি।

প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, তিনি প্রকৃতির ডাকে সাড়া দিয়ে স্কুলের পেছনের খালের পাড়ে গিয়ে থাকতে পারেন। লাশের শরীরে কোনো আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পেলে মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানা যাবে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন