ছাত্রদল-পুলিশের সংঘর্ষ লাঠিচার্জ গুলিবর্ষণ, পুলিশসহ আহত ২৬ (ভিডিও)
jugantor
ছাত্রদল-পুলিশের সংঘর্ষ লাঠিচার্জ গুলিবর্ষণ, পুলিশসহ আহত ২৬ (ভিডিও)

  ময়মনসিংহ ব্যুরো  

১৭ জুন ২০২১, ২১:৫১:২৮  |  অনলাইন সংস্করণ

ময়মনসিংহ নগরীর শম্ভুগঞ্জের চরকালিবাড়ি দাখিল মাদ্রাসা মাঠে ছাত্রদলের সভাকে কেন্দ্র করে বৃহস্পতিবার দুপুরে পুলিশের সঙ্গে ছাত্রদলের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া, ইটপাটকেল নিক্ষেপ, লাঠিচার্জ ও গুলিবর্ষণের ঘটনা ঘটে।

এতে কোতোয়ালি মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) ফারুক হোসেন ও পরিদর্শক (অপারেশন) ওয়াজেদ আলীসহ ছয় পুলিশ সদস্য, ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক ইকবাল হোসেন শ্যামলসহ কমপক্ষে ২০ নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। আহতরা নগরীর বিভিন্ন ক্লিনিকে চিকিৎসা নিয়েছেন বলে জানা গেছে।

এদিকে হামলার ঘটনায় পুলিশ ৮ জনকে আটক করেছে। ঘটনাস্থল থেকে ২০টি মোটরসাইকেল জব্দ করা হয়েছে।

কোতোয়ালি মডেল থানার ওসি ফিরোজ তালুকদার জানান, করোনার সময় সরকারি বিধি-নিষেধ অমান্য করে জিয়াউর রহমানের ৪০তম শাহাদতবার্ষিকী উপলক্ষে জেলা ও মহানগর ছাত্রদল শম্ভুগঞ্জের চরকালিবাড়ি দাখিল মাদ্রাসা মাঠে আলোচনা সভার আয়োজন করে। এতে স্থানীয় বাসিন্দারা ক্ষিপ্ত হয়ে কোতোয়ালি পুলিশকে বিষয়টি অবহিত করেন।

পরে পুলিশ ঘটনাস্থল পৌঁছলে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা পুলিশের ওপর হামলা চালায়। আত্মরক্ষার্থে পুলিশ ২৯ রাউন্ড শটগানের গুলি ও ১০টি টিয়ারশেল নিক্ষেপ করে ছত্রভঙ্গ করে দেয়। ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষের সময় কোতোয়ালি মডেল থানার ওসি (তদন্ত) ফারুক হোসেন ও ওসি (অপারেশন) ওয়াজেদ আলীসহ ছয় পুলিশ সদস্য আহত হন। ঘটনাস্থল থেকে ছাত্রদলের আটজনকে আটক এবং বেশ কিছু মোটরসাইকেল জব্দ করা হয়েছে বলে জানান তিনি।

এদিকে ছাত্রদল কেন্দ্রীয় সংসদের সহ-সভাপতি মাজেদুল ইসলাম রুমন জানান, ময়মনসিংহ মহানগর, উত্তর ও দক্ষিণ জেলা, কবি নজরুল বিশ্ববিদ্যালয় এবং বাকৃবি ছাত্রদলের উদ্যোগে শম্ভুগঞ্জের দক্ষিণ চরকালিবাড়ি এলাকার একটি মাদ্রাসা মাঠে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের শাহাদতবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।

মহানগরের বাইরে অনুষ্ঠানের জন্য পুলিশের অনুমতি ছিল। কিন্তু পুলিশ বিনা উসকানিতে সভায় লাঠিচার্জ, টিয়ারশেল নিক্ষেপ ও গুলিবর্ষণ করে সভাস্থল পণ্ড করে দেয়। পুলিশের হামলায় ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক ইকবাল হোসেন শ্যামলসহ আহত হয়েছেন কমপক্ষে ২৫ জন।

পুলিশ সুপার মো. আহমার উজ্জামান জানান, কোভিড নিষেধাজ্ঞা ভঙ্গ করে ছাত্রদল নগরীর শম্ভুগঞ্জ এলাকার চরকালিবাড়ীতে সমাবেশ করছিল। সেখানে ৪-৫শ’ মানুষের জমায়েত ছিল। করোনার সময়ে সভা-সমাবেশ নিষিদ্ধ থাকায় স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছলে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা পুলিশের ওপর হামলা চালায়। এ সময় বেশ কয়েকজন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন।

ছাত্রদল-পুলিশের সংঘর্ষ লাঠিচার্জ গুলিবর্ষণ, পুলিশসহ আহত ২৬ (ভিডিও)

 ময়মনসিংহ ব্যুরো 
১৭ জুন ২০২১, ০৯:৫১ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ

ময়মনসিংহ নগরীর শম্ভুগঞ্জের চরকালিবাড়ি দাখিল মাদ্রাসা মাঠে ছাত্রদলের সভাকে কেন্দ্র করে বৃহস্পতিবার দুপুরে পুলিশের সঙ্গে ছাত্রদলের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া, ইটপাটকেল নিক্ষেপ, লাঠিচার্জ ও গুলিবর্ষণের ঘটনা ঘটে।

এতে কোতোয়ালি মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) ফারুক হোসেন ও পরিদর্শক (অপারেশন) ওয়াজেদ আলীসহ ছয় পুলিশ সদস্য, ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক ইকবাল হোসেন শ্যামলসহ কমপক্ষে ২০ নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। আহতরা নগরীর বিভিন্ন ক্লিনিকে চিকিৎসা নিয়েছেন বলে জানা গেছে।

এদিকে হামলার ঘটনায় পুলিশ ৮ জনকে আটক করেছে। ঘটনাস্থল থেকে ২০টি মোটরসাইকেল জব্দ করা হয়েছে।

কোতোয়ালি মডেল থানার ওসি ফিরোজ তালুকদার জানান, করোনার সময় সরকারি বিধি-নিষেধ অমান্য করে জিয়াউর রহমানের ৪০তম শাহাদতবার্ষিকী উপলক্ষে জেলা ও মহানগর ছাত্রদল শম্ভুগঞ্জের চরকালিবাড়ি দাখিল মাদ্রাসা মাঠে আলোচনা সভার আয়োজন করে। এতে স্থানীয় বাসিন্দারা ক্ষিপ্ত হয়ে কোতোয়ালি পুলিশকে বিষয়টি অবহিত করেন।

পরে পুলিশ ঘটনাস্থল পৌঁছলে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা পুলিশের ওপর হামলা চালায়। আত্মরক্ষার্থে পুলিশ ২৯ রাউন্ড শটগানের গুলি ও ১০টি টিয়ারশেল নিক্ষেপ করে ছত্রভঙ্গ করে দেয়। ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও সংঘর্ষের সময় কোতোয়ালি মডেল থানার ওসি (তদন্ত) ফারুক হোসেন ও ওসি (অপারেশন) ওয়াজেদ আলীসহ ছয় পুলিশ সদস্য আহত হন। ঘটনাস্থল থেকে ছাত্রদলের আটজনকে আটক এবং বেশ কিছু মোটরসাইকেল জব্দ করা হয়েছে বলে জানান তিনি।

এদিকে ছাত্রদল কেন্দ্রীয় সংসদের সহ-সভাপতি মাজেদুল ইসলাম রুমন জানান, ময়মনসিংহ মহানগর, উত্তর ও দক্ষিণ জেলা, কবি নজরুল বিশ্ববিদ্যালয় এবং বাকৃবি ছাত্রদলের উদ্যোগে শম্ভুগঞ্জের দক্ষিণ চরকালিবাড়ি এলাকার একটি মাদ্রাসা মাঠে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের শাহাদতবার্ষিকী উপলক্ষে আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।

মহানগরের বাইরে অনুষ্ঠানের জন্য পুলিশের অনুমতি ছিল। কিন্তু পুলিশ বিনা উসকানিতে সভায় লাঠিচার্জ, টিয়ারশেল নিক্ষেপ ও গুলিবর্ষণ করে সভাস্থল পণ্ড করে দেয়। পুলিশের হামলায় ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক ইকবাল হোসেন শ্যামলসহ আহত হয়েছেন কমপক্ষে ২৫ জন।

পুলিশ সুপার মো. আহমার উজ্জামান জানান, কোভিড নিষেধাজ্ঞা ভঙ্গ করে ছাত্রদল নগরীর শম্ভুগঞ্জ এলাকার চরকালিবাড়ীতে সমাবেশ করছিল। সেখানে ৪-৫শ’ মানুষের জমায়েত ছিল। করোনার সময়ে সভা-সমাবেশ নিষিদ্ধ থাকায় স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছলে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা পুলিশের ওপর হামলা চালায়। এ সময় বেশ কয়েকজন পুলিশ সদস্য আহত হয়েছেন।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন