‘ভাড়াটিয়া রানীকে তাড়িয়ে দেওয়ার পরও পরকীয়া চালিয়ে যান ইলিয়াস’
jugantor
‘ভাড়াটিয়া রানীকে তাড়িয়ে দেওয়ার পরও পরকীয়া চালিয়ে যান ইলিয়াস’

  ফতুল্লা (নারায়ণগঞ্জ) প্রতিনিধি  

২০ জুন ২০২১, ১০:৫৪:৩৩  |  অনলাইন সংস্করণ

পরকীয়া

ইলিয়াস তার বাড়ির ভাড়টিয়া রানীর সঙ্গে পরকীয়ায় জড়িয়ে পড়ে। বিষয়টি জানাজানি হলে রানীকে ওই বাসা থেকে বের করে দেওয়া হয়। এর পরও ইলিয়াসের সঙ্গে রানী পরকীয়ার সম্পর্ক অব্যাহত রাখে। এ নিয়ে প্রায়ই জ্যোৎস্নার সঙ্গে ইলিয়াসের ঝগড়া হতো। এ কারণে জ্যোৎস্না বেগমকে তার স্বামী শ্বাসরোধে হত্যা করেছে বলে দাবি করা হয়েছে।

শনিবার দুপুর ১২টায় ফতুল্লার ধর্মগঞ্জ চতলারমাঠ এলাকার স্বামীর বাড়ি থেকে গৃহবধূ জ্যোৎস্না বেগমের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য স্বামী ইলিয়াসকে আটক করা হয়েছে।

নিহত জ্যোৎস্না ফতুল্লার বক্তাবলী এলাকার মৃত হাবিবুর রহমান হাবিবের মেয়ে।

নিহতের বড় ভাই আব্দুল মতিনের দাবি, রানী নামে এক নারী স্বামী নিয়ে জ্যোৎস্নার স্বামীর বাড়িতে ভাড়া থাকত। সেই রানীর সঙ্গে ইলিয়াস পরকীয়ায় জড়িয়ে পড়ে। পরকীয়ায় বাধা দেওয়ায় জ্যোৎস্নাকে শ্বাসরোধে হত্যা করেছে তার স্বামী ইলিয়াস। এর পর ঘরের ভেতর খাটে ফেলে রাখে লাশ।

তিনি জানান, ২৪ থেকে ২৫ বছর আগে পারিবারিকভাবে ধর্মগঞ্জ চতলারমাঠ এলাকার দর্জিবাড়ির তাইজুদ্দিন দর্জির ছেলে ইলিয়াসের সঙ্গে জ্যোৎস্নাকে বিয়ে দেওয়া হয়। বিয়ের পর তাদের সংসারে বন্যা (২৩) ও হাফসা (৭) নামে দুটি মেয়ে রয়েছে।

ঘটনাস্থলে যাওয়া ফতুল্লা মডেল থানার এসআই শাহাদাত হোসেন জানান, লাশে আঘাতের চিহ্ন নেই। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পেলে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

‘ভাড়াটিয়া রানীকে তাড়িয়ে দেওয়ার পরও পরকীয়া চালিয়ে যান ইলিয়াস’

 ফতুল্লা (নারায়ণগঞ্জ) প্রতিনিধি 
২০ জুন ২০২১, ১০:৫৪ এএম  |  অনলাইন সংস্করণ
পরকীয়া
ফাইল ছবি

ইলিয়াস তার বাড়ির ভাড়টিয়া রানীর সঙ্গে পরকীয়ায় জড়িয়ে পড়ে। বিষয়টি জানাজানি হলে রানীকে ওই বাসা থেকে বের করে দেওয়া হয়। এর পরও ইলিয়াসের সঙ্গে রানী পরকীয়ার সম্পর্ক অব্যাহত রাখে। এ নিয়ে প্রায়ই জ্যোৎস্নার সঙ্গে ইলিয়াসের ঝগড়া হতো। এ কারণে জ্যোৎস্না বেগমকে তার স্বামী শ্বাসরোধে হত্যা করেছে বলে দাবি করা হয়েছে।

শনিবার দুপুর ১২টায় ফতুল্লার ধর্মগঞ্জ চতলারমাঠ এলাকার স্বামীর বাড়ি থেকে গৃহবধূ জ্যোৎস্না বেগমের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য স্বামী ইলিয়াসকে আটক করা হয়েছে।

নিহত জ্যোৎস্না ফতুল্লার বক্তাবলী এলাকার মৃত হাবিবুর রহমান হাবিবের মেয়ে।

নিহতের বড় ভাই আব্দুল মতিনের দাবি, রানী নামে এক নারী স্বামী নিয়ে জ্যোৎস্নার স্বামীর বাড়িতে ভাড়া থাকত। সেই রানীর সঙ্গে ইলিয়াস পরকীয়ায় জড়িয়ে পড়ে। পরকীয়ায় বাধা দেওয়ায় জ্যোৎস্নাকে শ্বাসরোধে হত্যা করেছে তার স্বামী ইলিয়াস। এর পর ঘরের ভেতর খাটে ফেলে রাখে লাশ।

তিনি জানান, ২৪ থেকে ২৫ বছর আগে পারিবারিকভাবে ধর্মগঞ্জ চতলারমাঠ এলাকার দর্জিবাড়ির তাইজুদ্দিন দর্জির ছেলে ইলিয়াসের সঙ্গে জ্যোৎস্নাকে বিয়ে দেওয়া হয়। বিয়ের পর তাদের সংসারে বন্যা (২৩) ও হাফসা (৭) নামে দুটি মেয়ে রয়েছে।

ঘটনাস্থলে যাওয়া ফতুল্লা মডেল থানার এসআই শাহাদাত হোসেন জানান, লাশে আঘাতের চিহ্ন নেই। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট পেলে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

যুগান্তর ইউটিউব চ্যানেলে সাবস্ক্রাইব করুন
জেলার খবর
অনুসন্ধান করুন