হস্তান্তরের আগেই ব্রিজে ফাটল
jugantor
হস্তান্তরের আগেই ব্রিজে ফাটল

  পীরগঞ্জ (রংপুর) প্রতিনিধি  

১৯ জুন ২০২১, ২১:৫২:০৩  |  অনলাইন সংস্করণ

পীরগঞ্জে ৩১ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মিত ব্রিজে ফাটল দেখা দিয়েছে

পীরগঞ্জে কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তরের আগেই ৩১ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মিত ব্রিজে ফাটল দেখা দিয়েছে। ব্রিজটি উপজেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন অধিদপ্তরের অধীন ধুলগাড়ী গ্রামে নির্মিত হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র ও এলাকাবাসী জানায়, ২০১৯-২০২০ অর্থবছরে উপজেলার রায়পুর ইউনিয়নের ধুলগাড়ী গ্রামে ত্রাণ ও পুনর্বাসন অধিদপ্তরের অধীনে মেসার্স তাজুল কন্সট্রাকশন ব্রিজটি নির্মাণ করে। ৩১ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মিত ব্রিজের দৈর্ঘ্য ৩৮ ফুট এবং প্রস্থ ১৪ ফুট।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক গ্রামবাসী অভিযোগে করে জানান, শুরু থেকেই ব্রিজটি নির্মাণে অনিয়ম করা হয়েছে। এ ব্যাপারে অভিযোগ করলেও তদারকি কর্মকর্তা ও ঠিকাদার বিষয়গুলো আমলে নেননি।

অভিযোগ রয়েছে ব্রিজটির নিচে ভিত্তির উপরে ৪ ইঞ্চি উচ্চতার ঢালাই দেওয়া হয়নি। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানটি ব্রিজ নির্মাণের পর নদীর দু’পাড়ের মাটি কেটে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ব্রিজের উইং ওয়াল ভেঙ্গে গেছে। এ ছাড়াও এবাটমেন্ট (ব্রিজের পাশ) ও গার্ডারও ফেঁটে গেছে। এলাকাবাসীর অভিযোগ নির্মাণে নিম্নমানের উপকরণ ব্যবহার করায় দ্রুত ব্রিজটিতে ফাঁটল দেখা গেছে।

এ বিষয়ে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের প্রোপ্রাইটরকে একাধিকবার মোবাইলে ফোন করলেও তিনি রিসিভ করেননি।

উপজেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা মিজানুর রহমান বলেন, স্ক্যাব্যাডার দিয়ে ব্রিজের নিচ থেকে মাটি তুলতে গিয়ে ব্রিজটি ভেঙ্গে এবং ফেঁটে গেছে। আমরা তা ঠিক করে দেব।

হস্তান্তরের আগেই ব্রিজে ফাটল

 পীরগঞ্জ (রংপুর) প্রতিনিধি 
১৯ জুন ২০২১, ০৯:৫২ পিএম  |  অনলাইন সংস্করণ
পীরগঞ্জে ৩১ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মিত ব্রিজে ফাটল দেখা দিয়েছে
পীরগঞ্জে ৩১ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মিত ব্রিজে ফাটল দেখা দিয়েছে। ছবি:যুগান্তর

পীরগঞ্জে কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তরের আগেই ৩১ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মিত ব্রিজে ফাটল দেখা দিয়েছে। ব্রিজটি উপজেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন অধিদপ্তরের অধীন ধুলগাড়ী গ্রামে নির্মিত হয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র ও এলাকাবাসী জানায়, ২০১৯-২০২০ অর্থবছরে উপজেলার রায়পুর ইউনিয়নের ধুলগাড়ী গ্রামে ত্রাণ ও পুনর্বাসন অধিদপ্তরের অধীনে মেসার্স তাজুল কন্সট্রাকশন ব্রিজটি নির্মাণ করে। ৩১ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মিত ব্রিজের দৈর্ঘ্য ৩৮ ফুট এবং প্রস্থ ১৪ ফুট।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক গ্রামবাসী অভিযোগে করে জানান, শুরু থেকেই ব্রিজটি নির্মাণে অনিয়ম করা হয়েছে। এ ব্যাপারে অভিযোগ করলেও তদারকি কর্মকর্তা ও ঠিকাদার বিষয়গুলো আমলে নেননি।

অভিযোগ রয়েছে ব্রিজটির নিচে ভিত্তির উপরে ৪ ইঞ্চি উচ্চতার ঢালাই দেওয়া হয়নি। ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানটি ব্রিজ নির্মাণের পর নদীর দু’পাড়ের মাটি কেটে সংযোগ সড়ক নির্মাণ করে।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ব্রিজের উইং ওয়াল ভেঙ্গে গেছে। এ ছাড়াও এবাটমেন্ট (ব্রিজের পাশ) ও গার্ডারও ফেঁটে গেছে। এলাকাবাসীর অভিযোগ নির্মাণে নিম্নমানের উপকরণ ব্যবহার করায় দ্রুত ব্রিজটিতে ফাঁটল দেখা গেছে।

এ বিষয়ে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের প্রোপ্রাইটরকে একাধিকবার মোবাইলে ফোন করলেও তিনি রিসিভ করেননি।

উপজেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা মিজানুর রহমান বলেন, স্ক্যাব্যাডার দিয়ে ব্রিজের নিচ থেকে মাটি তুলতে গিয়ে ব্রিজটি ভেঙ্গে এবং ফেঁটে গেছে। আমরা তা ঠিক করে দেব।
 

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন