ফাঁসিতে ঝুলে আত্মহত্যার চেষ্টা করায় স্বামীর নামে মামলা! 
jugantor
ফাঁসিতে ঝুলে আত্মহত্যার চেষ্টা করায় স্বামীর নামে মামলা! 

  সোনাগাজী (ফেনী) প্রতিনিধি  

১৭ জুন ২০২১, ০৫:২৮:৫৯  |  অনলাইন সংস্করণ

গ্রেফতার

পরকীয়া প্রেমের প্রতিবাদ করায় গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা চালিয়েছেন ধর্মরাজ (৪২) নামের এক ব্যক্তি। তবে মৃত্যু থেকে বেঁচে গেলেও স্ত্রীর করা মামলায় এখন তিনি কারাগারে।

মঙ্গলবার রাতে ফেনীর সোনাগাজী উপজেলার মঙ্গলকান্দি ইউনিয়নের মীর্জাপুর গ্রামে শ্রীরূপ সাধু বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।

এলাকাবাসী জানিয়েছেন, ধর্মরাজের সঙ্গে ২১ বছর আগে রত্না রানী দাসের বিয়ে হয়। ধর্মরাজ পেশায় একজন জেলে। চার কন্যা সন্তানের জনক তিনি। তবে চার মেয়ের মধ্যে তিনজনই প্রতিবন্ধী।

চার বছর ধরে ধর্মরাজ দুই সন্তানের জননী ববিতা রানীর সঙ্গে পরকীয়ায় জড়িয়ে পড়েন। এ নিয়ে স্ত্রী রত্না প্রতিবাদ করলে তাকে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করতেন ধর্মরাজ। এ নিয়ে একাধিকবার সালিশি বৈঠকও হয়েছেছে। কিন্তু ধর্মরাজকে পরকীয়া আসক্তি থেকে ফেরানো যায়নি।

মঙ্গলবার সন্ধ্যায় এ নিয়ে স্ত্রীর সঙ্গে ঝগড়া হয় ধর্মরাজের। এরপর ঘরের দরজা বন্ধ করে আড়ার সঙ্গে রশি বেঁধে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন ধর্মরাজ। কোনো সাড়া শব্দ না পেয়ে রত্না চিৎকার দিলে প্রতিবেশীরা ছুটে আসেন।

পরে দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে দা দিয়ে রশি কেটে দিলে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন ধর্মরাজ। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।

এ ঘটনায় রত্না বাদী হয়ে স্বামীকে আসামি করে সোনাগাজী মডেল থানায় একটি মামলা করেন। পুলিশ ধর্মরাজকে গ্রেফতারকরে বুধবার দুপুরে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠায়।

মঙ্গলকান্দি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোশারফ হোসেন বাদল বলেন, ধর্মরাজের কারণে দুটি পরিবারে চরম বিপর্যয় নেমে এসেছে।

সোনাগাজী মডেল থানার ওসি সাজেদুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

ফাঁসিতে ঝুলে আত্মহত্যার চেষ্টা করায় স্বামীর নামে মামলা! 

 সোনাগাজী (ফেনী) প্রতিনিধি 
১৭ জুন ২০২১, ০৫:২৮ এএম  |  অনলাইন সংস্করণ
গ্রেফতার
স্ত্রীর মামলায় গ্রেফতার ধর্মরাজ। ছবি-যুগান্তর

পরকীয়া প্রেমের প্রতিবাদ করায় গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা চালিয়েছেন ধর্মরাজ (৪২) নামের এক ব্যক্তি। তবে মৃত্যু থেকে বেঁচে গেলেও স্ত্রীর করা মামলায় এখন তিনি কারাগারে। 

মঙ্গলবার রাতে ফেনীর সোনাগাজী উপজেলার মঙ্গলকান্দি ইউনিয়নের মীর্জাপুর গ্রামে শ্রীরূপ সাধু বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। 

এলাকাবাসী জানিয়েছেন, ধর্মরাজের সঙ্গে ২১ বছর আগে রত্না রানী দাসের বিয়ে হয়। ধর্মরাজ পেশায় একজন জেলে। চার কন্যা সন্তানের জনক তিনি। তবে চার মেয়ের মধ্যে তিনজনই প্রতিবন্ধী। 

চার বছর ধরে ধর্মরাজ দুই সন্তানের জননী ববিতা রানীর সঙ্গে পরকীয়ায় জড়িয়ে পড়েন। এ নিয়ে স্ত্রী রত্না প্রতিবাদ করলে তাকে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করতেন ধর্মরাজ। এ নিয়ে একাধিকবার সালিশি বৈঠকও হয়েছেছে। কিন্তু ধর্মরাজকে পরকীয়া আসক্তি থেকে ফেরানো যায়নি। 

মঙ্গলবার সন্ধ্যায় এ নিয়ে স্ত্রীর সঙ্গে ঝগড়া হয় ধর্মরাজের। এরপর ঘরের দরজা বন্ধ করে আড়ার সঙ্গে রশি বেঁধে গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন ধর্মরাজ। কোনো সাড়া শব্দ না পেয়ে রত্না চিৎকার দিলে প্রতিবেশীরা ছুটে আসেন। 

পরে দরজা ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করে দা দিয়ে রশি কেটে দিলে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন ধর্মরাজ। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। 

এ ঘটনায় রত্না বাদী হয়ে স্বামীকে আসামি করে সোনাগাজী মডেল থানায় একটি মামলা করেন। পুলিশ ধর্মরাজকে গ্রেফতার করে বুধবার দুপুরে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠায়। 

মঙ্গলকান্দি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মোশারফ হোসেন বাদল বলেন, ধর্মরাজের কারণে দুটি পরিবারে চরম বিপর্যয় নেমে এসেছে।

সোনাগাজী মডেল থানার ওসি সাজেদুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন