হাসপাতালে যাওয়ার পথে অসুস্থ নাতিসহ দাদা-দাদি নিহত
jugantor
হাসপাতালে যাওয়ার পথে অসুস্থ নাতিসহ দাদা-দাদি নিহত

  বগুড়া ব্যুরো  

১৯ জুন ২০২১, ১২:২৯:৫২  |  অনলাইন সংস্করণ

সড়ক দুর্ঘটনা

বগুড়ায় হাসপাতালে যাওয়ার পথে বাসের ধাক্কায় সিএনজিচালিত অটোরিকশায় থানা অসুস্থ নাতিসহ দাদা ও দাদি নিহত হয়েছেন। এ সময় অটোরিকশাচালকসহ ১৫ যাত্রী আহত হয়েছেন।

শনিবার সকালে বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলার মহাস্থান বাজারের উত্তরে হাতীবান্ধা এলাকায় ঢাকা-রংপুর মহাসড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন- বগুড়া সদরের বারপুর মধ্যপাড়ার মৃত ছবির উদ্দিন প্রামাণিকের ছেলে আশরাফ আলী (৫০), তার স্ত্রী পারুল বেগম (৪২) ও তাদের দু’মাস বয়সী নাতি রেজওয়ান ইসলাম। শিশুটির বাবার নাম আরশেদুল ইসলাম।

আহতদের বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ (শজিমেক) ও বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

এদিকে দুর্ঘটনার পর অন্তত আধা ঘণ্টা মহাসড়কে যান চলাচল বিঘ্নিত হয়।

হাইওয়ে পুলিশ গোবিন্দগঞ্জ থানার ওসি খায়রুল ইসলাম এ তথ্য দিয়েছেন।

হাইওয়ে পুলিশের এএসআই আবদুল আলিম ও স্থানীয়রা জানান, আশরাফ আলী তার স্ত্রীকে নিয়ে গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলার জুমারবাড়ি এলাকায় ছেলে আরশেদুল ইসলামের শ্বশুরবাড়িতে বেড়াতে যান। সেখানে তাদের দুমাস বয়সী নাতি রেজওয়ান ইসলাম শ্বাসকষ্টে ভুগছিল।

শিশুটিকে বগুড়া শজিমেক হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। শনিবার সকালে ওই দম্পতি নাতিকে নিয়ে অটোরিকশায় (বগুড়া-থ-১১-১৭৪১) জুমারবাড়ি থেকে বগুড়ার হাসপাতালের দিকে যচ্ছিলেন।

সকাল ৮টার দিকে বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলার মহাস্থান বাজারের উত্তরে হাতিবান্ধা এলাকায় ঢাকা-রংপুর মহাসড়কে কুমিল্লা ছেড়ে আসা পঞ্চগড়গামী আহসান এন্টারপ্রাইজের একটি বাস (ঢাকা মেট্রো-ব-১৫-৫৭৭৫)তাদের অটোরিকশায় ধাক্কা দেয়।

এতে অটোরিকশাটি দুমড়ে মুচড়ে গিয়ে ঘটনাস্থলেই যাত্রী আশরাফ আলী ও তার স্ত্রী পারুল বেগম মারা যান। আহত হন তাদের অসুস্থ নাতি রেজওয়ান, অটোচালক ও আরেকযাত্রী। এ সময় উল্টে যাওয়া বাসের অন্তত ১৩ জন যাত্রী আহত হন।

হাইওয়ে পুলিশ ও শিবগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা আহতদের মধ্যে গুরুতর ১০ জনকে উদ্ধার করে বগুড়া শজিমেক হাসপাতালে নিয়ে যান। পথিমধ্যে শিশু রেজওয়ান মারা যায়।

হাইওয়ে পুলিশ গোবিন্দগঞ্জ থানার ওসি খায়রুল ইসলাম জানান, দুর্ঘটনাকবলিত বাসটি জব্দ করা হলেও এর চালক ও হেলপার পালিয়ে গেছে।

নিহতদের লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এ ব্যাপারে গোবিন্দগঞ্জ থানায় মামলার প্রস্তুতি চলছে।

হাসপাতালে যাওয়ার পথে অসুস্থ নাতিসহ দাদা-দাদি নিহত

 বগুড়া ব্যুরো 
১৯ জুন ২০২১, ১২:২৯ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
সড়ক দুর্ঘটনা
ফাইল ছবি

বগুড়ায় হাসপাতালে যাওয়ার পথে বাসের ধাক্কায় সিএনজিচালিত অটোরিকশায় থানা অসুস্থ নাতিসহ দাদা ও দাদি নিহত হয়েছেন। এ সময় অটোরিকশাচালকসহ ১৫ যাত্রী আহত হয়েছেন।

শনিবার সকালে বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলার মহাস্থান বাজারের উত্তরে হাতীবান্ধা এলাকায় ঢাকা-রংপুর মহাসড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন- বগুড়া সদরের বারপুর মধ্যপাড়ার মৃত ছবির উদ্দিন প্রামাণিকের ছেলে আশরাফ আলী (৫০), তার স্ত্রী পারুল বেগম (৪২) ও তাদের দু’মাস বয়সী নাতি রেজওয়ান ইসলাম। শিশুটির বাবার নাম আরশেদুল ইসলাম।

আহতদের বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ (শজিমেক) ও বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

এদিকে দুর্ঘটনার পর অন্তত আধা ঘণ্টা মহাসড়কে যান চলাচল বিঘ্নিত হয়।

হাইওয়ে পুলিশ গোবিন্দগঞ্জ থানার ওসি খায়রুল ইসলাম এ তথ্য দিয়েছেন।

হাইওয়ে পুলিশের এএসআই আবদুল আলিম ও স্থানীয়রা জানান, আশরাফ আলী তার স্ত্রীকে নিয়ে গাইবান্ধার সাঘাটা উপজেলার জুমারবাড়ি এলাকায় ছেলে আরশেদুল ইসলামের শ্বশুরবাড়িতে বেড়াতে যান। সেখানে তাদের দুমাস বয়সী নাতি রেজওয়ান ইসলাম শ্বাসকষ্টে ভুগছিল।

শিশুটিকে বগুড়া শজিমেক হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। শনিবার সকালে ওই দম্পতি নাতিকে নিয়ে অটোরিকশায় (বগুড়া-থ-১১-১৭৪১) জুমারবাড়ি থেকে বগুড়ার হাসপাতালের দিকে যচ্ছিলেন।

সকাল ৮টার দিকে বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলার মহাস্থান বাজারের উত্তরে হাতিবান্ধা এলাকায় ঢাকা-রংপুর মহাসড়কে কুমিল্লা ছেড়ে আসা পঞ্চগড়গামী আহসান এন্টারপ্রাইজের একটি বাস (ঢাকা মেট্রো-ব-১৫-৫৭৭৫)তাদের অটোরিকশায় ধাক্কা দেয়।

এতে অটোরিকশাটি দুমড়ে মুচড়ে গিয়ে ঘটনাস্থলেই যাত্রী আশরাফ আলী ও তার স্ত্রী পারুল বেগম মারা যান। আহত হন তাদের অসুস্থ নাতি রেজওয়ান, অটোচালক ও আরেকযাত্রী। এ সময় উল্টে যাওয়া বাসের অন্তত ১৩ জন যাত্রী আহত হন।

হাইওয়ে পুলিশ ও শিবগঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা আহতদের মধ্যে গুরুতর ১০ জনকে উদ্ধার করে বগুড়া শজিমেক হাসপাতালে নিয়ে যান। পথিমধ্যে শিশু রেজওয়ান মারা যায়।

হাইওয়ে পুলিশ গোবিন্দগঞ্জ থানার ওসি খায়রুল ইসলাম জানান, দুর্ঘটনাকবলিত বাসটি জব্দ করা হলেও এর চালক ও হেলপার পালিয়ে গেছে।

নিহতদের লাশ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এ ব্যাপারে  গোবিন্দগঞ্জ থানায় মামলার প্রস্তুতি চলছে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন