চট্টগ্রাম কলেজে ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, আহত ৭
jugantor
চট্টগ্রাম কলেজে ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, আহত ৭

  চট্টগ্রাম ব্যুরো  

১৬ জুন ২০২১, ২২:৫৩:১১  |  অনলাইন সংস্করণ

চট্টগ্রাম কলেজে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে ছাত্রলীগের বিবদমান দু’গ্রপের সংঘর্ষে ৭ জন আহত হয়েছেন। বুধবার দুপুরে চট্টগ্রাম কলেজ ক্যাম্পাসে এ ঘটনা ঘটে।

আহতরা হলেন- চট্টগ্রাম কলেজের ডিগ্রি শেষ বর্ষের শিক্ষার্থী আবদুল মালেক রুমি, ইংরেজি বিভাগের স্নাতক শেষ বর্ষের শিক্ষার্থী আদুল্লাহ আল সাইমুন, গণিত বিভাগের তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী আবু তোরাব, একই বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী শাফায়েত হোসেন রাজু, ইতিহাস বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী সিরাজুল ইসলাম, একই বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী ফয়সাল হোসেন ও বাংলা বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী শিমু।

পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, কলেজ বন্ধ থাকলেও ১০-১৫ দিন ধরে প্রায় প্রতিদিনই চট্টগ্রাম কলেজ হোস্টেল এলাকায় কলেজ ছাত্রলীগ সভাপতি মাহমুদুল হক অনুসারীরা অবস্থান করে নিজেদের উপস্থিতি জানান দেয়। এর কয়েক দিন পর থেকে কলেজ ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক সুভাষ মল্লিক সবুজের অনুসারীরাও ক্যাম্পাসে এসে নিজেদের উপস্থিতি জানান দেয়। এতে ক্যাম্পাসে উত্তেজনা বিরাজ করতে থাকে।

সর্বশেষ বুধবার কলেজ ক্যাম্পাস এলাকা থেকে মাহমুদুল করিমের অনুসারী হিসেবে পরিচিত সৌরভ সাহা নামে এক ছাত্রলীগ কর্মীকে আটক করে পুলিশ। সুভাষ মল্লিকের লোকজনের অভিযোগেই সৌরভকে পুলিশ আটক করেছে- এমন ধারণা থেকে মাহমুদুল করিমের লোকজন বুধবার দুপুরে সুভাষ মল্লিকের অনুসারীদের ওপর হামলা চালালে দুই পক্ষ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে।

হোস্টেল এলাকা থেকে সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়ে রাস্তায়। দুই পক্ষের পাল্লাপাল্টি ধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনায় চকবাজার এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। বন্ধ হয়ে যায় যানবাহন চলাচল। খবর পেয়ে চকবাজার থানা পুলিশ এসে দুই পক্ষকে সরিয়ে দিলে পরিস্থিতি শান্ত হয়।

চট্টগ্রাম কলেজ ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক সুভাষ মল্লিক সবুজ বলেন, একটি পক্ষ অহেতুক ক্যাম্পাসে অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি সৃষ্টি করতে চাচ্ছে। সাধারণ শিক্ষার্থীদের স্বার্থ রক্ষায় কলেজ ক্যাম্পাসে শান্তি-শৃঙ্খলার অবনতি হতে দেবেন না তারা। কোনো অস্ত্রধারীর ঠাঁই হবে না ক্যাম্পাসে। সৌরভ সাহা নামের এক শিক্ষার্থীকে পুলিশ আটক করলেও বিনাকারণে মাহমুদুল করিমের অনুসারীরা তাদের (সুভাষ মল্লিকের) ছেলেদের ওপর হামলা করেছে।

এ বিষয়ে বক্তব্য জানার জন্য মাহমুদুল করিমকে ফোন দেওয়া হলেও তিনি রিসিভ না করায় বক্তব্য জানা যায়নি।

চকবাজার থানার ওসি আলমগীর মাহমুদ যুগান্তরকে বলেন, কলেজ ক্যাম্পাসে দু’গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছিল। তবে কেন কী কারণে এ সংঘর্ষ হয়েছে, তা তিনি জানেন না।

চট্টগ্রাম কলেজে ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, আহত ৭

 চট্টগ্রাম ব্যুরো 
১৬ জুন ২০২১, ১০:৫৩ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

চট্টগ্রাম কলেজে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে ছাত্রলীগের বিবদমান দু’গ্রপের সংঘর্ষে ৭ জন আহত হয়েছেন। বুধবার দুপুরে চট্টগ্রাম কলেজ ক্যাম্পাসে এ ঘটনা ঘটে। 

আহতরা হলেন- চট্টগ্রাম কলেজের ডিগ্রি শেষ বর্ষের শিক্ষার্থী আবদুল মালেক রুমি, ইংরেজি বিভাগের স্নাতক শেষ বর্ষের শিক্ষার্থী আদুল্লাহ আল সাইমুন, গণিত বিভাগের তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী আবু তোরাব, একই বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী শাফায়েত হোসেন রাজু, ইতিহাস বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী সিরাজুল ইসলাম, একই বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী ফয়সাল হোসেন ও বাংলা বিভাগের চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী শিমু। 

পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, কলেজ বন্ধ থাকলেও ১০-১৫ দিন ধরে প্রায় প্রতিদিনই চট্টগ্রাম কলেজ হোস্টেল এলাকায় কলেজ ছাত্রলীগ সভাপতি মাহমুদুল হক অনুসারীরা অবস্থান করে নিজেদের উপস্থিতি জানান দেয়। এর কয়েক দিন পর থেকে কলেজ ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক সুভাষ মল্লিক সবুজের অনুসারীরাও ক্যাম্পাসে এসে নিজেদের উপস্থিতি জানান দেয়। এতে ক্যাম্পাসে উত্তেজনা বিরাজ করতে থাকে। 

সর্বশেষ বুধবার কলেজ ক্যাম্পাস এলাকা থেকে মাহমুদুল করিমের অনুসারী হিসেবে পরিচিত সৌরভ সাহা নামে এক ছাত্রলীগ কর্মীকে আটক করে পুলিশ। সুভাষ মল্লিকের লোকজনের অভিযোগেই সৌরভকে পুলিশ আটক করেছে- এমন ধারণা থেকে মাহমুদুল করিমের লোকজন বুধবার দুপুরে সুভাষ মল্লিকের অনুসারীদের ওপর হামলা চালালে দুই পক্ষ সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। 

হোস্টেল এলাকা থেকে সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়ে রাস্তায়। দুই পক্ষের পাল্লাপাল্টি ধাওয়া ও সংঘর্ষের ঘটনায় চকবাজার এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। বন্ধ হয়ে যায় যানবাহন চলাচল। খবর পেয়ে চকবাজার থানা পুলিশ এসে দুই পক্ষকে সরিয়ে দিলে পরিস্থিতি শান্ত হয়।

চট্টগ্রাম কলেজ ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক সুভাষ মল্লিক সবুজ বলেন, একটি পক্ষ অহেতুক ক্যাম্পাসে অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি সৃষ্টি করতে চাচ্ছে। সাধারণ শিক্ষার্থীদের স্বার্থ রক্ষায় কলেজ ক্যাম্পাসে শান্তি-শৃঙ্খলার অবনতি হতে দেবেন না তারা। কোনো অস্ত্রধারীর ঠাঁই হবে না ক্যাম্পাসে।  সৌরভ সাহা নামের এক শিক্ষার্থীকে পুলিশ আটক করলেও বিনাকারণে মাহমুদুল করিমের অনুসারীরা তাদের (সুভাষ মল্লিকের) ছেলেদের ওপর হামলা করেছে। 

এ বিষয়ে বক্তব্য জানার জন্য মাহমুদুল করিমকে ফোন দেওয়া হলেও তিনি রিসিভ না করায় বক্তব্য জানা যায়নি।

চকবাজার থানার ওসি আলমগীর মাহমুদ যুগান্তরকে বলেন, কলেজ ক্যাম্পাসে দু’গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছিল। তবে কেন কী কারণে এ সংঘর্ষ হয়েছে, তা তিনি জানেন না।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন